PB Statement

পলিট ব্যুরো কমিউনিকে

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের আমলে দেশের জাতীয় সম্পদের নিরলস লুট অব্যাহত রয়েছে। জাতীয় পতাকার বাহক সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়াকে টাটাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। মোদি সরকার কর্তৃক এই বিক্রি টাটাদের বিনামূল্যে উপহার দেওয়ার সমতুল্য। টাটারা এই বিক্রির সূত্রে ১৫৩০০ কোটি টাকার ঋণের দায় নেবে, বোঝাই যাচ্ছে পরবর্তীকালে সেই ঋণ সম্পর্কে নতুন সিদ্ধান্ত হবে। কেন্দ্রীয় সরকারকে কেবলমাত্র ২৭০০ কোটি টাকা নগদ দিয়েই এয়ার ইন্ডিয়ার ৪৬২৬২ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল সম্পদের মালিক হল টাটা গোষ্ঠী। অবশিষ্ট ঋণের ৪৬,২৬২ কোটি টাকার দায় বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার, যার অর্থ এই ঋণ পরিশোধের ভার জনগণের উপরে চাপানো হবে।

PB Statement

কমরেড বিজন ধরঃ এই মৃত্যু পার্টির জন্য বড় ক্ষতি - পলিট ব্যুরো

বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা সত্ত্বেও কমরেড বিজন ধর পার্টির কাজে অক্লান্ত পরিশ্রম চালিয়ে গেছেন। পার্টির লক্ষ্যের প্রতি উচ্চ স্তরের অঙ্গীকারই তার এহেন আচরণের ব্যাখ্যা। ত্রিপুরায় হিংসাত্মক আক্রমণের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পার্টি যখন সাহসিকতার সাথে লড়াই চালাচ্ছে তখন কমরেড বিজন ধরের এবং গত মাসে তারই সহকর্মী কমরেড গৌতম দাসের মৃত্যু পার্টির জন্য একটি বড় ক্ষতি।

PB Statement

অসমে নারকীয় পুলিশি নিপীড়ন প্রসঙ্গে পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

কৃষকদের উপর ভয়াবহ বর্বরতায় জড়িত যাদের ক্যামেরায় দেখা গেছে সেইসব পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। গুয়াহাটি হাইকোর্টের একজন সিটিং জজের অধীনে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছে সিপিআই(এম)। উচ্ছেদ কর্মসূচি এখনই বন্ধ করতে হবে, নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আসামে বিজেপি সরকারের সাম্প্রদায়িক, বিদ্বেষী রাজনীতির স্বরুপ উন্মোচন করতে এবং তাকে প্রতিরোধ করতে সেই রাজ্যের ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক শক্তিসমুহের লড়াইকে সমর্থন জানাচ্ছে পলিট ব্যুরো।

PB Statement

কোভিড সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণের দায় নিক কেন্দ্রিয় সরকার - পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

মহামারী মোকাবিলায় প্রোটোকল এবং নির্দেশিকা সবই কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়েছে। কোভিড আক্রান্তদের ক্ষতিপূরণ দেবার মূল দায়িত্ব তাই কেন্দ্ররই বহন করা উচিত। সুপ্রিম কোর্ট এখনও এই মামলায় চূড়ান্ত রায় দেয়নি। এই দায় বহনে কেন্দ্রের প্রাথমিক দায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্ষতিপূরণের পরিমাণও যথার্থরুপে বৃদ্ধি করতে হবে।

PB Statement

কমরেড গৌতম দাশের মৃত্যুতে পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

কমরেড গৌতম দাশ ১৯৬৮ সালে পার্টিতে যোগ দেন, ১৯৮৬ সালে ত্রিপুরা রাজ্য কমিটিতে নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ সালে রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীতে এবং ২০১৮ সালে রাজ্য সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালে ২১তম পার্টি কংগ্রেসে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। শেষ তিন বছর লাগাতার সন্ত্রাসের মোকাবিলা করেই তিনি ত্রিপুরায় পার্টি পরিচালনার জন্য অবিচলভাবে নিজের কাজ করেছেন।

PB Statement

ত্রিপুরায় হামলা চালানোর তীব্র নিন্দা পলিট ব্যুরোর

যে কায়দায় বিজেপি’র গুন্ডাবাহিনী পরিচালিত হয়েছে তাতে রাজ্য সরকারের এই ঘটনায় সরাসরি যোগসাজশ স্পষ্ট হয়েছে। এই হামলাগুলি হয়েছে কারণ শাসক দল বিজেপি ত্রিপুরা রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের কার্যকলাপ দমন করার চেষ্টা করতে চেয়েও বারে বারে ব্যর্থ হয়েছে।

PB Statement

ভারতের বিক্রি বন্ধ হোক

দৈনন্দিন খরচ মেটাতে যারা পারিবারিক সম্পদ যেমন রুপো বিক্রি করে তাদের অর্থনৈতিক বা সাধারণ জ্ঞান বিচার্য হতে পারে না। যখন বাজারে মন্দাবস্থা চলছে সেই অবস্থায় জাতীয় সম্পদ বিক্রির এহেন সিধান্তে ধান্দাবাজ (ক্রোনি) কর্পোরেটের মুনাফা ব্যাতিত আর কারোর স্বার্থ সুরিক্ষিত থাকবে না। এই কাজ আসলে ধান্দাবাজ পুঁজিবাদের প্রচার।

PB Statement

পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যাবহার করে ভারতীয়দের উপরে নজরদারি - পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

ভারতীয় আইনে কারোর স্মার্টফোন হ্যাক করে সাইবার-স্পাই সফটওয়্যার দ্বারা কারোর ব্যক্তিগত তথ্য বের করা নিষিদ্ধ, এমনকি ভারত সরকারও সেই কাজ করতে পারে না। তবে ভারত সরকার কোন আইনের বলে এহেন নজরদারি চালাচ্ছে? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশানুযায়ী ব্যক্তিগত গোপনীয়তা প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার, কিন্তু কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংক্রান্ত আইনকে কার্যকরী করতে গিয়ে সত্যের অপলাপ ঘটাচ্ছে।

PB Statement

ফাদার স্ট্যান স্বামীর মৃত্যুতে পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

জেলের মধ্যে ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়া সত্বেও যারা বারে বারে মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে তার জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেছেন তাদের এই মৃত্যুর জন্য জবাবদিহি করতেই হবে। ভীমা কোরেগাঁও মামলাসহ দেশদ্রোহিতার অভিযোগে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ইউ এ পি এ’র মতো দানবীয় আইনে গ্রেফতার হওয়া প্রত্যেক রাজনৈতিক বন্দীকেই মুক্তি দিতে হবে।

PB Statement

পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

পুঁজিপতিদের মুনাফা লাভের অংক আরো বাড়ানোর জন্য জলের দরে দেশের সম্পদ বিক্রির উদ্যোগ চলছে। এর বিরুদ্ধে দেশের শ্রমজীবী মানুষ এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রতিবাদকে প্রতিরোধের লক্ষ্যেই এই অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণের ৪১টি কারখানাকে মাত্র সাতটি কর্পোরেট পরিণত করা হচ্ছে। মাত্র চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থাকবে স্ট্রাটেজিক ক্ষেত্র বলে, ঘোষণা করেছেন মোদি সরকার। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দেশের সম্পদ নগ্নভাবে লুটের বিরুদ্ধে লড়াই আন্দোলন আরো বৃদ্ধি পাবে।