Patnaik on engels

কৃষকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস

একেক দেশের বাস্তব পরিস্থিতির উপরেই সেই দেশে সর্বহারা শ্রমিক–কৃষকদের জোটের চেহারাটা কেমন হবে তা নির্ভর করে একথা সর্বদাই সত্য। আমাদের দেশের পরিস্থিতিতে এহেন জোট আজকের দিনে কি চেহারা নেবে সেই সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি ভারতের কৃষকদের লড়াইতে আরেকটি বড় প্রসঙ্গও যুক্ত হয়েছে – এই লড়াই আর শুধুমাত্র বড় জমিদার – সামন্তপ্রভুদের বিরুদ্ধে লড়াইতেই সীমাবদ্ধ নেই, বড় পুঁজি এবং দেশি–বিদেশী কর্পোরেট পূঁজির (কৃষিবাণিজ্যে যে পুঁজি সক্রিয়) বিরুদ্ধেও কৃষকরা লড়ছেন। ফ্রেডেরিখ এঙ্গেলসের ‘পিজ্যান্ট ওয়্যার ইন জার্মানি’ বইটি প্রথমে রাইনিশে জাইতুং পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রবন্ধ হিসাবে প্রকাশিত হয়, কার্ল মার্কস তখন সেই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং নিশ্চিতভাবেই এঙ্গেলসের সাথে সহমত পোষণ করতেন। আজকের দিনে আমাদের সংগ্রামী প্রত্যয় আরও জোর পায় যখন আমরা উপলব্ধি করি সমাজতন্ত্র নির্মাণের পথে কার্যকরী পূর্বশর্ত হিসাবে মার্কস-এঙ্গেলস দুজনেই শ্রমিক-কৃষক জোটের পক্ষেই ছিলেন।

কৃষক আন্দোলনের ঐতিহাসিক জয়ে সংযুক্ত কিষান মোর্চার বিবৃতি

সংযুক্ত কিষান মোর্চা আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মনে করিয়ে দিতে চায় যে কৃষকদের আন্দোলন শুধুমাত্র তিনটি কালো আইন বাতিলের জন্য নয়, বরং সমস্ত কৃষি পণ্যে উপযুক্ত সহায়ক মূল্যের একটি বিধিবদ্ধ আইনের দাবীতে সংগঠিত হয়েছে, এই লরাই দেশের প্রত্যেক কৃষকের। কৃষকদের এই গুরুত্বপূর্ণ দাবি এখনো আদায় হওয়া বাকি রয়েছে। বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল প্রত্যাহারও আমাদের অন্যতম দাবী। আগামী দিনে সেই লক্ষ্যে প্রতিটি পরিস্থিতির প্রতি নজর রাখবে সংযুক্ত কিষান মোর্চা। সংযুক্ত কিষান মোর্চা দ্রুত নিজেদের সহযোগী সংগঠনগুলিকে সাথে নিয়ে সাধারন সভায় মিলিত হবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ঘোষণা জানাবে।

Economy

ভারতে কৃষির সমস্যা এবং কৃষক আন্দোলন প্রসঙ্গে কিছু জরুরী প্রসঙ্গ

ন্যুনতম সহায়ক মুল্য হল সেই ব্যবস্থা যার কারনে কেন্দ্রীয় খাদ্যভান্ডারে খুব বেশি প্রভাব না ফেলেই সারা দেশজূড়ে ফসল বিক্রির ক্ষেত্রে কৃষকদের লাভজনক দাম পাওয়ার নিশ্চয়তা বজায় থাকে। ফসলে সহায়ক মূল্য বাড়ানো হলে সরকারী গুদামে চাপ বেশি না বাড়িয়েও কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পায়। ঐ তিনটি রাজ্য (পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তর প্রদেশ) বাদে সারা দেশে নিজেদের গুদাম স্থাপনের কাজে এফসিআই’র অকর্মণ্যতা নিশ্চই রয়েছে। সেই কারনেই কয়েকটি রাজ্য সরকার খাদ্য মজুত করার কাজে নিজস্ব সংস্থাগুলিকে কাজে লাগাতে বাধ্য হয়েছে। যেখানেই রাজ্য সরকারের সংস্থাগুলি সেই কাজ পরিচালনা করেছে, মজুতের কাজে খুব সফল না হলেও এদের কারনেই সেই সব রাজ্যে কৃষকরা লাভজনক আয় করতে পেরেছেন। তাই উচিত হবে গুটিকয়েক রাজ্যে নিজেদের কাজে পরিধিকে সীমাবদ্ধ না রেখে সর্বভারতীয় স্তরে এফসিআইকে আরও সক্রিয় করে তোলা অর্থাৎ কেন্দ্রীয় খাদ্য মজুত প্রক্রিয়াকে আরও বিস্তৃত করা।

শক্তিশালী বাম-কংগ্রেস জোটই মেরুকরণকারী শক্তির বিরুদ্ধে প্রকৃত বিকল্প- সীতারাম ইয়েচুরি

বিহার বিধানসভার নির্বাচনে জেডি(ইউ)-বিজেপি জোটের প্রায় ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছিল আরজেডি-কংগ্রেস-বাম জোট। এই নির্বাচনের ফলাফলের পর বাম মহল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক