আরএসএস বলে কিছু নেই! (২য় পর্ব)

Author
অমৃতা সিংহ

সংঘ আইনগতভাবে চুক্তি করতে, সম্পত্তির মালিক হতে বা কর-ছাড়যোগ্য অনুদান পেতে পারে না - কিন্তু এই কাজগুলি তারা সবই করে এর সহযোগী ট্রাস্ট এবং ফ্রন্ট সংগঠনগুলোর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। ‘শ্রী কেশব স্মারক সমিতি’ এমনই একটি সংস্থা। এটি একটি নিবন্ধিত সোসাইটি এবং ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্টের ৮০জি এবং ১২এ ধারায় কর ছাড়ের সুবিধা পায়।

There is no Sangh! (Part II)

একটি জবাবদিহি-বিহীন সংগঠনের গোপন কাঠামোর মানচিত্র (২য় পর্ব)

‘দ্য ক্যারাভান’ ওয়েবজিনে ১ জুলাই, ২০২৫ সংখ্যায় প্রকাশিত

আর.এস.এস জোর দিয়ে বলে যে তারা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়, যদিও তারা সুস্পষ্টভাবে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক/অর্থনৈতিক (এককথায় বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গী) গঠন করে, নির্বাচনের সময়ে বিজেপিকে সমস্ত পর্যায়ে (একদম বুথ স্তর পর্যন্ত) সমর্থন দেয়, সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করে এবং তাদের কর্মীদের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজেদের আদর্শের অনুগামী লোকেদের নিয়োগ করে। তারা তাদের সহিংস ইতিহাসকে ধুয়ে মুছে ফেলার চেষ্টা করে, এবং ভান করে যে তারা সাম্প্রদায়িক বা ব্রাহ্মণ্যবাদী নয়। তারা নিজেদেরকে একটি ‘সাংস্কৃতিক সংগঠন’ বলে দাবি করে, কিন্তু এটি কোনও সোসাইটি, ট্রাস্ট বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে নিবন্ধিত নয়। এটি কোনওরকম আইন অনুসারেই নিবন্ধিত নয়, যার অর্থ এই সংস্থা জনগণের কাছে জবাবদিহি করার মৌলিক রূপগুলি এড়িয়ে যেতে সক্ষম। এরা সব আইনের আওতামুক্ত, যার জন্য তাদের আয় সরকারকেও জানাতে বাধ্য নয়। অথচ আমাদের দেশে, সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্ট, সেন্ট্রাল গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স অ্যাক্ট এবং কোম্পানি অ্যাক্ট-এর মতো বিভিন্ন আইনের বিধানগুলো নির্দেশ করে যে সমস্ত নিবন্ধিত অলাভজনক সংস্থা, ট্রাস্ট এবং কোম্পানিগুলো (এমনকি যেগুলো কেবলমাত্র সাংস্কৃতিক, তারাও) কীভাবে কর দিতে হবে এবং সরকারকে তাদের আয় প্রকাশ করতে হবে। 

সংঘ আইনগতভাবে চুক্তি করতে, সম্পত্তির মালিক হতে বা কর-ছাড়যোগ্য অনুদান পেতে পারে না - কিন্তু এই কাজগুলি তারা সবই করে এর সহযোগী ট্রাস্ট এবং ফ্রন্ট সংগঠনগুলোর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। ‘শ্রী কেশব স্মারক সমিতি’ এমনই একটি সংস্থা। এটি একটি নিবন্ধিত সোসাইটি এবং ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্টের ৮০জি এবং ১২এ ধারায় কর ছাড়ের সুবিধা পায়। আমি SKSS-এর সভাপতি আলোক কুমারকে (যিনি একই সাথে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতি এবং সংঘের একজন আইনজীবী) জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে তার সংস্থাটি কি আর.এস.এস-এর অন্তর্গত? তিনি বলেছিলেন, “না, এটি দিল্লির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একটি ট্রাস্ট। আর.এস.এস-এর কোনও ট্রাস্ট নেই”। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে  “এমনকি SKSS একটি ট্রাস্টও নয়, আমি বলেছি এটা সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের অধীনে একটি সোসাইটি। এবং আমার সঙ্গে অনেকেই এটা পরিচালনা করছেন”। যখন আমি উল্লেখ করলাম যে এর সকল কর্মকর্তারাই আর.এস.এস সদস্য, তিনি জবাব দিলেন, “হ্যাঁ, আমরা আর.এস.এস-এর লোক। আমি বলছি, আইনের দৃষ্টিতে সোসাইটির একটি স্বাধীন অস্তিত্ব আছে”। অন্যান্য সংগঠন, যেমন ‘রাষ্ট্রীয় সেবা ভারতী’ এবং অখিল ‘ভারতীয় ইতিহাস সংকলন যোজনা’ - যথাক্রমে সংঘের সমাজসেবা শাখা এবং ইতিহাস শাখা - একই ধরনের বৈকল্পিক সংগঠনের ভূমিকা পালন করে। এই বিস্তৃত কাঠামো আর.এস.এস.-কে পূর্ণ জনসমক্ষে কাজ করতে এবং শক্তি বৃদ্ধি করতে দেয়, পাশাপাশি সেই সব নিয়ামক কাঠামো এড়িয়ে চলে যে নিয়ামক কাঠামোগুলি প্রতিটি ছোট-বড় দাতব্য সংস্থা, এন.জি.ও বা ধর্মীয় ট্রাস্টকে নিয়ন্ত্রণ করে।

১৯৪৮ সালে আর.এস.এস- সদস্য নাথুরাম গডসে মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করার পর, সংগঠনটি ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিল। - গুগল নিউজ আর্কাইভ

আর.এস.এস সংগঠনটি কেবলমাত্র আর্থিক তদন্তই এড়ায় না, যেহেতু সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট এটির উপর প্রযোজ্য নয়, তাই এর সদস্যপদ সংক্রান্ত রেকর্ড রাখার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। এই ফাঁকি কাজে লাগিয়ে তারা মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী, নাথুরাম গডসের আর.এস.এস সদস্যপদ সংক্রান্ত বিষয়টি অস্পষ্ট রাখতে সক্ষম হয়েছে। সিনিয়র সাংবাদিক ধীরেন্দ্র কুমার ঝা তাঁর বই ‘Gandhi’s Assassin: The Making of Nathuram Godse and His Idea of India’ এবং এই ক্যারাভান ম্যাগাজিনে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি কভার প্রতিবেদনে, নথিভুক্ত প্রমাণ দেখিয়েছেন যে, গডসে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত একজন স্বয়ংসেবকই ছিলেন। আর.এস.এস দীর্ঘদিন ধরে এই সত্যটি অস্বীকার করে আসছে, কেবলমাত্র এই ছেঁদো যুক্তিতে যে তাদের কোনও আনুষ্ঠানিক রেজিস্টারই নেই। বল্লভভাই প্যাটেল নিজেই এই স্বচ্ছতার অভাব স্বীকার করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ তারিখে লেখা একটি চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, আরএসএস-এর মতো একটি গোপন সংগঠনের ক্ষেত্রে, যার কোনও রেকর্ড, রেজিস্টার ইত্যাদি নেই, কোনও ব্যক্তি সক্রিয় কর্মী কি না তা নিশ্চিতভাবে জানা খুবই কঠিন কাজ। গান্ধী হত্যার পর অনেক বিশিষ্ট সংঘ নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, এবং সংগঠনটিকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। একে ইন্দিরা গান্ধীর শাসনামলে এবং বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরও নিষিদ্ধ হয়েছিল। 

সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ এ.জি নূরানি তাঁর বই ‘The RSS: A Menace to India’-তে উল্লেখ করেছেন “আর.এস.এস.-এর বক্তব্যে, ইচ্ছাকৃতভাবে অস্পষ্ট, দ্বিমুখী কথা লক্ষণীয়”। তিনি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন কীভাবে ১৯৭০-এর দশকের একটি মামলায় (আর.এস.এস-এর উপর কর প্রযোজ্য কিনা, সেই নিয়ে) ‘আর.এস.এস.-এর মিথ্যাকথা বলার ও প্রতারণার প্রবণতা’ প্রকাশ পেয়েছিল। এই সংগঠনটি একই সময়ে বোম্বাই হাইকোর্টের সামনে নিজেকে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য কমিশনাররের সামনে একটি রাজনৈতিক সংগঠন এবং জনসাধারণের কাছে কেবল একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন বলে দাবি করেছিল। ১৯৪৫ সালে, ভবিষ্যৎ সরসংঘচালক মধুকর দত্তাত্রেয় দেউরস একটি সভায় বলেছিলেন যে সংঘের লক্ষ্য ছিল সারা দেশে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা এবং “সঠিক মুহূর্তে, আমাদের নেতার আদেশ পাওয়া মাত্র ক্ষমতা দখল করা”।

রাজনৈতিক বিজ্ঞানী ক্রিস্টোফ জাফরেলো আমাকে বলেছিলেন, “এই আর.এস.এস একটি অদ্ভুত জীব এটা মূলত একটি সর্বগ্রাসী আন্দোলন, যারা সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে, অথচ একই সাথে সমাজকে ভিতর থেকে নিয়ন্ত্রণ করে”। তিনি সংঘকে ফ্যাসিস্ট নিয়ন্ত্রণের একটি অত্যন্ত ভারতীয় সংস্করণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “রাষ্ট্র এখানে লক্ষ্য নয়, সমাজই লক্ষ্য”। তাঁর মতে, রাজনীতি, এদের কাছে কেবলমাত্র “একটি উচ্চতর লক্ষ্যের উপায়”। প্রয়োজনে এখন হিংসামূলক কার্য্যকলাপগুলি তাদের সহযোগী সংগঠনের (যেমন ‘বজরং দল’ বা ‘গো রক্ষক সমিতি’ বা ‘বিশ্ব হিন্দু পরিষদ’ ইত্যাদি) উপর ছেড়ে দেওয়া যায়। এই কাঠামোগত অস্পষ্টতা আর.এস.এস.-কে তার আদর্শিক প্রভাব কেন্দ্রীভূত করার পাশাপাশি জবাবদিহীর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে সক্ষম করে। এই অদ্ভুত আবরণ, প্রতিষ্ঠানগুলিকে দখল করতে এবং একেবারে তৃণমূল স্তরেও কর্মী রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা দেয়, আবার একই সাথে কোথাও থাকে না।

একশো বছর পরেও, আর.এস.এস তার বিস্তার ক্রমাগত বাড়িয়েই চলেছে। এই আইনত অদৃশ্য সংগঠনটি বড় শহর ও ছোট শহরগুলিকে তাদের সাংগঠনিক সুবিধামত পুনর্বিন্যাস করতে সফল হয়েছে। দিল্লিতে, বিশেষ করে করোল বাগ এবং ঝান্ডেওয়ালা-তে (যেটা এখন সংঘের শক্ত ঘাঁটি) দশকের পর দশক ধরে জাতীয় রাজধানীতে এর ক্রমবর্ধমান প্রভাবের একটি সমৃদ্ধ ও স্তরিত ইতিহাস রয়েছে। ধর্মীয় সংস্থা ও স্থানীয় রাজনীতিকে কাজে লাগিয়ে জমি দখলের পাশাপাশি রয়েছে গভীর সম্প্রদায়িক সম্পৃক্ততা। এটা এমন একটি কৌশল যা তারা দশকের পর দশক ধরে আত্মস্থ এবং পরিব্যাপ্ত করেছে, সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে অযোধ্যায়, কিন্তু মথুরা এবং ছোট শহরগুলিতেও, যেখানে আর.এস.এস-সংযুক্ত মন্দিরগুলিকে সহানুভূতিশীল হিন্দু সম্প্রদায়ের কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে। এগুলি এক একটি আদর্শগত স্নায়ুকেন্দ্র পরিণত করা হয়েছে, যা এই নিরাকার সংগঠনটিকে শক্তি জোগায়।

বিভিন্ন আইনজীবীরা (যাদের সাথেই আমি কথা বলেছি), তারা উল্লেখ করেছেন যে, সংবিধানে সংগঠনের স্বাধীনতা সঠিকভাবে অনুমোদন করলেও, অনেক বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে যেন সংগঠনগুলি আইনের সীমানার মধ্যে থাকে, এমনকি যদি তারা রেজিস্টার্ড নাও হয়। বিশিষ্ট আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ আমাকে বলেছিলেন “কেবল এই সত্যকথা বলে, যে তারা রেজিস্টার্ড নয়, এর অর্থ এই নয় যে তারা আইনের ঊর্ধ্বে যে কোনও আইনই হোক না কেন, দেশের সমস্ত আইন-কানুন সবই তাদের উপরেও একইভাবে প্রযোজ্য”। এর অর্থ হল, সরকার চাইলে, আর.এস.এস-কে ঘৃণামূলক বক্তব্য, তহবিল গোপন এবং জমি দখলের জন্য জবাবদিহি করতে পারে। তবে এটাও সত্য যে, মোদী-র ক্ষমতায় আসার আগের দশকগুলোতেও সংঘ সম্পর্কে তদন্ত করার রাজনৈতিক ইচ্ছা সম্পূর্ণভাবেই অনুপস্থিত ছিল।

‘কেশব কুঞ্জ’ আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখায় আর.এস. এস আজ কী অবস্থায় পৌঁছেছে। একটি বিতর্কিত অতীতের উপর নির্মিত, একটা বিশাল কিন্তু গোপন নেটওয়ার্ক দ্বারা পরিচালিত, এটা একটি অ-নিবন্ধিত সংগঠন, যা ভারতের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি পুনর্গঠন করেছে। একজন সংঘ-ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষক এটাকে আমার কাছে এভাবে বলেছেন, “আর.এস.এস একটি অশরীরী অস্তিত্ব, এরা যে কোনও কিছু করতে পারে, আমরা এর সম্পর্কে কিছুই জানি না”।

কেশব কুঞ্জ এই বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হয়েছিল। অনেক সাংবাদিককে প্রাঙ্গণে প্রবেশই করতে দেওয়া হয়নি। তাদের মধ্যে প্রায় ত্রিশজন রাস্তার ওপারে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠানটি দূর থেকেই দেখতে বাধ্য হয়েছিলেন। ফুটব্রিজ, রাস্তার ডিভাইডার এবং কেশব কুঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা টেম্পোগুলি সবই গেরুয়া পতাকায় সজ্জিত ছিল। পুলিশ কর্মী এবং সাদা কুর্তা, গান্ধী টুপি এবং কমলা স্কার্ফ পরা যুবকরা রাস্তা পাহারা দিচ্ছিল। বড় গাড়িগুলি গেটে থেমে গিয়ে তারপর ভিতরে প্রবেশ করছিল। গেট থেকে খুব দূরে নয়, সাদা পোশাক পরা কর্মীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রায় ত্রিশ বছর বয়সী একজন মানুষ আর.এস.এস-এর সাংবাদিক রাঠোড়। রাঠোড়কেও প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তিনি আমাকে পরে বলেছিলেন, তিনি এতে আপত্তি করেননি - অন্য কোনও দিন তিনি ভিতরে যেতে পারতেন। মাত্র প্রায় দুই হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তিকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়েছিল। রাঠোড় বলেছিলেন, “আজ আপনি যাদের দেখছেন, তারা সবাই ভবিষ্যতে তাদের কাজের ক্ষেত্রে ও প্রতিষ্ঠানের ভিতরেও অনেক বড় পদে বিরাজ করবে”। আমার সাথে দেখা হওয়া অন্যান্য সংঘ সদস্যদের মতো, তিনি আর.এস.এস-এর উচ্চতর উদ্দেশ্যে বিশ্বাস করতেন। তিনি বললেন “আমাদের এই উচ্চতর আদর্শ বুঝতে হবে”।


বাংলা ভাষান্তরঃ অঞ্জন মুখোপাধ্যায়


প্রকাশ: ১৯-আগস্ট-২০২৫

আপনার মতামত

এই লেখাটি সম্বন্ধে আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।

This Is CAPTCHA Image


অন্যান্য মতামত:

এই গবেষণামূলক প্রবন্ধটির মূল্য অপরিসীম। নিজেকে জানতে, অন্যকে জানতে, নিজের দেশের সামগ্রিক ও সঠিক ইতিহাস জানতে এই প্রবন্ধ প্রবেশদ্বারের ভুমিকা পালন করতে পারে।
- kdroy, ১৯-আগস্ট-২০২৫


খুবই ভালো লাগলো। আরো দরকার।
- Pankaj Dhar Choudhury, ১৯-আগস্ট-২০২৫


Very informative news. Need more posts
- Sujit Kumar Ray, ২৪-আগস্ট-২০২৫



শেষ এডিট:: 18-Aug-25 02:41 | by 2
Permalink: https://cpimwestbengal.org/there-is-no-sangh!-part-ii
Categories: Fact & Figures
Tags: constitutionofindia, democraticright, rastriyaswayamsevaksangh, republic, secularism, wethepeople
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:



লেখক/কিওয়ার্ড