আজকের দুনিয়ায় চে গ্যেভারার প্রাসঙ্গিকতা

সমন্বয় রাহা
আজ চে গ্যেভারার ছবি পৃথিবীর সর্বত্র দেখা যায়। কিন্তু চে-কে শুধু একটি বিপ্লবী মুখ হিসেবে স্মরণ করলে তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝা যায় না। চে-কে আজ মনে করার অর্থ হল কিছু মৌলিক প্রশ্নকে সামনে আনা, একটি দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কী? রাজনৈতিক স্বাধীনতা কি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া সম্পূর্ণ হতে পারে? একটি দেশের সম্পদ ও উৎপাদনব্যবস্থা কার স্বার্থে পরিচালিত হবে? বাজারের ভূমিকা কতটা হবে? রাষ্ট্রের ভূমিকা কতটা হবে? মানুষ কি শুধু ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করবে, নাকি সামাজিক দায়িত্ববোধও অর্থনীতির একটি শক্তি হতে পারে?

কিউবা আজ গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের ঘাটতি, দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাট, মূল্যবৃদ্ধি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া, সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ক্রমশ কঠিন হচ্ছে।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) কিউবার খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে সাম্প্রতিক মূল্যায়নে অর্থনৈতিক সংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জ্বালানি সমস্যার পাশাপাশি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করেছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠতেই পারে, আজকের কিউবায় চে গ্যেভারার ইতিহাসের গুরুত্ব কোথায়?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে শুধু চে-র বিপ্লব পূর্ববর্তী কিউবায় সংগ্রামের দিকে তাকালে হবে না। দেখতে হবে তাঁর অর্থনৈতিক চিন্তার দিকেও। কারণ চে-র কাছে বিপ্লব শুধু সরকার পরিবর্তনের বিষয় ছিল না। বিপ্লবের অর্থ ছিল একটি দেশের অর্থনীতি, উৎপাদনব্যবস্থা এবং মানুষের জীবনকে নতুনভাবে গড়ে তোলা।
১৯৫৯ সালের বিপ্লবের পর কিউবার নতুন সরকার ভূমি সংস্কার, শিল্পের জাতীয়করণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং অর্থনীতিকে বিদেশি নির্ভরতা থেকে বের করে আনার চেষ্টা শুরু করে। চে গ্যেভারা এই পরিবর্তনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। তাঁর কাছে রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা আলাদা বিষয় ছিল না। একটি দেশ নিজের সরকার নির্বাচন করতে পারলেই পুরোপুরি স্বাধীন হয়ে যায় না, যদি তার অর্থনীতি এমনভাবে তৈরি থাকে যে খাদ্য, শিল্প, জ্বালানি, প্রযুক্তি বা অর্থের জন্য তাকে সবসময় অন্য একটি শক্তিশালী দেশের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই কারণেই চে-র কাছে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছিল জাতীয় সার্বভৌমত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
চে-র অর্থনৈতিক চিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, তিনি মনে করতেন, শুধু কারখানা বা জমি রাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলেই সমাজতন্ত্র তৈরি হয় না। অর্থাৎ শুধু রাষ্ট্রীয় মালিকানাতেই থেমে গেলে চলবে না।
প্রশ্ন হল…
কার জন্য উৎপাদন হবে?
কী উৎপাদন হবে?
উৎপাদনের সিদ্ধান্ত কে নেবে?
মানুষ কেন কাজ করবে?
এই প্রশ্নগুলির চলতি প্রথা অনুযায়ী উত্তর বদলানোও সমাজতন্ত্র নির্মাণের অংশ। চে মনে করতেন, পুঁজিবাদী সমাজে মানুষ প্রধানত নিজের ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করতে অভ্যস্ত হয়। সমাজতন্ত্রের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি সমাজ তৈরি করা, যেখানে মানুষ শুধু ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, সমাজের সম্মিলিত প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে কাজ করবে। অর্থাৎ সংহতিমূলক সমাজ। এই কারণেই তিনি ‘নতুন মানুষ’ বা New Man (Man শব্দটি মানুষ অর্থে ব্যবহৃত) এর ধারণার কথা বলেছিলেন। তাঁর কাছে সমাজতন্ত্র শুধু নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নয়। মানুষের চিন্তা ও সামাজিক সম্পর্কেরও পরিবর্তন।
বিকল্প সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা কীভাবে অর্থনীতি পরিচালনা করবে, এই প্রশ্ন নিয়ে ১৯৬০-এর দশকের কিউবায় বড় বিতর্ক হয়েছিল। একটি মত ছিল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাজারের নিয়ম, মুনাফা, সুদ এবং আর্থিক হিসাবের মাধ্যমে পরিচালনা করলে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব। চে এই ধারণার ব্যাপারে সতর্ক ছিলেন। তাই তিনি পরিকল্পিত অর্থনীতির ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর মতে, রাষ্ট্রীয় শিল্পগুলিকে আলাদা আলাদা লাভের প্রতিষ্ঠান হিসেবে না দেখে একটি বৃহত্তর জাতীয় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিচালনা করা উচিত। এই চিন্তা থেকেই তিনি Budgetary Finance System চালু করার চেষ্টা করেছিলেন। অর্থাৎ কারখানাগুলোকে বৃহত্তর রাষ্ট্রীয় শিল্প-ব্যবস্থার অংশ হিসেবে দেখা হতো। তাদের অর্থ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতো না। রাষ্ট্র কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে কাঁচামাল, বিনিয়োগ, শ্রম ও অর্থ বরাদ্দ করত। একটি কারখানা বেশি লাভ করছে আর অন্যটি কম লাভ করছে, এই কারণে প্রয়োজনীয় শিল্প বন্ধ না করে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে সম্পদ পুনর্বণ্টন করা যেত। অর্থাৎ, লক্ষ্য ছিল শুধু একটি কারখানার লাভ নয়। গোটা সমাজের প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন ও শিল্পায়ন। সহজ কথায় একটি কারখানা শুধু নিজের লাভের জন্য কাজ করবে না। পুরো দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন করবে। ১৯৬০ সাল থেকে এর কাঠামো তৈরি হতে শুরু করে। তখন চে কিউবার জাতীয় ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট এবং শিল্প বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৬১ সালে Ministry of Industries প্রতিষ্ঠার পর, চে শিল্পমন্ত্রী হিসেবে এই ব্যবস্থাকে আরও সুসংগঠিত করেন। চে নিজেই ১৯৬৪ সালের On the Budgetary Finance System লেখায় জানান যে ব্যবস্থাটির বিকাশ শুরু হয়েছিল ১৯৬০ সালে এবং Ministry of Industries-এর অভ্যন্তরীণ কাজের মধ্যেই এটি প্রথম বাস্তব রূপ পায়।
চে-র অর্থনৈতিক চিন্তার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামাজিক নৈতিকতার সাথে যুক্ত ছিল। তিনি মনে করতেন, মানুষকে শুধু বেশি মজুরি বা বেশি পুরস্কার দিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করলে সমাজতান্ত্রিক চেতনা তৈরি হবে না। মানুষকে বোঝাতে হবে যে তার শ্রমের সঙ্গে সমাজের অন্য মানুষের জীবনও যুক্ত। একজন শ্রমিক যে পণ্য তৈরি করছেন, সেটি অন্য একজন মানুষের প্রয়োজন মেটাচ্ছে। কৃষক যে খাদ্য উৎপাদন করছেন, তা শহরের মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করছে। একজন চিকিৎসক বা শিক্ষক যে কাজ করছেন, তারও সামাজিক মূল্য রয়েছে। অর্থাৎ শ্রমকে শুধু ‘বেতন পাওয়ার বিনিময়ে কাজ’ হিসেবে না দেখে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে দেখার চেষ্টা করেছিলেন চে। অবশ্য এর অর্থ এই নয় যে তিনি মানুষের ব্যক্তিগত প্রয়োজনকে অস্বীকার করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ব্যক্তিগত প্রয়োজন থাকবে। কিন্তু সমাজতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত লাভ হতে পারে না।
আজ কিউবা খাদ্য, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। বিপ্লব পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে কঠিন সময় আজ। এর পেছনে দীর্ঘদিনের মার্কিন অবরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ইউএন আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কিউবার ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক বয়কট প্রত্যাহারের আহ্বান জানায়। প্রস্তাবটির পক্ষে ১৬৫ টি দেশ ভোট দেয়। বিপক্ষে ছিল ৭ টি দেশ এবং ১২ টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। অর্থাৎ কিউবার ওপর মার্কিন অবরোধ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। আর ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে কিউবার ওপর চাপ আরও বেড়েছে। ২০২৬ সালে কিউবার জ্বালানি সরবরাহকে কেন্দ্র করে মার্কিন চাপের ফলে দেশটির জ্বালানি সংকট আরও গভীর হয়েছে। জ্বালানি কমে গেলে শুধু গাড়ি বা বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। হাসপাতাল, পানিয় জল সরবরাহ, কৃষি, খাদ্য সংরক্ষণ, পরিবহন সব কিছুর ওপর তার প্রভাব পড়ে। অর্থাৎ একটি দেশের ওপর অর্থনৈতিক চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জীবনেও এসে পড়ে।
কিউবার প্রশ্ন আসলে বৃহত্তর লাতিন আমেরিকার প্রশ্ন। চে গ্যেভারাকে শুধু কিউবার নেতা হিসেবে দেখলে তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। চে-র চিন্তার কেন্দ্রে ছিল গোটা লাতিন আমেরিকা।
লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে মার্কিন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে সামরিক অভ্যুত্থান, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং অর্থনৈতিক চাপের অভিযোগও উঠেছে। আজকের ভেনেজুয়েলা, কলোম্বিয়া, আর্জেন্টিনা সহ বিভিন্ন দেশের দিকে তাকালে বোঝা যায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিজের মুনাফার জন্য এই দেশগুলোর প্রাকৃতিক সম্পদ এবং জনসম্পদ কে ব্যবহার করছে। অবশ্য প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি আলাদা। কিন্তু একটি প্রশ্ন অনেক ক্ষেত্রেই ফিরে আসে, লাতিন আমেরিকার দেশগুলি কি নিজেদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণ করতে পারবে? এই প্রশ্নই চে-র আন্তর্জাতিকতাবাদী রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি ছিল।
ট্রাম্পের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ ? ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে লাতিন আমেরিকার প্রতি মার্কিন নীতিতে চাপ ও কঠোরতার বিষয়টি আবার সামনে এসেছে। ট্রাম্প প্রশাসন হাভানার ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে। কিউবাকে তেল সরবরাহকারী দেশগুলির ওপরও চাপ তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই সরাসরি বয়কটের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের।
আজ চে গ্যেভারার ছবি পৃথিবীর সর্বত্র দেখা যায়। কিন্তু চে-কে শুধু একটি বিপ্লবী মুখ হিসেবে স্মরণ করলে তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝা যায় না। চে-কে আজ মনে করার অর্থ হল কিছু মৌলিক প্রশ্নকে সামনে আনা, একটি দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কী? রাজনৈতিক স্বাধীনতা কি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া সম্পূর্ণ হতে পারে? একটি দেশের সম্পদ ও উৎপাদনব্যবস্থা কার স্বার্থে পরিচালিত হবে? বাজারের ভূমিকা কতটা হবে? রাষ্ট্রের ভূমিকা কতটা হবে? মানুষ কি শুধু ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করবে, নাকি সামাজিক দায়িত্ববোধও অর্থনীতির একটি শক্তি হতে পারে?
চে-র অর্থনৈতিক চিন্তার গুরুত্ব এখানেই। তিনি কোনও নিখুঁত অর্থনৈতিক মডেল রেখে যাননি। তাঁর অনেক ধারণা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তাঁর কিছু নীতি নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। কিন্তু তিনি অর্থনীতিকে শুধু টাকা, বাজার ও মুনাফার হিসাব হিসেবে দেখেননি। তিনি অর্থনীতিকে দেখেছিলেন মানুষের জীবন, শ্রম, সমাজ এবং জাতীয় স্বাধীনতার সঙ্গে যুক্ত একটি বিষয় হিসেবে। আজকের কিউবার সংকট সেই প্রশ্নগুলিকে আবার সামনে এনেছে।
তাই চে গ্যেভারাকে স্মরণ করা মানে শুধু অতীতের একজন বিপ্লবীকে স্মরণ করা নয়। বরং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, সামাজিক ন্যায়, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং বৃহৎ শক্তির আধিপত্যের বিরুদ্ধে একটি দেশের নিজের পথ বেছে নেওয়ার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা। আর এখানেই বিপ্লবী চে-র রাজনীতির সাথে মিলে যায় ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় অমর শহীদ ভগৎ সিং এর রাজনীতি। যখন ভগৎ সিং এর হাত ধরে হিন্দুস্তান রিপাব্লিক্যান অ্যাসোসিয়েশন হয়ে উঠলো হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন। ভগৎ সিংরা বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধীনতা মানে কেবল রাজনৈতিক পটপরিবর্তন নয়। স্বাধীনতার মানে ব্রিটিশদের সরিয়ে দিয়ে যদি দেশের শাসনভার কেবল ধনী, জমিদার ও পুঁজিপতিদের হাতে যায়, তাহলে সাধারণ মানুষের প্রকৃত মুক্তি হবে না। দুজনের কোনো দিন দেখা হয়নি। দুজন ইতিহাসের ভিন্ন কালে এসেছেন। আর্জেন্টিনায় চে যখন জন্মাচ্ছেন সেই সময় ভগৎ সিং এর নের্তৃত্বে ভারতবর্ষের নওজওয়ানেরা বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।
কিন্তু কি অদ্ভুত মিল!! আদতে উভয়েই স্বপ্ন দেখেছেন শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থার।
চে-র ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রাসঙ্গিকতা হয়তো এখানেই, ভগৎ সিং এর মতন তিনিও আমাদের মনে করিয়ে দেন, রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রশ্নের সঙ্গে অর্থনৈতিক স্বাধীনতার প্রশ্নকে আলাদা করে দেখা যায় না। আর আজকের কিউবা, তার সংকট, তার ওপর মার্কিন চাপ এবং লাতিন আমেরিকার বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতা, সব মিলিয়ে চে-র সেই প্রশ্নগুলি এখনও জীবন্ত।
প্রকাশ: ০৯-অক্টোবর-২০২৬
শেষ এডিট:: 09-Oct-26 13:57 | by 4
Permalink: https://cpimwestbengal.org/the-relevance-of-che-guevara-in-todays-world
Categories: Fact & Figures
Tags: che guevara
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (5)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (181)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (162)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (88)
- Highlight - হাইলাইট (102)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (156)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (19)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
আজকের দুনিয়ায় চে গ্যেভারার প্রাসঙ্গিকতা
- সমন্বয় রাহা
খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হওয়ার জ্বালা
- প্রভাত পট্টনায়ক
গান্ধীর হত্যাকারীদের উত্তরসূরিরা আজ রাজ্য ও দেশের ক্ষমতায়
- সোমনাথ ভট্টাচার্য
জনমিতিক কমিটি বাতিল করো
- ওয়েবডেস্ক




