আজকের পরিস্থিতিতে কমরেড জ্যোতি বসুর উত্তরাধিকার সম্পাদনায় আমাদের সফল হতেই হবে - সীতারাম ইয়েচুরি

কাদের অথবা কাকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে এই প্রশ্নের চাইতে বেশি গুরুত্বপুর্ন হল সমর্থনের প্রেক্ষিত, সময়ের দাবীকে চিনে নেওয়া এবং সেই অনুযায়ী সঠিক সিধান্ত কার্যকর করা। কমরেড জ্যোতি বসু এই রণকৌশল আমাদের সামনে ব্যখ্যা করেছেন, তাকে প্রয়োগ করে অতীতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির মোকাবিলা করেছেন।

তত্ত্বকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন -অজয় দাশগুপ্ত....

৮ জুলাই ২০২২ (শুক্র বার) ২০০০ সালের শেষে কোনো একদিন। গণশক্তি দপ্তরের পাঁচতলায় মুজফ্‌ফর আহ্‌মদ পাঠাগারে ঢুকতেই দেখি এক পাহাড়

Jyoti Basu - Man Made Famine

দুর্ভিক্ষের কারণ কিছু মানুষ

১৯৪৩ সালে তৎকালীন বাংলায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। কমিউনিস্ট পার্টি নিজের সমস্ত শক্তি একত্রিত করে মানুষকে বাঁচানোর কাজে নামে – সংগ্রামের ইতিহাসে সেও এক অনন্য নজীর। মানুষের দুর্দশা এবং সরকারের অপদার্থতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে একটি ছোট পুস্তিকা (হ্যান্ডবুক) প্রকাশিত হয়, শিরোনাম ছিল ‘দ্য ম্যান মেড ফ্যামিন’।ইংরেজিতে সেই লেখা ছিল জ্যোতি বসুরই।

আমি 'বাস্তববাদী' নই, মার্কসবাদী, বলতেন জ্যোতি বসু - অজয় দাশগুপ্ত

৮ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতি বার, জ্যোতি বসু প্রায়শই বলতেন, ‘আই অ্যাম নট এ প্র্যাগম্যাটিস্ট, আই অ্যাম এ মার্ক্সিস্ট।’’ একজন প্রাজ্ঞ

jyoti basu

আমাদের যতদূর মনে রাখতেই হবে - একটি স্মৃতিচারণা

তার জীবনীগ্রন্থের সেই সব অংশকে বেচে নেওয়া হয়েছে যা আমাদের সাধারণ আলোচনার মধ্যে বড় বেশি একটা আসে না, কিন্তু আসা উচিত। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে জ্যোতি বসুর স্মরণ যত বেশি হয়, কিভাবে লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়তে গিয়ে পাশ করে ফিরে এসে ভারতে কমিউনিস্ট পার্টির সর্বক্ষণের কর্মী হিসাবে আগামী জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত তিনি নিজের ইচ্ছাতেই গ্রহণ করেছিলেন সেই আলোচনাও একই অনুপাতে হওয়া দরকার, আজকের দিনে সেই প্রয়োজন আরও বেশি। সেই দিন থেকে শুরু করে ১৯৭৭ সালের ২১ জুন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করা অবধি তার জীবন এক কথায় শিক্ষণীয়, পার্টির তরুন প্রজন্মের জন্য সেদিনের জ্যোতি বসু’র কাজ একটি পাঠ্যক্রম বলা চলে।

নেতাজী ও আমরা - জ্যোতি বসু

[‘গণশক্তি’ ২৩ জানুয়ারি ১৯৯৭ সংখ্যায় প্রকাশিত প্রবন্ধ] আজ সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মশতবর্ষ। তিনি নি:সন্দেহে ভারতের মহত্তম সন্তানদের অন্যতম। রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে তিনি