প্রসঙ্গ গিগকর্মী: ইতিহাসের পথ ধরে (প্রথম পর্ব)

Author
চন্দন মুখোপাধ্যায়

Context Gig Worker: Along the Path of History

প্রথম পর্ব

আজকের দুনিয়ায় গিগ ওয়ার্কার শব্দটা প্রায় সকলের জানা।কিন্তু সামগ্রিক বিষয় নিয়ে সেভাবে চর্চার জায়গায় না থাকার জন্যই আজকের সময়ের সব থেকে গুরুত্তপুর্ন অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে অনেক কিছুই  আমাদের অজানা থেকে যায়। আজ সারা পৃথিবীতে গিগ কর্মীর সংখ্যা বিশ্বব্যাংকের মতে (একেবারে সঠিক তথ্য না থাকার ফলে একটা সামগ্রিক হিসাব ধরে )  ১৫৪মিলিয়ন( ১৫.৪ কোটি) থেকে ৪৩৫ মিলিয়ন (৪৩.৫ কোটি) অনলাইন গিগ কর্মী রয়েছে । এটি বিশ্বব্যাপী কর্মশক্তির ৪.৪% থেকে ১২.৫% -এর প্রতিনিধিত্ব করে। আর ভারতে NITI আয়োগের অনুমানের উপর ভিত্তি করে, যা জাতীয় শ্রমশক্তি সমীক্ষার তথ্য থেকে পাওয়া যায় তাতে ,অতিমারির ঠিক আগে ২০১৯ সালে ছিল ৩০ লক্ষ গিগ কর্মী ,যা  ২০২০-২১ সালে হয়ে যায় প্রায়  ৭৭ লক্ষ । বর্তমানে প্রায় ৯০লক্ষ,বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষার  তথ্য অনুযায়ী প্রায় ২কোটি গিগ কর্মী এখন যুক্ত।  ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী গিগ অর্থনীতির মূল্য ছিল $৫৫৬.৭ বিলিয়ন ,ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৯ লক্ষ কোটি টাকা, যদিও অনেক সংস্থার হিসাবে তারথেকে  অনেক বেশি। আর ভারতে ফোরাম ফর প্রোগ্রেসিভ গিগ ওয়ার্কার্সের একটি শ্বেতপত্র অনুসারে, ভারতের গিগ অর্থনীতি ২০২৪ সালের মধ্যে $৪৫৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর অনুমান করা হয়েছে যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪০লক্ষ কোটি টাকা ৷ এটি ১৭% চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক বৃদ্ধির হার (CAGR)  (কম্পাউন্ড অ্যানুয়াল গ্রোথ রেট, একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে  বিনিয়োগের গড় বার্ষিক বৃদ্ধি পরিমাপ করে )৷ এই রকম বিরাট বাজার এবং বিশাল শ্রমজীবী মানুষ নিয়ে আলোচনা তাই আজ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে হাজির হয়েছে।

গিগ অর্থনীতির গোড়ার কথা :

গিগ অর্থনীতির ইতিহাস আলোচনায় পুঁজিবাদীদুনিয়ার  সেই বিখ্যাত স্লোগানটা প্রথমেই উঠে আসে  ,"ভবিষ্যত তাদের জন্য যারা নিজের দক্ষতা দিয়ে বড় হতে চায়।"  অর্থাৎ শ্রমজীবী মানুষকে গোষ্ঠী বা ইউনিয়ন থেকে বাইরে এনে ব্যক্তি শ্রমিক তৈরী করা। ঐতিহাসিকদের মতে, গিগ অর্থনীতি কোনো নতুন ঘটনা নয় , ১৯ শতকের শিল্প বিপ্লবের আগেও  এটি প্রচলিত ছিল । তখন একটি আদর্শ রোজগারের জন্য অসংখ্য মানুষের ব্যক্তিগত পেশায় নিযুক্ত হওয়া খুবই স্বাভাবিক ছিল। গিগ কর্মীরা বহু দিন থেকেই  কাজ করে চলেছে, কিন্তু  এই ধরনের গিগ নির্দেশ দেবার  জন্য অতীতে  কোনো নির্দিষ্ট শব্দ বা ধারণা চালু  হয়নি বা কোনো ব্যবসায়িক সংস্থার মাধ্যমেও হয়নি। পরবর্তীকালে কুরিয়ার সার্ভিস, ট্রাক এবং ট্যাক্সি ড্রাইভার, আয়া  কেয়ারটেকার, প্লাম্বার,ইলেক্ট্রিশিয়ান, ব্যক্তিগত মুদি দোকানদার ইত্যাদির মতো অনেক কাজ হতো  যা প্রথম দিকের গিগ কাজের অন্তর্ভুক্ত। একজন ব্যক্তি সারাজীবনের জন্য শুধুমাত্র একটি কর্মজীবনের সাথে জড়িত  থাকবে সেটা অনেক পরের ঘটনা। শিল্প বিপ্লবের হাত ধরে এর বিস্তার ঘটে। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শুরুতে প্রাথমিক ভাবে মহামন্দা  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৯২৯ সালে শুরু হয়, যা ১৯৩৩-৩৪ সালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে  পৌঁছায়। সেই মহামন্দা দ্রুত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ১৯২৯ -৩৭ সময়কালে। ভারতেও রপ্তানি ও আমদানি ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়, যা এই অঞ্চলে সমুদ্রবাহিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে পঙ্গু করে দেয়; ভারতীয় রেল ও কৃষি খাত এই মন্দার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ভয়ঙ্কর মন্দার  ফলশ্রুতিতে মারাত্মক বেকারত্ব জীবনধারণের চরম অনিশ্চয়তা এবং দুর্ভিক্ষ, দেখা দিয়েছিল যা  জীবিকা নির্বাহের জন্য গরীব  মানুষকে বিভিন্ন কাজে যুক্ত  হতে এবং কৃষকদের  কৃষি জমি বিক্রি করে  উদ্বাস্তু হিসাবে চলে যেতে বাধ্য করেছিল,তার ফল হিসাবে হয় অন্যের খামারে বা জমিতে দিন মজুর হিসাবে  বা যেকোনো দৈনিক মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হয়েছিল । এটি  প্রথমদিকের রেকর্ডকৃত গিগ কাজ, যদিও গিগ শব্দ সেদিন কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতোনা।পরবর্তীকালে  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের  সময় যেসব কোম্পানিকে  সময় ধরে দ্রুত প্রচুর কাজ শেষ করতে হয়েছিল এবং পর্যাপ্ত কর্মীবলের অভাব ছিল, তারা স্বল্পমেয়াদী চুক্তির ভিত্তিতে শ্রমিক নিয়োগ করেছিল। এই তিন চার দশক ধরে গিগ অর্থনীতির কাজের ক্ষেত্রটা দ্রুত বাড়তে থাকে। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে  আরেকটি বিষয় তৈরি হয়েছিল যখন 'অস্থায়ী চাকরির সংস্থাগুলি' স্বল্প-কর্মীর পদ পূরণ করতে চায় এমন সংস্থাগুলিকে অস্থায়ী কর্মীদের যোগান দিতে শ্রমিক ঠিকাদার অংশ তৈরি হয়েছিল। সেই সময় এই মডেলে অস্থায়ী গিগ কর্মীর প্রচুর ব্যবহার দেখা যায়।১৯০০-এর গোড়ার দশকের  দিকে, এই গিগ শব্দ  শুধুমাত্র সঙ্গীত শিল্পী বা বিভিন্ন মাধ্যমের  শিল্পীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতো। তাঁরা আসেন অনুষ্ঠান করেন এবং বিনিময়ে পারিশ্রমিক নিয়ে চলে যান। জ্যাজ সঙ্গীতশিল্পীরা বিভিন্ন স্থানে লাইভ-পারফরম্যান্সের কাজগুলিকে তাই  "গিগস" হিসাবে উল্লেখ করতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু কর্মী হিসাবে এর কোনো উল্লেখ আগে কোথাও পাওয়া যায় না। আমেরিকান লেখক, কবি এবং বীট প্রজন্মের পথপ্রদর্শক, জিন-লুই লেব্রিস ডি কেরোক, ওরফে জ্যাক কেরোয়াক, 'গিগ ওয়ার্কার' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ।১৯৫২ সালে একটি প্রবন্ধে লেখেন, (san jose)স্যান হোসে -এর , সাদার্ন প্যাসিফিক রেল রোড তৈরির সময় পার্টটাইম ব্রেকম্যান কাজের ক্ষেত্রে একজন "গিগ কর্মী" পেয়েছিলেন। সেখানেই "টেম্পোরারি পেইড জব"( অস্থায়ী বেতনের কাজ) হিসাবে প্রথম এই “গিগ কর্মী” শব্দের কথা শোনা যায়।কিন্তু সেভাবে বিশ্বজুড়ে গিগ অর্থনীতি আলাদা করে কোনো জায়গা নেয়নি।এরপর 90দশকে মোবাইল,কম্পিউটার ,ইন্টারনেটের হাত ধরে আজকের গিগ অর্থনীতির যাত্রা শুরু হয়।

বর্তমান বিশ্বের অর্থনীতি পরিচালিত হচ্ছে পাঁচটি বৃহৎ বহুজাতিক কোম্পানির দ্বারা, যাদেরকে সংক্ষেপে GAFAM নামে চিহ্নিত করা হয় । এই শব্দের অক্ষরগুলো দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যায় – গুগল, অ্যামাজন, ফেসবুক, অ্যাপেল ও মাইক্রোসফ্ট। জ্ঞান-অর্থনীতি(নলেজ ইকোনমি)কে হাতের মুঠোয় এনে অ্যাপ ভিত্তিক একটা প্লাটফর্ম তৈরি করে এবং ভোক্তা ও কর্মীদের সেই নেটওয়ার্কে যুক্ত করে বিশ্বব্যাপী উৎপাদনের জগত থেকে মুনাফা বের করে নিয়ে চলে যাচ্ছে প্ল্যাটফর্ম অর্থনীতির ধনকুবেররা। আর এদের হাত ধরেই জন্ম নিলো আধুনিক "গিগ অর্থনীতি" এবং "গিগ কর্মী"।বলা বাহুল্য যে, এদের ওপর কোন রাষ্ট্রেরই কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। ‘অনলাইন-শপিং’  এবং অনলাইন কাজের নতুন জগতের মূল সংগঠনগুলোই হল বিদেশি কোম্পানি। আর এদের হাত ধরেই ১৯৯০এর দশকে  ডিজিটাল যুগ শুরু হয়েছে, যা প্রথম  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিগ কর্মীদের চাহিদা বাড়িয়েছে। এটি গিগ অর্থনীতির একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তি ব্যবস্থা বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্যভাবে সব রকম ব্যাবসা এবং কাজের বড় জায়গা দখল  করেছে, জনগণের  জীবন ও দৃষ্টিভঙ্গিকে আজ ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। ইন্টারনেট সংযোগ সহ স্মার্টফোন এবং কম্পিউটারে  অ্যাক্সেস প্রধানত কাজ সম্পর্কে মানুষের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করেছে এবং ফলস্বরূপ কর্মসংস্থান সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা ভেঙে দিয়েছে।

১৯৯৫ সালে, Craigslist, চাকরি খোঁজার জন্য প্রথম একটি অনলাইন সাইট, USA তে চালু করা হয়েছিল।  ক্রেগসলিস্ট  হল একটি বেসরকারী আমেরিকান কোম্পানি  যেটি চাকরি, আবাসন, যে কোনো কিছু  বিক্রির  জন্য, আইটেম পরিষেবা, সমষ্টিগত পরিষেবা , গিগস , সারসংকলন এবং আলোচনা ফোরামের জন্য প্রয়োজনীয়  বিভাগগুলির সাথে একটি শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন ওয়েবসাইট চালাতে শুরু করে।ক্রেগ নিউমার্ক, ১৯৯৫ সালে সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়াতে স্থানীয় ইভেন্টগুলির  তালিকা করে একসাথে  বন্ধুদের কাছে একটি ইমেল পাঠিয়ে  পরিষেবাটি শুরু করেছিল । এটি ১৯৯৬ সালে একটি ওয়েব-ভিত্তিক  পরিষেবা হয়ে ওঠে এবং অন্যান্য শ্রেণীবদ্ধ বিভাগেও ছড়িয়ে দেওয়া  হয়। এটি ২০০০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার অন্যান্য শহরে ছড়াতে শুরু করে। ২০২৩ সালে ক্রেগসলিস্ট  তার ওয়েবসাইটে ৭০টি দেশের সাতশ শহর তালিকাভুক্ত করে এবং প্রতি মাসে ৫৬কোটি মানুষ  ওই সাইট  ভিজিট  করে। এরপর আসে  ইলান্স,একটি বিশ্বব্যাপী চাকরির বাজারভিত্তিক  কোম্পানি, যার লক্ষ্য হলো  বিভিন্ন শ্রেণীর নির্দিষ্টকাজে দূরবর্তী কর্মীদের ভাড়া করে করিয়ে নেয়া। ২০০৩ সালে ওডেস্ক (রেড উড সিটি, সি এ) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্রিসের ব্যবসায়িক ঠিকাদার অডিসিয়াস সাতালস এবং স্ত্রাতিস কারামানলাকিস।পরবর্তী বছরগুলিতে প্ল্যাটফর্ম এবং ক্রাউডসোর্সিং মার্কেটপ্লেস যেমন Airbnb, Amazon's Mechanical Turk(Mturk), Uber, এবং Lyft র মতো (Lyft, Inc. ২০১২ সালের গ্রীষ্মে কম্পিউটার প্রোগ্রামার লোগান গ্রিন এবং জন জিমার দ্বারা জিমরাইডের একটি পরিষেবা হিসাবে চালু করা হয়েছিল, একটি আমেরিকান কোম্পানি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার নির্বাচিত শহরগুলিতে রাইড-হেলিং পরিষেবা, মোটর চালিত স্কুটার, বাইসাইকেল-শেয়ারিং সিস্টেম এবং ভাড়া গাড়ি সরবরাহ করে। Lyft ভাড়া নির্ধারণ করে, যা বুকিংয়ের সময় স্থানীয় সরবরাহ এবং  চাহিদার  উপর ভিত্তি করে একটি গতিশীল মূল্যের মডেল ব্যবহার করে পরিবর্তিত হয় এবং গ্রাহককে অগ্রিম জানানো হয় এবং  প্রতিটি বুকিং থেকে একটি কমিশন পায়। উবারের পরে লিফট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় বৃহত্তম রাইড শেয়ারিং কোম্পানি যা ডিজিটাল মার্কেটপ্লেসে  ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তির আবির্ভাবের সাথে একজন ব্যক্তির জন্য একটি ক্যারিয়ারের এই ধরনের  ধারণাটি ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছিল । ডোরড্যাশ এবং পোস্টমেটস-ফ্রিল্যান্স  ড্রাইভারের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে রেস্তোরাঁকে সংযুক্ত করে খাদ্য বিতরণ পরিষেবা দেয়। আপওয়ার্ক এবং ফাইভার - ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মগুলি গ্রাফিক ডিজাইন থেকে লেখা এবং প্রোগ্রামিং পর্যন্ত বিস্তৃত পরিসেবা দেয়। Airbnb - স্বল্পমেয়াদী থাকার জন্য একটি বাজার, যা সম্পত্তির মালিকদের তাদের জায়গা ভাড়া দিতে দেয়। Task Rabbit - একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট ছোট কাজ এবং কাজগুলি সম্পূর্ণ করার জন্য লোক নিয়োগ করতে পারে।  আধুনিক গিগ অর্থনীতি বর্তমানে Facebook, Snapchat, LinkedIn এবং Instagram ,অনলাইন ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্মের মধ্যে রয়েছে Yelp এবং Google বিজনেস প্রোফাইল (পূর্বে Google My Business), সেইসাথে নির্দিষ্ট শিল্প বা ভৌগলিক এলাকা ধরে ধরে  ফোকাস করে বিশেষ সাইটগুলি এই কাজকে ব্যাপকভাবে  প্রসারিত করে।

প্রথম পর্বে আছেঃ গিগ শ্রমিকদের  গোড়র কথা
দ্বিতীয় পর্বে আছেঃ  ভারতে গিগকর্মী কথা 

তৃতীয় পর্বে আছেঃ  গিগকর্মীদের জীবন যন্ত্রনা 
চতুর্থ পর্বে  আছেঃ  আমার ভারতবর্ষ-আইন কোন পথে 
পঞ্চম পর্বে আছেঃ  সরকারের অমানবিক ভূমিকাও কোর্টের নির্দেশ


প্রকাশ: ৩১-মার্চ-২০২৬

আপনার মতামত

এই লেখাটি সম্বন্ধে আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।

This Is CAPTCHA Image

শেষ এডিট:: 12-Mar-26 16:22 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/context-gig-worker-along-the-path-of-history-part-1
Categories: Fact & Figures
Tags:
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:



লেখক/কিওয়ার্ড