Mandella 2

Mandela: A Memoir (Part II)

, ‘আজ আমি শ্রেণিহীন সমাজের প্রতি আকৃষ্ট। এবং এই আকর্ষণ জন্মেছে কিছুটা মার্কসবাদ পড়ে। আর কিছুটা এসেছে এদেশের প্রাচীন আফ্রিকান সমাজের কাঠামো ও সংগঠন প্রণালীর প্রতি শ্রদ্ধার ভাব থেকে। সেসময়ে উৎপাদনের প্রধান উৎস ছিল ভূমি। এবং ভূমি ছিল উপজাতির যৌথ সম্পত্তি। একথা সত্য যে আমি মার্কসবাদী ভাবধারার দ্বারা প্রভাবিত।

Mandella 1

Mandela: A Memoir (Part I)

যারা এই পৃথিবীর শোষণের কারাগার গুলিকে ভেঙেছেন, তাঁরাও কোনো ফরিস্তা নন! পয়গম্বরও নন। তারা সাধু সন্ন্যাসীও নন। মানুষ! রক্ত মাংসের মানুষ। নেলসন ম্যাণ্ডেলাও রক্ত মাংসের মানুষ।

Ruppe Vs Doller

New Current of Old Currency!

মোদী সরকার যতই এহেন সমস্যার ব্যখ্যায় অর্থনীতির তত্ত্বকথা আওড়াক না কেন হ্যামলেটের দুঃস্বপ্নের মতোই বারে বারে যার প্রসঙ্গ ফিরে আসবে তাকে বলে রাজনৈতিক-অর্থনীতি। অবশ্য এই বিষয়ে মোদী সরকারের অবস্থান স্পষ্ট- তারা নিজেদের নাক কেটেও ডলারের প্রমোদ ভ্রমণ আটকাতে চান না।

National Emblem

National Emblem: A Report

মূল প্রাকারে খচিত সিংহমূর্তিটি মহিমাময়। শান্ত, ছিপছিপে, কমনীয়। রাজকীয়ভাবে আত্মবিশ্বাসী। কারন তা মানুষের উত্তরণের গর্বে বিজয়ীর মনোভাবে নির্মিত। মোদীর নতুন কাঠামোয় সিংহের চেহারা অপ্রয়োজনে আগ্রাসী। পেশিবহুল, ক্রুদ্ধ, আক্রমনের ভঙ্গীতে উদ্যত। যা আসলে নতুন ভারতের নামে হিন্দুত্বের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির মুখ। যা ভারত নির্মাণের ইতিহাসকেই কামড়ে-আঁচড়ে তছনছ করে দিতে চায়।

Pramode Dasgupta

Our Tasks: Comrade Pramode Dasgupta

ছাত্রদের মধ্যে একটা প্রবনতা আছে – অ্যান্টি এস্টাবলিশমেন্ট। অ্যান্টি এস্টাবলিশমেন্ট আন্দোলনে ঝুঁকে পড়া। এবং এ ব্যাপারে খুব সহজেই লোককে উত্তেজিত করা যায়। ছেলেবেলা থেকেই আমরা অ্যান্টি এস্টাবলিশমেন্ট এবং সেভাবেই লোককে আমরা শিখিয়ে এসেছি। আমাদের শিক্ষা দীক্ষা – চালচলন – বক্তৃতা সব তাই। কিন্তু আমরা কতটা লোককে শেখাতে পেরেছি – যে establishment created by us অর্থাৎ আমরা তৈরি করলাম – আমার আন্দোলন কি তার বিরুদ্ধে যেতে পারে? আর সেই এস্টাবলিশমেন্ট কে মূল যে এস্টাবলিশমেন্ট অর্থাৎ সমাজের যে রাষ্ট্রকাঠামো, তা পরিবর্তনের জন্য কিভাবে ব্যবহার করতে পারব? এই শিক্ষা আমরা কি ছাত্র সমাজের মধ্যে দিতে পেরেছি? কারণ আপনি শুধু যদি বলেন যে বামফ্রন্ট সরকার আমাদের সরকার এবং এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করা যাবে না – এইটুকু বললে বোধহয় ছাত্ররা খুশি হতে পারে না।

‘Revolts from true birth stumbling on abuse’ The Indian Story

অতীতের তুলনায় ভারতীয় মহিলাদের সন্তানসংখ্যা কমছে। এরই সঙ্গে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে শিক্ষার হারের সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে। যেসব মায়েরা স্কুলশিক্ষা পাননি তাঁদের ক্ষেত্রে ফার্টিলিটির হার ২.৮২ শতাংশ। যাঁরা ১২-বছর, বা তার বেশি শিক্ষাঙ্গনে ছিলেন, তাঁদের মধ্যে এই হার ১.৭৮ শতাংশ। মুসলিম মহিলাদের মধ্যে (১৫-৪৯ বয়সি) স্কুলশিক্ষা পাননি ৩১.৪ শতাংশ। ৪৪ শতাংশ সাত বছরের বেশি সময় শিক্ষাঙ্গনে ছিলেন। হিন্দুদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা যথাক্রমে ২৭.৬ শতাংশ ও ৫৩ শতাংশ।

Indraneel Dasgupta

WB Per Capita: The Real Story

পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক সংকটের ইতিহাসকে বস্তুনিষ্ঠতায় স্বীকার করে সেই প্রসঙ্গে যদি কাউকে দায়ী করতেই হয় তবে দেশভাগ থেকে সেই আলোচনা শুরু করতে হবে। সেখান থেকে বিধান রায়, জহরলাল নেহরু এবং প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ… – পণ্ডিত নেহরুর অর্থনৈতিক মডেলের প্রতিটি ব্যবহারিক তথা বৌদ্ধিক কর্ণধার অবধি সেই আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সেই অর্থনৈতিক মডেলই সমৃদ্ধির প্রসঙ্গে ১৯৪৭-এ সামনের সারিতে থাকা আমাদের রাজ্যকে পরবর্তী অন্তত আড়াই দশকের জন্য অবনমনের খাদে ঠেলে দিয়েছিল।

Teesta Sitalvad Part I

“The greatness of humanity is not in being human, but in being humane.”

নয়া উদারবাদের কৌশলকে না বুঝে আজকের ফ্যাসিবাদী প্রবণতার কৌশলকে উপলব্ধি করা যাবে না। শ্রমের মর্যাদা সম্পর্কে সঠিক বোধ ব্যাতিত কিভাবে জনগণের একটি ক্ষুদ্র অংশের জন্য পঞ্চম, ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম পে কমিশনের আলোচনা হয় আমি বুঝিনা। আমাদের দেশে শ্রমিকদের ৯৩ শতাংশই অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত, তারা বেতন সংক্রান্ত এধরনের যেকোন সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

Hul Diwas Feture

Hul Diwas: The Freedom Struggle

সাঁওতাল বিদ্রোহের গভীরতার কারণ হিসেবে কেউ কেউ বলেছেন স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায়, কেউ বলেছেন নবযুগের সূচনা, কেউ বলেছেন বর্ণাশ্রমের মধ্যে আত্মসম্মানবোধ, কেউ বলেছেন স্বাধীন সত্তায় আঘাত লাগার কথা। কিন্তু যে আদিবাসীরা আমাদের দেশের স্বাধীনতাকে এগিয়ে দিল- তারা কিরকম আছে ?

Biman Basu On LF Govt

Left Front Government WB: A Brief Introspect

রাজ্যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, শান্তিপ্রতিষ্ঠা এবং একইসাথে বিরোধী দলের কর্মীদের প্রতি কোনোরকম হিংসাত্মক ঘটনার প্রতিরোধে স্পষ্ট অবস্থান নেয় বামফ্রন্ট সরকার এবং বামপন্থী দলসমুহ। গরীব কৃষকসহ ক্ষেতমজুরেরা যখন তখন জমি থেকে উচ্ছেদের বিপদ সম্পর্কে ভয়মুক্ত হন – তাদের অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়। কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস, দেশের ফেডারাল কাঠামোকে যথাযথ আকার দিতে বামফ্রন্ট সরকার এবং তার মুখ হিসাবে জ্যোতি বসুর কৃতিত্ব কিছুতেই ভোলা যাবে না। বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠার পরেই আমাদের রাজ্য খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভর হয়ে ওঠে। কৃষি উৎপাদনের সেই শক্ত ভিতের উপরে দাঁড়িয়েই শিল্পস্থাপনের দিকে এগোনোর সিদ্ধান্ত হয়। রাজ্যের মানুষকে সাথে নিয়ে এক ধারাবাহিক উন্নতির ইতিহাসই হল বামফ্রন্ট সরকার। এই সরকারের কাজ আজকের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এক শিক্ষণীয় বিষয়।