Constitution of India

Indianness In The Constitution Of India And Assault Of The RSS

The Preamble of our Constitution provides India to be a Sovereign, Socialist, Secular, Democratic and Republic Country. An important part of our Constitution resides in the fact that it ensures certain Fundamental Rights, which are protected by the state. The Fundamental Rights such as the right to equality, the right to freedom, the right against exploitation, the right to freedom of religion, the right to property, the right to constitutional remedies etc. are aimed protect individual and minority groups from arbitrary state action. The Directive Principles of State Policy, on the other hand, seems to work as guidelines to the legislatures and state to “promote welfare of the people”. Thus, the basic guiding principles of our Constitution seem to create objective conditions for building of a modern, progressive, secular and egalitarian society, based on individual freedom and liberty.

শিল্প এবং বিদ্রোহ দুয়েতেই অবিস্মরণীয় মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ইওরোপে গিয়েও তিনি বেশিরভাগ সময় ইংল্যান্ডে না কাটিয়ে চলে গিয়েছিলেন ফ্রান্সে। উদ্দেশ্য ছিল, ফরাসিদের উৎকৃষ্ট ভাষা এবং সাহিত্যের সঙ্গে সুপরিচিত হওয়া। কিন্তু প্রবল আর্থিক সমস্যা দুর্বিষহ হয়ে দেখা দিয়েছিল সেই সময়। তবু তারই মধ্যে নিজের সাহিত্যচর্চা চালিয়ে গিয়েছেন মাইকেল। বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী বা পয়ার ছন্দের উদ্ভাবন হোক বা ইংরেজিতে ‘ব্ল্যাঙ্ক ভার্স’ – সবক্ষেত্রেই পরিচয় দিয়েছেন নিজের মুনশিয়ানার। উইলিয়াম শেক্সপিয়র, জন মিল্টন, উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থদের পাথেয় করে গড়ে তুলেছেন নিজেকে। অথচ, তারই মধ্যে মধ্যযুগীয় বর্বরতার সামিল হিন্দু সমাজব্যবস্থার প্রতি ছুঁড়ে দিয়েছেন ভর্ৎসনার তির – ‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ যার জ্বলন্ত প্রমাণ।

Gramsci and Election

কমিউনিস্ট পার্টি, নির্বাচন এবং বিপ্লবী শ্রমিকশ্রেণীর সমাবেশ

১৯২১ সালের জানুয়ারি মাসে ইতালির কমিউনিস্ট পার্টি (PCI)- এর প্রথম কংগ্রেস আয়োজিত হয়, লিভর্নো শহরে। উনত্রিশ বছর বয়সী আন্তোনিও গ্রামশি ততদিনে গোটা ইতালিতে অন্যতম বামপন্থী বিপ্লবী নেতা হিসাবে পরিচিত হয়েছেন। ফ্যাক্টরি কাউন্সিল আন্দোলনের প্রভাবে তুরিন-কে ইতালির “পেত্রোগ্রাদ” বলা শুরু হয়ে গেছে। গ্রামশি তখন L’Ordine Nuovo নামক সাপ্তাহিক পত্রিকায় নিয়মিত লিখছেন। ১৯২১ সালের ১২ই এপ্রিল The Communists and The Elections শিরোনামে L’Ordine Nuovo’তে একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। একশো বছর পরেও সেই প্রবন্ধের বক্তব্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। প্রথমে বিশ্বযুদ্ধ এবং পরে ফ্যাসিবাদের কবলে পড়া ইতালির পরিপ্রেক্ষিতে লেখা সেই প্রবন্ধ একশো বছর পরে পড়ার সময় আজকের ভারতে নির্দিষ্ট পরিস্থিতি যেমন মাথায় রাখতে হবে তেমনই ইতিহাস নির্দিষ্ট কর্তব্য পালনের লক্ষ্যে মার্কসবাদের সাধারণ সুত্রগুলিকেও আমাদের আরেকবার ঝালিয়ে নিতে হবে।

যে উত্তরাধিকার আজও অনুসরণযোগ্য

কলকাতা শহরের দক্ষিনপ্রান্তের একটি বাড়ি ভাড়া করে কিছু মানুষ বাস করতে শুরু করেছেন, বাড়ির মালিক শুনেছেন এনারা পূর্ববাংলা থেকে আগত একটি সম্ভ্রান্ত বাঙালী পরিবার। সেই পরিবারের কর্তা স্বভাবগম্ভীর স্থিতধী মানুষ, কথাবার্তা কম বলেন। বাড়ির মালিকের কৌতূহল নিবৃত্তি করতে পরিবারের জন্য ভাড়ার বন্দোবস্ত করতে আসা যুবকটি জানালো বয়স্ক কর্তাটি আসলে পরিবারের খুড়োমশায়, সংক্ষেপে কাকাবাবু। সবাই তাকে কাকাবাবু বলেই চিনলেন।

PB Statement

হরিদ্বারে ধর্মসম্মেলনের মঞ্চে সংবিধান অবমাননার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের দাবী জানালো পলিট ব্যুরো

হরিদ্বারে আয়োজিত তথাকথিত ধর্ম সংসদে ভারতের মুসলমানদের বিরুদ্ধে চরম বিদ্বেষপূর্ণ বক্তৃতা চলেছে। প্রকাশ্যে এমন কর্মসূচি পালনের মানে দেশের সংবিধান স্বীকৃত আইনি কাঠামোর স্পষ্ট লঙ্ঘন করা। আলোচনার মঞ্চ থেকে একের পর এক বক্তৃতায় দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-সহ অনেকের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন জানানো হয়। বিজেপি’র নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাসীন রয়েছে বলেই লাগাতার তিন দিন ধরে প্রকাশ্যে বিনাবাধায় এমন কর্মসূচি চলতে পেরেছে। লজ্জাজনকভাবে এই সম্মেলন শেষ হওয়ার অনেক পরে এমন একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, যাতে কারোর নাম নেই। সংবিধান অবমাননার ঘটনাতেও পুলিশ নিষ্ক্রিয়তা দেখিয়েছে। এফআইআরে প্রধান অপরাধীদের নাম না থাকলেও মঞ্চে বক্তৃতা চলাকালীন রেকর্ড করা ভিডিওগুলি থেকে দোষীদের পরিচয় স্পষ্ট হয়েছে।

National Question and Stalin

জাতি সমস্যার সমাধান ও স্তালিন

সারা পৃথিবীর সামনে কমিউনিস্ট ইশতেহার আহ্বান রেখেছিল দুনিয়ার মজদুর এক হও, আমাদের প্রাথমিক কর্তব্য ভারতে সেই লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, এই কাজে বাধা অনেক – রাশিয়ার বাস্তবতায় সেইসব বাধা পেরোতে যোসেফ স্তালিন সফল হয়েছিলেন। নিপীড়নের কৌশলসমূহের মতোই নিপীড়িত মানুষও শুরু থেকে শেষ অবধি আন্তর্জাতিক (তথাকথিত বিশ্বায়নের অনেক আগে থেকেই), এই কারনেই তার থেকে আমাদের শিখতে হয়।

Why Stalin

আজও কেন স্তালিন ? - কিছু জরুরী পুনঃস্মরণ

নায়করা ইতিহাস সৃষ্টি করেন না, ইতিহাস নিজের গতিপথে নায়ক বেছে নেয় – স্তালিনের বক্তব্য জনগণই আসল শক্তি যার সামনে কখনো কোন ক্ষমতাবান টিকে থাকতে পারেন না, এমন কোন সেনাবাহিনী নেই যা অজেয় থাকতে পারে। ইতিহাসের শিক্ষা এই যে মানুষ ভুল করেন আবার সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ইতিহাস নির্মাণও করতে পারেন – সাময়িক বিপর্যয়ে কমিউনিস্টদের হতোদ্যম হলে চলে না, জনগনের সাথে থেকেই তাদের উন্নতির জন্য সক্রিয় হতে হয়। সেই সক্রিয়তা আজ সবাইকে একজায়গায় চাইছে যারা মুক্তির অগ্নিপথে চলতে সক্ষম – আমরা সময়ের দাবী মেনে কতদূর এগোতে পারি আজকের কর্মসূচি সেটাই।

PB Statement

নির্বাচনী আইন সংশোধনী বিল সিলেক্ট কমিটির কাছে পাঠানোর দাবী পলিট ব্যুরোর

দেশের নির্বাচনী আইনে রদবদল যা আগামিদিনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করতে পারে এমনসব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলিকে বিলের আকারে লোকসভায় পেশ করে যেভাবে এক ঝটকায় পাস করানো হয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে সিপিআই(এম)-এর পলিট ব্যুরো৷ সংসদ সদস্যদের এই বিষয়ে আলোচনার জন্য সময় দেওয়া হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সংসদ সদস্যদের কোনো সংশোধনী আনার অনুমতি অবধি দেওয়া হয়নি। এভাবে সংসদীয় আইন ও পদ্ধতির চরম লঙ্ঘিত হল। পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বিচারের জন্য সংসদীয় সিলেক্ট কমিটির কাছে বিলটিকে পাঠানোর বিষয়ে আলোচনার সময় বরাদ্দ ছিল অধিবেশনের সকালবেলা। সেই সিদ্ধান্ত খারিজ করে, মধ্যাহ্নভোজের পরেই নতুন এজেন্ডা জারি করে সরকার দ্রুত বিলটি পাস করিয়ে নেয়।

PB Statement

পলিটব্যুরো কমিউনিকে

২০২১ সালের শুধু নভেম্বর মাসেই, ৬৮ লক্ষ বেতনপ্রাপ্ত শ্রমিক নিজেদের কাজ হারিয়েছেন। বিগত ১৭-সপ্তাহে শহরাঞ্চলে বেকারত্বের সূচক সর্বোচ্চ হয়েছে এবং সামগ্রিক বেকারত্ব শেষ ৯-সপ্তাহে সর্বোচ্চ অবস্থায় পোঁছে গেছে।

PB Statement

কৃষকদের আন্দোলনকে অভিনন্দন জানালো পলিট ব্যুরো

বর্তমান সরকারের আমলে জনগনের জীবন-জীবিকার উপরে নেমে আসা আক্রমনের প্রতিরোধে সংগ্রামী ঐক্য এবং উপযুক্ত নমনীয়তা কতটা কার্যকর হতে পারে তার উজ্জ্বল উদাহরণ হল কৃষকদের আন্দোলন। জাতি এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যেকার ব্যাবধান পিছনে ফেলে রেখে গণতান্ত্রিক অধিকার সমুহের উপরে আক্রমনের প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে যেকোনো বাধা পেরিয়ে যাওয়া যায় এই আন্দোলনের জয় সেকথাই উর্ধে তুলে ধরছে।