রেল বেসরকারিকরণ রুখতে সর্বোচ্চ প্রতিরোধে ডাক দিল কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলি..

১৬ জুলাই ২০২০
ওয়েবডেস্কের প্রতিবেদন

বৃহস্পতিবার ফেয়ারলী প্লেসে পূর্ব রেলের সদর দপ্তরের সামনে মোদি সরকারের জমানায় রেল ব্যবস্থা কে পুরোপুরি কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেওয়ার প্রচেষ্টার প্রতিবাদে এবং লোড ডাউনের মধ্যেই যাত্রীবাহি প্যাসেঞ্জার ট্রেন বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছিল বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সহ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলি।

এই সমাবেশে শ্রমিক নেতৃত্ব বলেন কেন্দ্রীয় সরকার রেল স্টেশন থেকে সিগন্যালিং ব্যবস্থা, উৎপাদন ইউনিট সবই বেসরকারি মুনাফার হাতে তুলে দিতে চায়। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া ফর্মানে প্যাসেঞ্জার ট্রেন বেসরকারী হাতে তুলে দেওয়ার জন্য দরপত্র হাকা হয়েছে। রেল মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি ট্রেন চালানোর জন্য ১২ টি ক্লাষ্টার নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ১০৯ জোড়া রুটের ১৫১ টি ট্রেন বেসরকারি ভাবে চালানোর দরপত্র চাওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম ট্রেন চলাচল তুলে দেওয়া হচ্ছে বেসরকারি হাতে।

ইতিমধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আদানি পোর্ট ,টাটা রিয়েলটি এন্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার, এসএল গ্রুপের মত নামিদামি সংস্থা। মোদি সরকার এর এই জন বিরোধী নীতির প্রতিবাদে রেলের বেসরকারি করুন রুখতে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি রেল স্টেশন , বিভিন্ন ডিভিশনের সদর দপ্তরে দেশ জোড়া প্রতিবাদ দিবসের ডাক দিয়েছিল সমস্ত কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলি। কলকাতায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ছাড়াও গোটা রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে বিক্ষোভ দেখান ট্রেড ইউনিয়ন সহ রেলের বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন।

বিক্ষোভ সভা গুলি থেকে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির হুঁশিয়ারি যে রেলপথ দিয়ে বেসরকারি মালিকের ট্রেন চলবে সেই রেল পথ অবরুদ্ধ করে রাখবে দেশের জনগণ। ফেয়ারলী প্লেসের সমাবেশে শ্রমিক নেতা সিপিআই(এম) রাজ্য কমিটির সদস্য সুভাষ মুখার্জী বলেন , জনগণের সম্পত্ত্বি বেসরকারি হাতে যাবে ,জনগণের অর্থ ব্যবহার করে, এটা কিছুতেই দেশের জনগণ মেনে নেবেন না। সর্বোচ্চ প্রতিরোধে রোখা হবে রেল বেসরকারিকরণ। সমাবেশে পর প্রধানমন্ত্রী র উদ্দেশ্য লেখা চিঠি তুলে দেন, ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃত্বরা ।


শেয়ার করুন

উত্তর দিন