কে আছো জওয়ান—হও আগুয়ান

Author
ধ্রুবজ্যোতি সাহা

আর্থিক অনটন, পরিবারের জীবিকার চাপ, শিক্ষার ব্যয়, পরিকাঠামোর অভাব এবং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতা—বিভিন্ন কারণে বহু ছেলেমেয়ের পড়াশোনা মাঝপথে থেমে যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশে স্কুলছুটের হার প্রায় ১৩ শতাংশ, বিহারে প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ এবং পশ্চিমবঙ্গেও তা ৫ শতাংশের বেশি—এই পরিসংখ্যান আমাদের সতর্ক করে দেয় যে শিক্ষার অধিকার এখনও সবার জীবনে সমান বাস্তবতা হয়ে ওঠেনি।

Who's there, soldier—come forward
দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে যে আওয়াজ উঠেছিল, তাকে শুধু একটি পরীক্ষা, একটি প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা একটি নিয়োগের দাবির আওয়াজ বলে দেখলে ভুল হবে। সেই আওয়াজের মধ্যে ধরা পড়েছিল একটি গোটা প্রজন্মের উদ্বেগ—কোথায় আমাদের শিক্ষা, কোথায় আমাদের কাজ, কোথায় আমাদের ভবিষ্যৎ? বছরের পর বছর পড়াশোনা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, পরিবারের সঞ্চয় খরচ করে কোচিং, তারপর পরীক্ষা; আর সেই পরীক্ষাতেই যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস, অনিয়ম, প্রশাসনিক ব্যর্থতা কিংবা নিয়োগের দীর্ঘসূত্রিতা দেখা দেয়, তাহলে তরুণদের সামনে আর কী-ই বা বাকি থাকে? যন্তর মন্তরের সেই ক্ষোভ তাই কোনও নির্দিষ্ট শহর বা রাজ্যের মধ্যে আটকে থাকার নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একই প্রশ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে কোটি কোটি তরুণ—শিক্ষা আছে, ডিগ্রি আছে, মেধা আছে, আকাঙ্ক্ষা আছে, কিন্তু সেই অনুপাতে সম্মানজনক ও স্থায়ী কর্মসংস্থান নেই।

আজকের ভারতের সবচেয়ে বড় সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটগুলির একটি হল কর্মসংস্থানের সংকট। সরকারি PLFS-এর ২০২৫ সালের হিসাবে ১৫–২৯ বছর বয়সী যুব শ্রমশক্তির সর্বভারতীয় বেকারত্বের হার ছিল ৯.৯ শতাংশ। অর্থাৎ যে বয়সে একজন তরুণের কর্মজীবনে প্রবেশ করার কথা, সেই বয়সের শ্রমশক্তির প্রায় প্রতি দশজনের একজন কাজ খুঁজেও কাজ পাচ্ছেন না। কিন্তু সর্বভারতীয় গড়ের আড়ালে রয়েছে আরও তীব্র রাজ্যভিত্তিক বৈষম্য। কোথাও উচ্চশিক্ষিত তরুণ বছরের পর বছর পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কোথাও সরকারি নিয়োগ কার্যত থমকে রয়েছে, কোথাও শিল্প ও বিনিয়োগের অভাবে নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। ফলে দেশের যুবসমাজের একটি বড় অংশ কর্মজীবনের শুরুতেই অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে।

তবে বেকারত্বের সংকটকে শুধুমাত্র শতাংশের বিচারে বোঝা সম্ভব নয়। কারণ কাজ পাওয়া আর মর্যাদাপূর্ণ, স্থায়ী ও পর্যাপ্ত আয়ের কাজ পাওয়া এক বিষয় নয়। CMIE-র সাম্প্রতিক শ্রমবাজার বিশ্লেষণেও দেখা যাচ্ছে, বেকারত্বের হার কমে গেলেই শ্রমবাজারের স্বাস্থ্য ভালো হয়ে যায় না; শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ, কর্মসংস্থানের ধরন এবং কাজের মানও বিবেচনায় রাখতে হয়। বহু তরুণ বাধ্য হয়ে এমন কাজে ঢুকছেন, যা তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; আয় অনিয়মিত, চাকরির নিরাপত্তা নেই, সামাজিক সুরক্ষাও সীমিত। ফলে ‘চাকরি আছে’—এই একটি বাক্য দিয়ে যুবসমাজের বাস্তব সংকটকে ঢেকে রাখা যায় না। প্রশ্ন হল, সেই কাজ কি একজন তরুণকে নিজের জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ার মতো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিচ্ছে?

এই কর্মসংস্থান সংকটের সঙ্গে শিক্ষার সংকট অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। শিক্ষাক্ষেত্রেও ছবিটা একই রকম উদ্বেগজনক। প্রাথমিক স্তরেই পড়ুয়াদের শিক্ষার মান নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। ASER-এর মতো একাধিক শিক্ষাসমীক্ষা বারবার দেখিয়েছে, নির্দিষ্ট শ্রেণিতে পড়া বহু শিশুই সেই শ্রেণির প্রত্যাশিত পাঠদক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। তৃতীয় শ্রেণির বিপুল সংখ্যক পড়ুয়া এখনও সহজ পাঠ পড়তে হিমশিম খায়; পঞ্চম শ্রেণিরও উল্লেখযোগ্য অংশ দ্বিতীয় শ্রেণির স্তরের পাঠ সাবলীলভাবে পড়তে পারে না। অর্থাৎ স্কুলে ভর্তি হওয়া আর প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করা এক বিষয় হয়ে থাকছে না। শিশুর হাতে বই পৌঁছচ্ছে, কিন্তু বইয়ের অর্থ তার কাছে পৌঁছচ্ছে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন।

এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে স্কুলছুটের সমস্যা। আর্থিক অনটন, পরিবারের জীবিকার চাপ, শিক্ষার ব্যয়, পরিকাঠামোর অভাব এবং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতা—বিভিন্ন কারণে বহু ছেলেমেয়ের পড়াশোনা মাঝপথে থেমে যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশে স্কুলছুটের হার প্রায় ১৩ শতাংশ, বিহারে প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ এবং পশ্চিমবঙ্গেও তা ৫ শতাংশের বেশি—এই পরিসংখ্যান আমাদের সতর্ক করে দেয় যে শিক্ষার অধিকার এখনও সবার জীবনে সমান বাস্তবতা হয়ে ওঠেনি। স্কুলে নতুন ভর্তির হার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ বহু ক্ষেত্রে বছরের পর বছর আটকে থাকছে, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ পূরণ হচ্ছে না, পরিকাঠামো উন্নয়নের গতি যথেষ্ট নয়। ফলে যে দেশে জনসংখ্যার বড় অংশ তরুণ, সেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা যদি তরুণ প্রজন্মের ভিত শক্ত করে তুলতে না পারে, তাহলে তার প্রভাব শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে থাকবে না—সরাসরি আঘাত করবে দেশের অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের উপর।

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও এই প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা ও সরকারি নিয়োগের একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। বামফ্রন্ট আমলে এসএসসি, পিএসসি-সহ বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে নিয়মিত করার চেষ্টা ছিল। আজ নিয়োগ প্রক্রিয়া বছরের পর বছর ঝুলে থাকে, শূন্যপদ পূরণ হয় না, নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক আদালতে গিয়ে আটকে যায়। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই তরুণরা, যারা বছরের পর বছর প্রস্তুতি নিয়ে একটি সরকারি চাকরির আশায় বসে থাকেন। একটি প্রজন্মের সময়ের মূল্যকে কোনও আদালতের মামলা, প্রশাসনিক গাফিলতি কিংবা রাজনৈতিক টালবাহানার অঙ্কে মাপা যায় না।

শিক্ষার এই সংকটের আরেকটি দিক হল তার ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিকীকরণ। সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা যত বাড়ে, বেসরকারি শিক্ষা ও কোচিংয়ের উপর নির্ভরতা তত বাড়ে। AISHE-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারতের উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণ বেড়েছে এবং ২০২২-২৩ সালে ১৮–২৩ বছর বয়সীদের Gross Enrolment Ratio ২৯.৫ শতাংশে পৌঁছেছিল। কিন্তু একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়লেও প্রশ্ন থেকে যায়—কার জন্য সেই সুযোগ? যে পরিবারের হাতে অর্থ আছে, তারা ভালো স্কুল, কোচিং, বেসরকারি কলেজ ও অতিরিক্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ কিনে নিতে পারে। কিন্তু দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানকে অনেক বেশি প্রতিকূলতার মধ্যে প্রতিযোগিতা করতে হয়। ফলে শিক্ষা যে সামাজিক বৈষম্য ভাঙার হাতিয়ার হওয়ার কথা, সেটিই কখনও কখনও বৈষম্য বজায় রাখার মাধ্যম হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

আর ঠিক এমন সংকটের সময়েই সামনে আসে দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য—একদিকে কোটি কোটি তরুণ কাজের সন্ধানে ঘুরছেন, অন্যদিকে দেশের সম্পদ ক্রমশ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে। World Inequality Report 2026-এর হিসাব অনুযায়ী, ভারতের মোট ব্যক্তিগত সম্পদের প্রায় ৪০.১ শতাংশ রয়েছে দেশের মাত্র ১ শতাংশ মানুষের হাতে। শীর্ষ ১০ শতাংশের হাতে রয়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ সম্পদ। বিপরীতে দেশের নীচের ৫০ শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে মোট সম্পদের মাত্র ৬.৪ শতাংশ। আয়ের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের ছবি একই রকম—জাতীয় আয়ের প্রায় ৫৭.৭ শতাংশ পায় শীর্ষ ১০ শতাংশ, যেখানে নীচের অর্ধেক মানুষের ভাগ মাত্র ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ অর্থনীতি বাড়ছে, কিন্তু সেই বৃদ্ধির ফল সবার জীবনে সমানভাবে পৌঁছচ্ছে না। বরং সম্পদ ও আয়ের কেন্দ্রীভবন আরও প্রকট হচ্ছে।

এই বৈপরীত্য কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতি। সরকারি সম্পদ ও পরিষেবার বেসরকারিকরণ, শ্রমের অনিশ্চয়তা, চুক্তিভিত্তিক কাজের বিস্তার, শ্রমিকের অধিকার সংকুচিত হওয়া এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে ক্রমশ বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা—সব মিলিয়ে এমন একটি অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষের ঝুঁকি বাড়ছে আর পুঁজির কেন্দ্রীভবন আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে একজন তরুণ একটি চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করছেন, অন্যদিকে অতি-ধনী মানুষের সম্পদ নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি করছে। একদিকে সাধারণ পরিবারের সঞ্চয়ের উপর চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে বৃহৎ কর্পোরেট সম্পদের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে। তাই কর্মসংস্থানহীনতা কোনও বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়; এটি অর্থনীতির কাঠামো এবং সম্পদ বণ্টনের প্রশ্নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

প্রশ্ন তাই শুধু ‘চাকরি কোথায়?’ নয়। প্রশ্ন আরও বড়—দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চরিত্র কী? সরকারি সংস্থা ও সম্পদ বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হলে তার সামাজিক মূল্য কে দেবে? শিক্ষা ও স্বাস্থ্য যদি ক্রমশ পণ্যে পরিণত হয়, তাহলে দরিদ্র মানুষের অধিকার কোথায় থাকবে?

ইতিহাস সাক্ষী, তরুণ প্রজন্ম কখনও দীর্ঘদিন মাথা নত করে থাকে না। ভগৎ সিং, চন্দ্রশেখর আজাদ, সূর্য সেনের মতো তরুণ বিপ্লবীরা পরাধীন ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁরা এমন একটি স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে মানুষের মুক্তি কেবল রাজনৈতিক স্বাধীনতায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তিও হবে তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেই স্বপ্নের ধারাবাহিকতায় আজকের তরুণ প্রজন্মকেও আজকের সময়ের শোষণ, বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াইতে অগ্ৰনী ভূমিকা পালন করতেই হবে।

আজ গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই, সংবিধানের মূল্যবোধ রক্ষার লড়াই এবং সকলের জন্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে আলাদা করে দেখা যায় না। কারণ যে তরুণের হাতে কাজ নেই, যে ছাত্রের শিক্ষা অনিশ্চিত, যে পরিবার মূল্যবৃদ্ধি ও ঋণের চাপে বিপর্যস্ত, তার গণতান্ত্রিক অধিকারও বাস্তবে দুর্বল হয়ে পড়ে। আর এই দুর্বলতার সুযোগেই বিভাজনের রাজনীতি শক্তিশালী হয়। ধর্মের নামে, জাতের নামে, ভাষার নামে, পরিচয়ের নামে তরুণদের একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা হয়। অথচ তাদের আসল প্রশ্ন অন্যত্র—কাজ চাই, শিক্ষা চাই, স্বাস্থ্য চাই, সামাজিক নিরাপত্তা চাই, সম্মানের সঙ্গে বাঁচার অধিকার চাই। এই মৌলিক প্রশ্নগুলিকে আড়াল করার জন্য যে কোনও বিভাজনের রাজনীতিই শেষ পর্যন্ত তরুণের ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে যায়।

সেই রাজনৈতিক সচেতনতা ও সংগ্রামের ধারাকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান নিয়েই আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টায় কলকাতার ধর্মতলায় ইনকিলাব সমাবেশ। এই সমাবেশকে শুধু একটি দিনের কর্মসূচি হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি কাজের অধিকার, শিক্ষার অধিকার, সামাজিক ন্যায় এবং মানুষের মর্যাদার দাবিকে আরও শক্তিশালী করার একটি রাজনৈতিক মঞ্চ। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যকে শক্তিশালী করে, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে কণ্ঠকে আরও জোরালো করে, ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে এমন একটি বাংলা গড়ার অঙ্গীকারই হোক এই সমাবেশের বার্তা—যেখানে তরুণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার হাতে বন্দি থাকবে না, শিক্ষা পণ্যে পরিণত হবে না, কাজ কোনও অনুগ্রহ হবে না এবং মানুষের অধিকার কোনও রাজনৈতিক দয়ার বিষয় হবে না।
প্রকাশ: ১৫-সেপ্টেম্বর-২০২৬

আপনার মতামত

এই লেখাটি সম্বন্ধে আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।

This Is CAPTCHA Image

শেষ এডিট:: 15-Sep-26 17:03 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/whos-there-soldier—come-forward
Categories: Campaigns & Struggle
Tags: education, unemployment, alternative education
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:



লেখক/কিওয়ার্ড