AIKS Statement

রাসায়নিক সারের দামবৃদ্ধির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান সারা ভারত কৃষক সভার

দুই মাস পূর্বেই ঘোষণা করা হয়েছিল রাসায়নিক সারের দাম বাড়ানো হবে না কারন তার ফলে চাষের কাজে কৃষকদের উৎপাদন খরচ (ইনপুট কস্ট) বেড়ে যাবে, এরই মধ্যে আইএফএফসিও ( ইন্ডিয়ান ফারমার্স ফার্টিলাইজারস কোঅপারেটিভ লিমিটেড) যেভাবে বর্ধিত দামের তালিকা প্রকাশ করেছে তা এক নিদারুন রসিকতা। এমনটা হতে পারছে কারন সার উৎপাদন ক্ষেত্রকে মোদী সরকার সম্পূর্ণরুপে বিনিয়ন্ত্রনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সার উৎপাদক সংস্থাগুলিও কৃষকদের প্রাপ্য ভর্তুকির অর্থ না দিয়েই সারের চড়া বিক্রয়মূল্য ধার্য করছে। মোদী সরকার কৃষকদের আয় দ্বিগুন করার কথা বলে কার্যত কৃষকদের দুর্দশা দ্বিগুন করে চলেছে

PB Statement

পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

জনজীবনের প্রধান
সমস্যা যেমন পেট্রোপন্যের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশের
সংসদে যেকোনো আলোচনাই প্রত্যাখ্যান করছে, পলিট ব্যুরো কেন্দ্রীয় সরকারের এই মনোভাবের
তীব্র বিরোধিতা করছে। আলোচনা এড়িয়ে যাবার উদ্দ্যেশ্যেই ১৫ মার্চ অবধি সংসদের অধিবেশন
মুলতবী করে দেওয়া হয়েছে। সংসদে কৈফিয়ত দেবার প্রসঙ্গে ভারতের সংবিধান অনুযায়ী সরকারের
যে দায়বদ্ধতা রয়েছে তাকে সরাসরি খারিজ করে দেওয়ার জঘন্যতম উদাহরন হল এই ঘটনা।
পলিট ব্যুরো আরও একবার পেট্রোপণ্যে যাবতীয় বর্ধিত কর প্রত্যাহার করে নেবার দাবী জানাচ্ছে।

বর্তমান কৃষক আন্দোলনঃ এক সুসংহত বিকল্পের লক্ষ্যে আগামী দিনের লড়াই

ভারত এক বিরাট দেশ, এর বিভিন্ন প্রান্তের বৈচিত্র্যময় বাস্তবতাকে আলোচনায় গুরুত্ব না দিয়ে আন্দোলন সামনের দিকে এগোতে পারবে না। নিজেদের অস্তিত্বরক্ষার আন্দোলনে অগ্রাধিকার দিয়ে উক্ত সমস্যাবলী সম্পর্কে সমাধানের লক্ষ্যে এক সুস্থিত কৃষি অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে যা ভারতের সাধারণ অর্থনীতির মেরুদন্ড হিসাবে কাজ করবে। সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাবার পথে জনগণের অন্যান্য অংশকেও এই লড়াইয়ের সাথী করে নিতে হবে, তবেই এই লড়াই এক সার্বিক গণআন্দোলন হিসাবে সার্থক হয়ে উঠবে। আজকের কৃষক আন্দোলন সেই প্রকৃত বিকল্পের দিশা সম্পর্কে ইতিমধ্যেই অনেককে স্বপ্ন দেখাতে সমর্থ হয়েছে।

দিল্লির রাজপথে সাধারণতন্ত্রের প্রকৃত উৎসব পালিত

কৃষকদের লড়াই ইতিহাস তৈরি করল আজ আজ ভারতে সাধারণতন্ত্র দিবস। নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবীতে দিল্লি সীমান্তে কৃষকদের আন্দোলন চলছে