শ্রমজীবীদের ঐক্যবদ্ধ সমাবেশ এলাকার রাজনৈতিক ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।

শ্রমজীবীদের ঐক্যবদ্ধ সমাবেশ এলাকার রাজনৈতিক ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।
মতাদর্শ কোনও আপ্তবাক্য নয়।
বৃহত্তর সরকারী ব্যয় বরাদ্দই একমাত্র উপায়।
কে কাকে মনে রাখবে? কেন মনে রাখবে?
পুঁজিবাদী ব্যবস্থা বিদায় হলে মেশিনটাও নিজে থেকে অচল হয়ে যাবে।
ঘর পুড়ে গেল তো কি হল? আরশোলা – ইঁদুর’তো মরল!
আমাদের শেখানো হয় ফ্রেডরিখ ভন হায়েক, মুক্ত বাজার ব্যবস্থা, নয়া উদারবাদ এবং নিজের খুনে বাহিনী সমেত অগাস্ট পিনোচেত নাকি সব আলাদা আলাদা বিষয়।
আসলে যা প্রয়োজন তা হল ক্ষমতাসীন সরকারে রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা এবং তাকে বাস্তবায়িত করতে বামপন্থীদের নিরন্তর আন্দোলন ও সংগ্রাম।
বিকল্পের আসল অর্থ নয়া উদারবাদী ব্যবস্থাকেই উপড়ে ফেলা।
সরকারী সুরক্ষার যাবতীয় বন্দোবস্তই ধ্বংসের মুখে পড়েছে বা বলা ভালো ঠেলে দেওয়া হয়েছে।