Marx 2022

দারিদ্র্যের দর্শনের জবাবে দর্শনের দারিদ্র

মানব মুক্তির প্রকৃত দিশা নির্ধারণে যে দর্শনশাস্ত্র অপারগ, তাকে শেষ বিদায় জানানোর সময় এসেছে। যদিও প্রুধোঁর মতবাদের জবাবে মার্কস যা লিখলেন তাকে আরও কুড়ি বছর পরে প্রকাশিত ক্যাপিটালের দার্শনিক, অর্থনৈতিক ভ্রূণ বলা চলে। প্রুধোঁর দারিদ্র্যের দর্শনের বিরুদ্ধে ১৮৪৭ সালের জুলাই মাসে ব্রাসেলস এবং প্যারিস থেকে প্রকাশিত হল মার্কসের লেখা ‘দর্শনের দারিদ্র’, পভার্টি অফ ফিলোজফি শিরোনামে

Satyajit 100

বিদ্রোহী সত্যজিৎ

একটি বস্তুকে জানা মানে হচ্ছে বস্তুর সঙ্গে চিন্তার সংগতি ঘটাবার এক অন্তহীন প্রক্রিয়া। মানুষের মনে প্রকৃতির যে প্রতিফলন ঘটে তা প্রাণহীন নয়, বিমুর্ত নয়, নিশ্চল নয়, দ্বন্দ্বহীন নয়। তা গতিশীল। তার মধ্যে দ্বন্দ্ব-উপস্থিত হয় এবং সে-দ্বন্দ্বের সমাধানও বেরিয়ে আসে

ভারতে মে দিবস উদযাপনের শতবর্ষ

এই প্রথম শ্রমিকশ্রেণি সমস্ত শিল্পে তার শক্তিশালী হাতিয়ার ধর্মঘটকে ব্যবহার করল একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের জন্য এবং দেখালো সাধারণ মানুষকে জড়ো করতে পারার দক্ষতা

ভারতে শ্রমজীবীদের লড়াই বনাম কর্পোরেট-হিন্দুত্বের আঁতাত

অতিমারিকালীন পরিস্থিতির সময় শ্রম আইন অকার্যকারি করার নেতৃত্ব দিয়েছিল বিজেপি পরিচালিত রাজস্থান সরকার। বিজেপি পরিচালিত উত্তর প্রদেশ সরকার বলেছিল শ্রম আইন স্থগিত রাখো তিন বছরের জন্য। মধ্যপ্রদেশের সরকার বলেছিল চুলোয় যাক শ্রম আইন ১০০০ দিনের জন্য। বিজেপির গুজরাট সরকার বলেছিল চাপা রাখো শ্রম আইন ১২০০ দিনের জন্য।

মে দিবস ও আজকের লড়াই

মে দিবস শুধু একটি ঘটনা নয়, ভবিষ্যতের দিক নির্দেশক। আন্দোলন এক‌ই পদ্ধতিতে চলবে মনে করার কোন কারণ নেই। সব লড়াইয়ে শ্রমিক শ্রেণী জিতবে এটাও ভাবার কোন কারণ নেই। মানুষ তৈরির প্রতিষ্ঠান ট্রেড ইউনিয়ন। সেই ট্রেড ইউনিয়নের কাজ‌ই হবে শ্রমিককে তার নির্দিষ্ট শ্রেণীতে প্রতিষ্ঠা করা ও যোগ্যতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হ‌ওয়া।

মে দিবসের ইতিহাস - একটি পর্যালোচনা

মানবসভ্যতা প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যায় শ্রমিকের রক্ত জল করা ঘামে।এই সভ্যতা তৈরিই হয়েছে শ্রমের বিনিময়ে। তাই এই সভ্যতার ইতিহাসে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে শ্রমিক শ্রেণি। শিল্প বিপ্লবের পর বিশ্বের নানান প্রান্তে শ্রমঘন এলাকা তৈরি হয়েছে, যেখানে বিপুল পরিমাণ শ্রমিক একটি কারখানা বা শিল্পকে কেন্দ্র করে একত্র হয়েছে।

PB Statement

অবিলম্বে এলআইসি’র আইপিও বাতিল করতে হবে

দেশের এবং জনগণের সম্পদ প্রসঙ্গে নীতিগত অবস্থানের কারনেই এমন একটি প্রতিষ্ঠানের আইপিও-র বিরোধিতা জানাচ্ছে সিপিআই(এম)-র পলিট ব্যুরো। এই সম্পদ কোটি কোটি পলিসি হোল্ডারদের মালিকানাধীন, নির্বিচারে যেভাবে এলআইসির অবমূল্যায়ন চলছে এবং পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থকে ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে তা জনমানসে ক্ষোভের উদ্রেক করতে বাধ্য।

কমরেড জাস্টিসের সঙ্গে

তার কাছে এখনো কলকাতার বিমান’দা ডাকলে সেটা খুবই কাছের একটা ডাক। তবু তিনি বিচারক। তিনি মতাদর্শ নিয়ে রাষ্ট্রব্যবস্থার এই স্তম্ভে ব্যারিকেডের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মানুষ। একাধারে এজিটেশন, প্রোপাগ্যান্ডা অন্যদিকে প্র্যাকটিসের মধ্যে থাকা একজন মানুষ।

সম্পূর্ণ নতুন ধরনের এক বিপ্লবী

যে বিধ্বংসী এবং অধৈর্য্য মনোভাবে জুলাই-বিক্ষোভের বিরোধিতা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই অবিলম্বে সোভিয়েতের হাতে সমস্ত ক্ষমতা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানালেন লেনিন। বিপ্লব সম্পর্কে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কারনে কামেনেভ এবং জিনোভিয়েভের মতো নিজের সবচেয়ে পুরানো এবং সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কমরেডদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন।

কেমন মানুষ ছিলেন লেনিন

মানুষ লেনিনের খোঁজ পেতে আমাদের নির্ভর করতে হয় তার পাশে থাকা এমন কিছুজনের স্মৃতিচারণায় যারা তাকে উলিয়ানভ থেকে লেনিন হয়ে উঠতে দেখেছেন, যারা তাকে পরিশ্রমে শ্রান্ত হতে দেখেছেন, উত্তেজিত হতে দেখেছেন, আনন্দে হাসতে দেখেছেন – তার দুঃখের সাক্ষী থেকেছেন। নাঝেদজা ক্রুপ্সকায়া এমনই একজন, তিনি ছিলেন লেনিনের কমরেড ইন আর্মস বলতে যা বোঝায় তাই। লেনিনের স্ত্রী হিসাবে তার পরিচিতি অনেক পরের কথা।