বাংলায় ২০২৬ সালের নির্বাচনে আরএসএস কী ভূমিকা নেবে?

‘আগে রাম, পরে বাম’ করে যারা তৃণমূলকে নিশ্চিহ্ন করতে চান, তারা জানেন না বা বোঝেন না, যে রামের জন্যই মমতা টিকে আছে, নইলে কবে তার ও তার ভাইপোর জেল হয়ে যায়। সবাই বোঝেন, দেশ সেবার জন্য তৃণমূল সরকার চালাচ্ছে না, নেতারা পয়সা করার জন্য সরকারে আছে। ব্যক্তিগত জীবনে তাদের একটা সাফল্য আছে, সম্পদের সাফল্য, যা তারা সরকারে আসার আগে কল্পনাও করতে পারেননি।

অন্তিম পর্ব
আরএসএস কি মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে আদৌ যাবে?
আরএসএস মুসলিম বিরোধী। মমতার বিরুদ্ধে মুসলিম তোষনের অভিযোগ আছে, সেদিক দিয়ে দেখলে, মমতার বিরুদ্ধে আরএসএস-এর রাগ হওয়াই উচিত। কিন্তু প্রশ্ন যদি আসে যে কে বেশি শত্রু - মুসলিম না কমিউনিস্ট, তাহলে আরএসএস কমিউনিস্টদেরই বড় শত্রু মনে করে। মমতার অনেক অসংলগ্নতা নিয়ে অনেকে বলতে পারেন – সবজান্তা ভাব করেন, ভুলভাল কবিতা লেখেন, ভুলভাল ইতিহাস বলেন, উল্টোপাল্টা গান করেন, আবৃত্তি করেন, ভুল মন্ত্র উচ্চারণ করেন, ইত্যাদি। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি কখনো এটা বলেন, কখনো ওটা বলেন, প্রচুর মিথ্যা বলেন, কখনো বিজেপির সাথে, কখনো কংগ্রেসের সাথে। কিন্তু একটা বিষয়ে তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে চিরকালই অবিচলিত স্থির অবস্থান নিয়ে গেছেন, সেখানে তিনি সম্পূর্ণ একনিষ্ঠ, কোনও দোলাচল সেখানে নেই – তা হচ্ছে তার আজীবন তীব্র অন্ধ কমিউনিস্ট বিরোধিতা। আর এর জন্যই আর-এস-এসের কাছে মমতার আলাদা গুরুত্ব। যতই তার বিরুদ্ধে মুসলিম তোষণের অভিযোগ উঠুক, অন্ধ কমিউনিস্ট বিরোধিতার গুণের জন্য মমতা আরএসএস-এর কাছে সমাদৃত।
আর মমতার বিরুদ্ধে মুসলিম তোষনের প্রচার তো হিন্দুত্বের শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। যত এই প্রচার হবে, তত হিন্দুত্বের শক্তিকে এককাট্টা করতে আরএসএস-এর সুবিধা হবে। আরএসএস চায় হিন্দু ধর্ম নিয়ে একটা উন্মাদনা হোক, তাকে নিয়ে রাজনীতি হোক। আরএসএস চায় হিন্দুত্বের শক্তি বাড়ুক, কিন্তু তার মানে এটা নয় যে আরএসএস চায় যে সেটা বাড়াতে শুধু বিজেপিই কাজ করুক। বিজেপি আরএসএসের একটা সংগঠন মাত্র, আরএসএস-এর এরকম আরও অনেক সংগঠন আছে (যেমন এবিভিপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, ইত্যাদি)। এক সময়ে আরএসএসের এক প্রাক্তন নেতৃস্থানীয় কর্মী জানিয়েছেন যে প্রায় ১০০টা সংগঠন আছে আরএসএস-এর, এবং রোজই নতুন নতুন সংগঠন হচ্ছে [৩১]। ২০১৩ সাল থেকে ২০২০ সাল, পশ্চিমবঙ্গে এরকম ৩১টি সংগঠন কাজ করতো [৩২]। এগুলি ঘোষিত সংগঠন, তার বাইরেও আছে। এরা সকলেই হিন্দুত্বের প্রসারে কাজ করে। অঘোষিত সংগঠন ঘোষিত সংগঠনের সাথে যোগাযোগ রেখে কাজ করে। যেমন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আরএসএস-এর একটি ঘোষিত সংগঠন। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘর বিভিন্ন আশ্রমের প্রধানরা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাথে যোগাযোগ রেখে কাজ করে। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘর প্রতিষ্ঠাতা স্বামী প্রনাবানন্দের ছবি ও কোটেশন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায়[৩৩]। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে রামনবমী উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়েছিল, মিডিয়াতে দেখানো হয়েছিল যে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর অত্যন্ত আপত্তিজনক কথা বলেন [৩৪], সাথে সাথে হিন্দুত্বের প্রচার করা ওয়েবসাইটগুলি খুবই সক্রিয় হয় এই সংবাদকে ভাইরাল করে উত্তেজনা বাড়াতে [৩৫], [৩৬]। তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনকে নালিশ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। উল্টোদিকে ভারত সেবাশ্রমের সঙ্ঘের কার্ত্তিক মহারাজ মিছিলে নামেন। ফলে নির্বাচনে আর তৃণমূলের অপশাসন, দুর্নীতি এবং বিজেপির জনবিরোধী কার্যকলাপ কোনও কিছুই আর ইস্যু থাকে না, ইস্যু হয়ে যায় হিন্দু-মুসলমান, বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে দাড়িয়েছিলেন যথাক্রমে কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী ও সিপিআই(এম)-এর মহঃ সেলিম, দুজনের হেরে যাওয়াটা নিশ্চিত হয়ে যায়, জেতে তৃণমূল। তৃণমূল-এর এই সাংসদ পদ পাওয়ার পিছনে আরএসএস-এর অবদান আছে। তবে আরএসএস-এর কাছে তৃণমূলের সাংসদ হওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ কমিউনিস্ট প্রার্থীকে হারানো। এর পরের বছরই কার্ত্তিক মহারাজকে পদ্মশ্রী দেওয়া হয়।
হিন্দুত্বের শক্তি বাড়াতে মমতা আরএসএস-কে সরাসরিও সাহায্য করছে। রামনবমীর মতো বিভিন্ন ধর্মীয় মিছিল করা বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচীর মধ্যে পড়ে, মমতার দলও এখন রামনবমীর মিছিল, হনুমান জয়ন্তী করছে। সরকারি ট্রাস্ট করে রাম মন্দির হচ্ছে দেশে, এই প্রথম দেশে সরকারি টাকায় মন্দির বানানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে, করছেন মমতা, দীঘায় জগন্নাথ মন্দির। দুটোতেই আরএসএস খুশি। খুব সঙ্গতভাবেই আরএসএস-এর পোড় খাওয়া নেতা দিলীপ ঘোষ মমতাকে অভিনন্দন জানাতেই তার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনে গেছেন। সকলেই জানে মমতা ইমাম ভাতা দিচ্ছেন, এখন সেটা মাসে ৩০০০ টাকা [৩৭]। ইমাম ভাতা নিয়ে মমতার বিরুদ্ধে মুসলিম তোষনের ভালোই প্রচার আছে, কিন্তু অনেকেই জানেন না যে এখন পুরোহিতরাও ভাতা পান, মাসে ১৫০০ টাকা [৩৭]। পুরোহিতরা আরেকটা জিনিষ এককালীন পান, বাড়ি বানাতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। পুরোহিতদের টাকাটা দেওয়া হয় তথ্য সংস্কৃতি দফতরের বাজেট থেকে, ২০২৫ সালে পুরোহিতদের বাজেটে খরচ ধরা হয়েছে ৮৬ কোটি ৫০ লাখ [৩৮]।
দেশে বর্তমানে হিন্দুত্ব ও কর্পোরেট-এর আঁতাতে কর্পোরেট-কে মদত দিতেও মমতা পিছিয়ে নেই। একটি অযৌক্তিক প্রকল্পের নাম করে দেউচা-পাচামিতে আদিবাসীদের হঠিয়ে তাদের জমি জঙ্গল লুঠ করতে দিচ্ছেন আদানিকে।
২০০৩ সালে মমতাকে যেদিন আরএসএস দুর্গা বলেছিল, আর মমতা তাদের দেশপ্রমিক বলেছিল, তার পরে দুই দশক কেটে গেছে, এই সময়ে মমতা তাঁর দুর্গা নামকে সার্থক করতে যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন। আরএসএস এতে খুশি হওয়ারই কথা। আরএসএসের লক্ষ্য সফল করতে মমতার অবদান যে কম নয় সেটা আরএসএস-এর শীর্ষ নেতারা জানেন। ইদানিং কালেও আরএসএস-এর মমতার সম্পর্কের কথাও মাঝে মাঝে প্রকাশ হয়ে গেছে তাঁর কথায়। ২০১৯ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তাঁর লড়াই বিজেপির সাথে , সংঘ পরিবারের সাথে নয়। ২০২২ সালে বলেন, আরএসএস-এর সবাই খারাপ নয় [৩৯]।
মাঝে মাঝে মমতার প্রতি আরএসএসের আসল মনোভাবও প্রকাশ্যে চলে আসে। ২০১৯ সালে মমতার জন্মদিনে মমতা সম্বন্ধে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন -"তাকে সুস্থ থাকতে হবে কারণ বাংলা থেকে যদি কোনও বাঙালীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ থাকে, তবে তা তারই আছে”। তিনি আরও বলেন- “আমাদের রাজ্য থেকে প্রথম বাঙালী রাষ্ট্রপতি হিসাবে আমরা প্রণব মুখার্জিকে পেয়েছিলাম, তাহলে এখন সময় একজন বাঙালীকে প্রধানমন্ত্রী করার”[৪০]। একদম আচমকা এই কথাটা দিলীপ ঘোষ বলে ফেলেছেন তা হয় না, মমতার প্রতি আরএসএস-এর দরদি মনোভাবের জন্যই মুখ থেকে এমন কথা বেরিয়েছে। সরকারের মন্ত্রীসভা, আমলাতন্ত্র, সেনাবাহিনী, আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব জায়গাতেই তার পছন্দ লোকদের বসাতে চায় আর-এস-এস। মমতা ব্যানার্জি তাদের পছন্দের তালিকায় হিন্দুত্বের পক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, তাকে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে আরএসএস রাখতে চায়।
ফলে আরএসএস কোনদিন তাঁর ও তাঁর ভাইপোর দুর্নীতি নিয়ে বেশীদূর এগোতে বিজেপিকে অনুমতি দেবে না। তৃণমূলের কেউ কেউ গ্রেফতার হয়েছেন, আরও কেউ কেউ গ্রেফতার হতে পারেন, চূড়ান্ত ভাবে দোষী সাব্যস্ত কেউ হননি। বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি শেষ পর্যন্ত আদালতে সব নথি পেশ করবে না। কিন্তু বিজেপির সাথে সমঝোতা করলে বিষয়টি ভিন্ন। জয়ললিতার উদাহরণটা একবার ভাবুন। তিনি জেলে গিয়েছিলেন তার আয়ের সাথে সম্পত্তির সঙ্গতি ছিল না বলে, কিন্তু শেষপর্যন্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা জয়ললিতার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ আদালতে আর পেশ করে না, ও জয়ললিতা নির্দোষ বলে ঘোষিত হয়। অবশ্য একই অভিযোগে বিহারে লালু এখনও জেলে। জয়ললিতার বাড়ি থেকে পাওয়া আয়কর দপ্তর কর্তৃক বাজেয়াপ্ত প্রচুর সোনা, ১১ হাজার শাড়ী, ৭৫০ জোড়া চপ্পল, আদালতে তখনও জমা পড়ে পুলিস পাহাড়ায় পড়ে আছে [৪১]। এগুলি তাহলে কার? ২০১৪ সালে নির্বাচনে বিজেপির প্রচারের মূল বিষয় ছিল, দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের দুর্নীতি, বিশেষত ২জি স্ক্যাম, যার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে পর্যন্ত জেলে যেতে হয়েছিল, বিজেপি আসার পর কেন্দ্রীয় সংস্থা চূড়ান্ত নথি আর পেশ করে না, সকলেই অভিযোগ থেকে মুক্ত হয়ে যায়, ওদেরকে অভিযুক্ত করলে, বিজেপির ঘনিষ্ট শিল্পপতিরাও যে তাদের সাথে যুক্ত ছিল, সেটা প্রমাণ হতো।
ফলে যারা ভাবছেন বিজেপিকে দিয়ে মমতাকে জেলে ঢোকাবেন, সে আশায় গুড়ে বালি। আর যারা ভাবছেন যে মমতাই আসলে মুসলমানদের রক্ষাকর্তা, তারা জানেন না যে মুসলিমদের অনেক বড়ো ও স্থায়ী বিপদ আরএসএস-কে এই রাজ্যে বাড়তে সাহায্য করেছেন মমতাই। আরএসএস-এর এখন সমাবেশ সংখ্যা ৪৫৪০, মানে তৃণমূলের আমলে তাদের সংখ্যা প্রায় ৫গুণেরও বেশি বেড়েছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে তাদের লক্ষ্য কম পক্ষে ৮০০০-এ পৌঁছানো [২৭]। লক্ষাধিক স্বয়ংসেবক প্রতিদিন প্যারেড করছে, আগামী নির্বাচনে তাদেরকে নিশ্চয়ই চুপচাপ বসিয়ে রাখবে না আরএসএস। আরএসএস নিশ্চয়ই দেখতে চায় হিন্দুত্বের প্রসারে কে বেশি সহায়ক , বা হিন্দুত্বের প্রসারে কোন পরিস্থিতিতে বাধা কম। হিন্দুত্বের প্রসারে মমতার অবদান এই রাজ্যের বিজেপি নেতাদের চেয়ে কম নয়।
তৃণমূলকে হঠাতে কেউ কেউ বিজেপিকে জিতিয়ে আগে রাম, পরে বামের কথা ভেবেছিলেন বা এখনও ভাবেন। তারা ভাবেন, আগে বিজেপি তো আসুক, তৃণমূল হেরে গেলে দলটাই উঠে যাবে, তখন বামেরা লড়বে বিজেপির সাথে, তৃণমূলকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে তখন বামেরাই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে বাংলার রাজনীতিতে। এই চিন্তায় অনেক বাম সমর্থক তৃণমূলকে হঠাতে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন।২০১১ সালে তৃণমূল-কংগ্রেস জোট মিলে পেয়েছিল ৪৮ শতাংশ, ২০১১ সালের পরে আজ অবধি ৬টা ভোট হয়েছে, তৃণমূল ভোট পেয়েছে ৩৯ থেকে ৪৮ শতাংশের মধ্যে, মানে শাসক দলের প্রায় একই আছে। কিন্তু বামেরা কমে গেছে। বামেদের ভোট কমেই বিজেপির ভোট বেড়েছে। ২০১১ সালে বিজেপি ৪ শতাংশ ছিল, ২০২৪ সালে বিজেপি পেয়েছে ৩৯, ২০২৪ সালে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস মিলে ১১ শতাংশ।
‘আগে রাম, পরে বাম’ করে যারা তৃণমূলকে নিশ্চিহ্ন করতে চান, তারা জানেন না বা বোঝেন না, যে রামের জন্যই মমতা টিকে আছে, নইলে কবে তার ও তার ভাইপোর জেল হয়ে যায়। সবাই বোঝেন, দেশ সেবার জন্য তৃণমূল সরকার চালাচ্ছে না, নেতারা পয়সা করার জন্য সরকারে আছে। ব্যক্তিগত জীবনে তাদের একটা সাফল্য আছে, সম্পদের সাফল্য, যা তারা সরকারে আসার আগে কল্পনাও করতে পারেননি। ক্ষমতা থেকে চলে গেলেও, আরও সম্পদ বাড়ানো হয়তো সাময়িক বাধাপ্রাপ্ত হবে, কিন্তু অর্জিত সাফল্য তারা ভোগ করতে পারবেন, বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে আরএসএস মমতা ও তার ভাইপোর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাও নিতে দেবে না। তৃণমূল দল বাংলার রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক হলে, বর্তমান তৃণমূল নেতারা তখন অন্য কিছু করবেন। সেই অবস্থায় তৃণমূল নেতাদের যতটা না ক্ষতি, তার চেয়ে বেশি ক্ষতি আরএসএস-এর। মমতা গুরুত্বহীন হয়ে বামেদের প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠা আরএসএস-এর পক্ষে বিপদ। তার কয়েক লক্ষ কর্মী নিয়ে এর জন্য নিশ্চয়ই চুপচাপ বসে থাকতে পারে না, যেখানে কমিউনিস্টরা আরএসএস-এর এক নম্বর শত্রু। মমতাকে সত্যিই যদি হঠাতে চান, তবে প্রথমে আরএসএস-এর বিরুদ্ধে লড়তে হবে, রামের বিরুদ্ধে। তৃণমূলকে মেরে, রামকে এনে, পরে বাম আনা যায় না। রামই বাঁচাচ্ছে তৃণমূলকে।
সূত্রঃ
(১) https://www.rss.org//Encyc/
(২) Coomi Kapoor, ‘The Emergency: A personal story’, Penguin, page 19
(৩) Neerja Chowdhury, ‘How Prime ministers decide’, Aleph Book Company, 2023, page 66
(৪) T V Rajeswar, ‘India, The crucial years’, Harper Collins, 2015, page 79
(৫) Coomi Kapoor, ‘The Emergency: A personal story’, Penguin, page 117
(৬) Neerja Chowdhury, ‘How Prime ministers decide’, Aleph Book Company, 2023, page 64
(৭) D R Goyal, ‘Rashtriya Swayamsevak Sangh’, Radhakrishna Prakashan, 1979, page 124-125
(৮) Neerja Chowdhury, ‘How Prime ministers decide’, Aleph Book Company, 2023 page 79
(৯) Bipan Chandra, ‘In the name of democracy: JP movement and the emergency’ Penguin, 2003, page 217-218
(১০) T V Rajeswar, ‘India, The crucial years’, Harper Collins, 2015, page 79
(১১) The Indian Express, 26 February 1977
(১২) A G Noorani, ‘The RSS A Menac to India’, Left Word, 2019, page 197
(১৩) The Times of India 13 February 1980
(১৪) EMS Namboodripad, ‘From congress to coalition’ in the book The Frontline years, Leftword Books, 2010
(১৫) A G Noorani, ‘The RSS A Menac to India’, Left Word, 2019, page 214
(১৬) Neerja Chowdhury, ‘How Prime ministers decide’, Aleph Book Company, 2023 page 67
(১৭) https://www.bjp.org/
(১৮) https://www.rss.org//Encyc/)
(১৯) Rama Chandra Guha, ‘India after Gandhi’, Picador India, 2017, page 559-560
(২০) A G Noorani, ‘The RSS A Menac to India’, Left Word, 2019, page 228-230
(২১) Hindustan Times 17 November, 1987
(২২) Snigdhendu Bhattacharya, ‘Mission Begal: A Saffron Experiment’, Harper Collins Publishers India, 2020, page 18
(২৩) Times of India 15 September, 2003
(২৪) Snigdhendu Bhattacharya, ‘Mission Begal: A Saffron Experiment’, Harper Collins Publishers India, 2020, page 20-21
(২৫) Snigdhendu Bhattacharya, ‘Mission Begal: A Saffron Experiment’, Harper Collins Publishers India, 2020, page 171
(২৬) Snigdhendu Bhattacharya, ‘Mission Begal: A Saffron Experiment’, Harper Collins Publishers India, 2020, page 158
(২৭) The Telegraph, 26 May, 2025
(২৮) Walter K Anderson and Shridhar D Damle, ‘The RSS: A view to the inside’, Penguin, India 2018, page 245
(২৯) Hindustan Times, 15 september, 2019
(৩০) Hindustan Times, 26 september, 2023
(৩১) Bhamwar Meghwansh, ‘I coud not be Hindu’, Chapter 12, Navayana Publishing Pvt. Ltd, 2020
(৩২) Snigdhendu Bhattacharya, ‘Mission Begal: A Saffron Experiment’, Harper Collins Publishers India, 2020, page 169
(৩৩) Snigdhendu Bhattacharya, ‘Mission Begal: A Saffron Experiment’, Harper Collins Publishers India, 2020, page 193
(৩৪) https://www.indiatvnews.com/west-bengal/kolkata-lok-sabha-elections-2024-tmc-mla-humayun-kabir-threatens-to-drown-hindus-in-bhagirathi-river-video-latest-updates-2024-05-02-929122
(৩৫) https://hinduexistence.org/2024/05/03/wb-tmc-mla-humayun-kabir-threatens-hindus-for-mass-killing-and-to-throw-them-in-ganga/,
(৩৬) https://hindupost.in/politics/humayun-kabir-threatened-to-drown-hindus/
(৩৭) Hindustan Times, 22 August, 2023
(৩৮) Budget Publication number 17, 2025-26, Government of West Bengal, page 187
(৩৯) ‘The Print’ 2 september 2022 https://theprint.in/india/mamata-praises-rss-says-all-are-not-bad-in-sangh-pariwar-other-parties-react/1113051/
(৪০) Times of India, 6 January, 2019
(৪১) Times of India, 9 December 2016
ছবিঃ সোশ্যাল মিডিয়া
প্রকাশ: ১৩-সেপ্টেম্বর-২০২৫
শেষ এডিট:: 13-Sep-25 17:14 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/what-role-will-rss-play-in-the-2026
Categories: Fact & Figures
Tags: rss, , bjp tmc nexus, election 2026
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (150)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (133)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
.jpg)




