২০ আগস্ট ২০২৩ রবিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে মোদিজী শুনিয়েছেন – জাত, ধর্মের বৈষম্যহীনতার কথা এবং তার প্রতি তাঁর সরকারের

২০ আগস্ট ২০২৩ রবিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে মোদিজী শুনিয়েছেন – জাত, ধর্মের বৈষম্যহীনতার কথা এবং তার প্রতি তাঁর সরকারের
যে রাস্তাতেই এগোনো হোক না কেন শেষ অবধি আমরা যা খুঁজে পাব সেটাই সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠার অর্থনৈতিক কারণ।
ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানরা বহিরাগত নন। তাঁরা এই দেশেরই মানুষ। তাঁদের অনেকে ব্রাহ্মণ্যবাদের দাপটে নির্যাতিত অংশ।
অভিন্ন দেওয়ানী বিধির চেহারা চরিত্র কেমন হবে তা নিয়ে আজ অবধি মাহামান্য সুপ্রীম কোর্ট কোনো স্পষ্ট নির্দেশ বা বক্তব্য রাখেনি।
ধর্ম তার বিশ্বাস আর দেবতার কাছ থেকেই কেবল তার সব কাজের মান্যতা পায়, যোগ্যতা অর্জন করে। উভয়ের কর্তৃত্ব অর্জনের ক্ষেত্র স্পষ্টতই আলাদা।
ঔচিত্যবোধে সমৃদ্ধ মানবিক কাজ গণতন্ত্রের জন্য দরকার। ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গড়ে তোলা মানেই ঔচিত্যবোধের অগ্রগতি।
ধর্ম একটা আধিপত্যকামী মতাদর্শও বটে। তাই চলতে চলতে একটা সময়ে এসে সমাজে শ্রেণিসংগ্রামের সূত্রপাত ঘটে।
উত্তরণের সংগ্রামের অভিমুখও তাই নির্দিষ্টভাবেই সরকারের বিরুদ্ধে। ব্যাপকতম ঐক্যের ভিত্তিতে সমাবেশ।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর কিউবার সামনে উপস্থিত হয় চ্যালেঞ্জের সময়।সোভিয়েত থেকে আসা বিপুল পরিমাণ অনুদান বন্ধ হয়ে পথ চলা হয়ে ওঠে বিপদসঙ্কুল। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় কমাতে বাধ্য হয় সরকার। তথাপি মাথা নীচু করেননি কাস্ত্রো। এখানেই কার্যকরী হয় তার দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে বপন করে আসা বিপ্লবের বীজ।
সংশ্লিষ্ট বিলটি সংসদে পেশ করা হলে সিপিআই(এম) সর্বতোভাবে তার বিরোধিতা করবে। এই জঘন্য আইনের বিরোধিতায় দেশের সংবিধানকে সুরক্ষিত রাখা ও তাকে উর্ধে তুলে ধরার কর্তব্যে অবিচল সমস্ত রাজনৈতিক দলকেই আহ্বান জানাচ্ছে পলিট ব্যুরো।