উদারীকরণ ও আজকের ভারত (২য় পর্ব)

মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের অধঃস্তন সহযোগী হয়ে উঠতে বর্তমানে যে কায়দায় নয়া-উদারবাদী সংস্কার চলছে তার ভিত্তি লুকিয়ে রয়েছে কর্পোরেটদের সাথে সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক শক্তির আঁতাতের ভিতরে। সংবিধানের সংজ্ঞা অনুযায়ী এক ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র থেকে আরএসএস’র পরিকল্পনামতো ভারতকে এক অসহিষ্ণু, কর্তৃত্বকারী ফ্যাসিবাদী দেশে বদলে ফেলার পরিকল্পনাই হল ‘হিন্দুত্ব রাষ্ট্র’।

দাঙ্গা লাগিয়ে , তার ফসল বিজেপির পক্ষে ভোটের ঝুলিতে ভরতে চায় আর এস এস?

স্বাধীন ভারতে প্রথম এই ‘ পান্না প্রমুখ’ কে আর এস এস পথে নামিয়েছিল তাদের রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভা কর্তৃক জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করবার পরে।তারপর এই ‘ পান্না প্রমুখ’ কে তারা পথে নামিয়েছিল ছয়ের দশকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী যখন পাকিস্থানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রেক্ষিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের সময়ে দিল্লির যান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব আর এস এস কে দিয়েছিলেন, সেই সময়ে।শাস্ত্রীজীর আহ্বানে আর এস এস গোটা কাজটাই সেইদিন করেছিল তাদের এই বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত স্কোয়াডের সাহায্যে।ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময়কালেও এই ‘ পান্না প্রমুখ’ কে অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে কাজে লাগিয়েছিল আর এস এস।

সর্বগ্রাসী ক্ষমতার লালসায় সিক্কার এপিঠ ওপিঠ ....

৩, মার্চ ২০২১ বুধবার পর্ব – ২ আরএসএস-বিজেপি’র প্রাথমিক লক্ষ্যই হলো, ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং

সর্বগ্রাসী ক্ষমতার লালসায় সিক্কার এপিঠ ওপিঠ - জয়দীপ মুখার্জী

২ মার্চ ২০২১ মঙ্গলবার প্রথম পর্ব সোফিয়া ম্যাগডেলানা স্কল, ‘সোফি স্কল’কে মনে পড়ে? ইতিহাস তাঁকে এই নামেই চেনে। মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের