সম্পূর্ণ নতুন ধরনের এক বিপ্লবী

মঞ্চে নয়, মঞ্চে থেকে নেমে আসা সিঁড়িতে বসে কমিনটার্নের নোট নিয়েছিলেন লেনিন।

আর সেই ছবি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত মুছে ফেলতে পারেননি হাঙ্গেরির মার্কসবাদী তাত্ত্বিক গেওর্গ লুকাচ। স্বাভাবিক। ১৯২১, মস্কোয় কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের তৃতীয় কংগ্রেস। লেনিন তখন রাষ্ট্রের প্রধান। এই গ্রহের প্রথম সর্বহারার রাষ্ট্রের পরিচালক। আর সেই কংগ্রেসে উপস্থিত হাঙ্গেরির কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি বছর পঁয়ত্রিশের তরুণ লুকাচ।

জীবনে ওই একবারই কাছ থেকে দেখেছিলেন লেনিনকে।

রাজনৈতিক সংঘাত, বিতর্ক-বিরোধ, গ্রেপ্তার, অজ্ঞাতবাস, স্তুতি ও নিন্দায় ভরা এক দীর্ঘ (১৮৮৫-১৯৭১) কর্মময় জীবন লুকাচের। লেনিন তাঁর লেখার সমালোচনা করেছেন রূঢ়ভাবে। তাঁর ‘হিস্ট্রি অব ক্লাস কনসাসনেস’ বইটির একযোগে কড়া সমালোচনা করেছেন কমিনটার্নের সাধারণ সম্পাদক জিনোভিয়েভ এবং হাঙ্গেরির কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক বেলা কুন। কমিনটার্ন ও হাঙ্গেরির কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে আপস করেছেন একাধিকবার। ভুল করলে তা শুধরেছেন নির্দ্ধিধায়। কিন্তু নিজের বুদ্ধিবিবেচনায় কখনও আস্থা হারাননি মার্কসীয় নন্দনতত্ত্বের অন্যতম স্থপতি। শুধু বিতর্কিতই নয়, বিতর্কই ছিল তাঁর প্রাণ। জড়িয়েছেন ব্রেখটের সঙ্গে বিতর্কে। জীবনে তিনবার কারাজীবন। ১৯৪১, একবার কয়েকমাসের জন্য সোভিয়েত কারাগারে। কমিনটার্নের তখনকার সাধারণ সম্পাদক দিমিত্রভের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপে শেষে ছাড়া পান। অনেকের কাছেই লুকাচ তাই হেঁয়ালির মতো, এনিগমাটিক লুকাচ।

১৯২১, ইতিহাস জানে কমিনটার্নের সংকীর্ণতাবাদী ঝোঁকের বিরুদ্ধে লেনিনের সংগ্রাম। লুকাচ ছিলেন সংকীর্ণতাবাদী গোষ্ঠীতে। আর সেকারণে ‘আমার প্রতি লেনিনের ছিল একরকম অস্বীকারের মনোভাব। যেমন সাধারণভাবে ছিল সমস্ত সংকীর্ণতাবাদীদের প্রতি। তাছাড়া, আমার ব্যক্তিত্ব বোরদিগার মতোও ছিল না, যিনি তখন ইতালির বড় পার্টিতে সংকীর্ণতাবাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন, কিংবা ছিল না ফিশার-মাসলোর মতো, যিনি জার্মান পার্টির প্রতিনিধিত্ব করছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই লেনিন সেসময়ের বেআইনি হাঙ্গেরির পার্টিকে তেমন গুরুত্ব দেননি।’

লুকাচের অকপট ভাষ্য, একটি মাত্র ঘটনায়, আমি সংসদে কমিউনিস্টদের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলাম, ভিয়েনার জার্নাল কমিউনিজম পত্রিকায়, যার লক্ষ্য ছিল মুখ্যত বেলা কুন। যা একটি নিবন্ধে উল্লেখ করেছিলেন লেনিন— ঘটনা হলো এই বিষয়ে আমি খুবই রাডিক্যাল ও মার্কসবাদ-বিরোধী নিবন্ধ লিখেছিলাম। (লেনিনের) ওই মতামত আমার জন্য খুবই শিক্ষনীয় ছিল। প্রায় একই সময়ে লেনিন প্রকাশ করেন তাঁর বই ‘বামপন্থী কমিউনিজম: একটি শিশুসুলভ বিশৃঙ্খলা’। যা ছিল আমার জন্য বড় শিক্ষা।

এই ঘটনার বাইরে, আমার সঙ্গে একবারই লেনিনের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কংগ্রেসের একটি বিরতির সময় আমরা কিছু কথা বলেছিলাম। কিছু রসিকতা, আর কিছু কৌতুক বিনিময়।

‘এই কংগ্রেসে উপস্থিত ছিলেন কয়েকশ জন। যার মধ্যে কুড়ি-তিরিশ জনের প্রতি লেনিনের সত্যিকারের আগ্রহ ছিল। সেকারণে প্রতিনিধিদের বাকি অংশের প্রতি তিনি বড়জোর সরকারি সৌজন্য দেখিয়েছিলেন, তার বেশি কিছু নয়। ওঁর সংস্পর্শে আসার সুযোগ তাই আমার কাছে ওইটুকুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে, এর চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমার কাছে লেনিনকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য ছিল অঢেল সময়।’

‘সেসময় সভাপতিমণ্ডলীকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার চেহারা আজকের মতো এতটা ছিল না। ছিল না তেমন কোনও সৌজন্য-বিধি। সভাপতিমণ্ডলীর জন্য ছিল না কোনও বড় মঞ্চ। ছিল একটা ছোট্ট মঞ্চ, যেমন থাকে বিশ্ববিদ্যালয় বা স্কুলের লেকচার হলে। চার-পাঁচজন একটি টেবিলকে ঘিরে বসতেন। সেই সভা পরিচালনা করতেন। যখন লেনিন ঢুকলেন, তখন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা তাঁকে বসার জায়গা করে দিতে উঠে দাঁড়ালেন। লেনিন দূর থেকেই হাত নাড়িয়ে তাঁদের বললেন ‘বসুন, বসুন’। আর তিনি গিয়ে বসলেন মঞ্চ থেকে নেমে আসা সিঁড়ির একটি ধাপে। পকেট থেকে বের করলেন নোটবুক। এবং প্রতিনিধিদের আলোচনার নোট নিতে শুরু করলেন। আর সভা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঠায় বসে রইলেন সেখানে।’

লেনিন ছিলেন সম্পূর্ণ নতুন ধরনের এক বিপ্লবী। নিজেকে পুরোপুরি নিক্ষেপ করেছিলেন বিপ্লবের মধ্যে, আর বেঁচে ছিলেন শুধু বিপ্লবের মধ্যে। লেনিন ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি জানতেন কীভাবে গ্রহণ করতে হয় নিজের সমস্ত দ্বন্দ্ব-বিরোধকে। এমনকি কেউ বলতেই পারেন, তিনি জানতেন কীভাবে জীবনকে উপভোগ করতে হয়। বলেছেন লুকাচ। জীবনের শেষে আন্দ্রাস কোভাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। হাঙ্গেরির টেলিভিশন এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিল ১৯৬৭-তে। তাঁর জীবনাবসানের পর সেটি প্রকাশিত হয় লা নোভেল ক্রিটিকে।

মার্কসের পর লেনিনই প্রথম, যিনি বিপ্লবের বিষয়ীগত উপাদানকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছিলেন। বলেছেন লুকাচ।

কে না জানেন বিপ্লবী পরিস্থিতি নিয়ে লেনিনের তত্ত্বায়ন: যখন শাসকশ্রেণি কোনও মতেই পুরনো কায়দায় তাদের শাসনকে অব্যাহত রাখতে পারে না, আর শোষিতশ্রেণি-ও পুরনো কায়দায় দিন কাটাতে কোনও মতেই চাইছে না।

লেনিনের উত্তরসূরীরা এই ধারণাকে নিলেন কিছু নির্দিষ্ট ভিন্নতা রেখে। বলছেন লুকাচ। ‘কোনও মতেই চাইছে না’র ব্যাখ্যা করে অর্থ করলেন— অর্থনৈতিক উন্নতি শোষিতশ্রেণিকে প্রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বিপ্লবীতে রূপান্তরিত করবে। যদিও লেনিন জানতেন, এই সমস্যা খুবই দ্বান্দ্বিক। অন্যভাবে বললে, একটি সামাজিক প্রবণতা, যার থাকবে সম্ভাব্য অনেকগুলি অভিমুখ।

একটি উদাহরণ টেনে লেনিনের এই মনোভাবের ব্যাখ্যাও করেছেন লুকাচ। অক্টোবর বিপ্লব নিয়ে আলোচনার মাঝে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে জিনোভিয়েভ লিখেছিলেন, বিপ্লবের সত্যিকারের কোনও পরিস্থিতি নেই। কারণ শোষিত জনগণের মধ্যে রয়েছে খুবই শক্তিশালী প্রতিক্রিয়াশীল স্রোত, যাদের মধ্যে এমনকি উগ্র দক্ষিণপন্থী ব্ল্যাক হান্ড্রেডস-ও রয়েছে। যথারীতি, লেনিন তাঁর বিচক্ষণতায় খারিজ করে দিয়েছিলেন জিনোভিয়েভের এই দৃষ্টিভঙ্গি।

লেনিনের মতে, যখন সামাজিক সংকট বড় আকার নেয়, অর্থাৎ যখন জনগণ আগের মতো করে বাঁচতে একেবারেই অনিচ্ছুক হয়ে পড়ে, তখন বিপ্লবী এবং প্রতিক্রিয়াশীল উভয়পথেই সেই ‘অনিচ্ছা’র বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শুধু তাই নয়, জিনোভিয়েভের মতের বিরোধী যুক্তি দিয়ে লেনিন বললেন, একটি বিপ্লবী পরিস্থিতি ততক্ষন সম্ভব নয়, যদি জনসাধারণের একাংশ প্রতিক্রিয়াশীল দিকে ঝুঁকে না পড়ে এবং ফলশ্রুতিতে বিপ্লবের পক্ষে বিষয়িগত উপাদানকে কার্যকরী করে তোলে। আমাদের পার্টির কাজ ছিল ঠিক এমনই পরিস্থিতিতে বিষয়িগত উপাদানের সম্ভাবনাগুলিকে টেনে বের করে আনা।

পুঁজিবাদী ব্যবস্থাজনিত অহংবোধ থেকে সমাজতান্ত্রিক সামাজিকীকরণে— ব্যক্তিবিশেষের আন্দোলনই বিপ্লবের পূর্বশর্ত— বিপ্লব সম্পর্কে এহেন নৈরাজ্যবাদী ধারণাটিকে সম্পূর্ণ ভ্রান্ত বলে চিহ্নিত করেছিলেন লেনিন। তিনি সর্বদাই উল্লেখ করতেন পুঁজিবাদের দ্বারা সৃষ্ট এবং তার দ্বারাই বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন জনগণই সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সমাধা করবেন। অর্থাৎ, লেনিনের মতবাদ ছিল আগাগোড়া বাস্তববাদী যুক্তিতে সম্পৃক্ত, যা বিভিন্ন ব্যক্তিক্রিয়াকে সামাজিক প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সম্প্রীতি তৈরি করে। এই বাস্তবিক সম্প্রীতি থেকেই লেনিন বিপ্লবের কর্মসূচীকে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট করতে চেয়েছিলেন। সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতির সুনির্দিষ্টভাবে বিশ্লেষণই হল বিপ্লবী কর্মসূচী সম্পর্কে লেনিনবাদী সংজ্ঞা। এই সুনির্দিষ্ট বিশ্লেষণে বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সম্পর্কে বিশ্লেষণও অন্তর্ভুক্ত থাকে।

বিভিন্ন ব্যক্তির বহুমাত্রিক আকাঙ্ক্ষার বৈচিত্র্যের সঙ্গে লেনিনের ধৈর্যের প্রসঙ্গটি বারে বারে উঠে আসে। লুকাচের কাছে স্বাভাবিক প্রশ্ন ছিল: আপনি কি মনে করেন, বিপ্লবী মেজাজের সঙ্গে ধৈর্য্য আদৌ কোনও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান? সাধারণভাবে ধৈর্য্য, বিপ্লবী মেজাজের বিপরীত বলেই প্রতিভাত হয় না কি?

লুকাচের জবাব: এ হল দ্বান্দ্বিকতারই আরেকটি বিষয়। লেনিনের মধ্যে ধৈর্য্য এবং অধৈর্য্যের এক দ্বান্দ্বিক ঐক্য ছিল, যার কারণে তিনি সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতির সুনির্দিষ্ট বিশ্লেষণ অনুসারে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

দু’টি উদাহরণ দিয়ে লেনিনের চরিত্রের এহেন বৈশিষ্ট্যকে বুঝিয়েছিলেন লুকাচ। ১৯০৫ সালের পর, লেনিনের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় বিপ্লব পরাজিত হয়েছে এবং প্রতিবিপ্লবী পর্ব শুরু হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে ছিল নির্বাচনের প্রশ্ন এবং বগদানভ-লুনাচারস্কি গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর সংঘাতের বিষয়। সেই দ্বন্দ্ব শুধুমাত্র ছোটখাটো কিছু বিষয়েই আটকে ছিল না, ১৯১৭ সালের ঘটনাবলীর উপরেও তার প্রভাব পড়েছিল।

১৯১৭ সালে গ্রীষ্মের সময়ে, পেট্রোগ্রাদের শ্রমিকরা যখন খুবই উত্তেজিত এবং একটি বড় আকারের বিক্ষোভ আয়োজন করতে চায়, তখন লেনিন সেই বিক্ষোভের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। কারণ তিনি জানতেন বিভিন্ন সহায়ক গোষ্ঠীগুলিকে নিজেদের চারপাশে সমবেত রাখতে সফল বুর্জোয়াদের সঙ্গে প্রলেতারিয়েতের ক্ষমতার ভারসাম্যের তৎকালীন পরিস্থিতিতে এহেন প্রত্যক্ষ সংঘর্ষের অর্থ হবে বিপর্যয়। সকলেই জানেন, সেই বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছিল এবং লেনিনের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই এমনটা হয়েছিল। সেই লড়াই ক্রমশ একটি গৃহযুদ্ধের চরিত্র অর্জন করে। তবে একথাও সকলে জানেন, তখন সর্বহারা শ্রেণি পরাজিত হয়। এবং লেনিন পিছু হটতে বাধ্য হন। যদিও পরিশেষে কর্নিলভের অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পরে বিপ্লবী শক্তির অভূতপূর্ব উত্থান ঘটে।

এই ঘটনাকে লেনিন দু’দিক থেকে ব্যাখ্যা করেছিলেন। লুকাচ বলছেন, প্রথমটি হল, আমার যতদূর মনে পড়ছে, সেপ্টেম্বর নাগাদ লেনিন একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন, যেখানে তিনি সোভিয়েতের সংখ্যাগরিষ্ঠ সোশ্যালিস্ট-রেভোলিউশনারি এবং মেনশেভিকদের ক্ষমতা হাতে তুলে নিতে আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি এই প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন যে, সমাজতন্ত্রের অভিমুখে যে কোনও সংস্কারের পথে কমিউনিস্ট পার্টি হবে তাদের বিশ্বস্ত বিরোধী। এর কিছুদিন পরে, তিনি আরেকটি নিবন্ধ লেখেন, যেখানে তিনি বলেন এহেন মার্জিত বিরোধিতার পরিস্থিতি মাত্র কয়েকটি দিনই স্থায়ী ছিল, কিন্তু এখন আর সেই প্রয়োজনীয়তা নেই।

এরপরে এলো অক্টোবর, যে বিধ্বংসী এবং অধৈর্য্য মনোভাবে জুলাই-বিক্ষোভের বিরোধিতা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই অবিলম্বে সোভিয়েতের হাতে সমস্ত ক্ষমতা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানালেন লেনিন। বিপ্লব সম্পর্কে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কারনে কামেনেভ এবং জিনোভিয়েভের মতো নিজের সবচেয়ে পুরানো এবং সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কমরেডদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন।

লুকাচের ব্যাখ্যায়, আমি যা বলতে চাইছি তা হল, লেনিন জুলাই মাসের ঘটনায় ধৈর্য ধরলেও অক্টোবরে সেই মনোভাব দেখাননি।

বিপ্লবের বিষয়গত ও বিষয়িগত উপাদানসমূহকে তিনি সর্বদাই নিজের বিবেচনায় রেখে চলতেন। আর, এই হল সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতির সুনির্দিষ্ট বিশ্লেষণ— যার ভিত্তিতে লেনিন নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহন করতেন, এটাই তাঁর ব্যাখ্যায় সেই দ্বিতীয় অভিমুখ।

ঋণ: গেওর্গ লুকাচ: রেকর্ড অব এ লাইফ, গেওর্গ লুকাচ অন হিস লাইফ অ্যান্ড ওয়ার্ক (নিউ লেফট রিভিউ), রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য, শোভনলাল দত্তগুপ্ত, সৌভিক ঘোষ।


শেয়ার করুন

উত্তর দিন