কমরেড মৃদুল দে'র মৃত্যুতে পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

Author
পলিট ব্যুরো

তিনি ছিলেন একজন সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গী সম্পন্ন দক্ষ প্রতিবেদক। তিনি দীর্ঘকাল গনশক্তি কাগজে মুখ্য প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

Comrade Mridul De

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী)-র পলিট ব্যুরো পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন সদস্য মৃদুল দে-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে৷ কিছুদিন ক্যান্সারের সাথে লড়াই করার পর ২৪ এপ্রিল তিনি প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

মৃদুল দে অবিভক্ত বাংলার চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কলেজ-জীবনে ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকের শুরুতে তিনি পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছিলেন। তাঁর দুবার কারাদণ্ড হয়েছিল এবং কিছু সময়ের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে দার্জিলিং জেলা থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছিল।

পরে মৃদুল দে কলকাতায় চলে যান এবং দলের সর্বক্ষণের কর্মী হয়ে ওঠেন। তিনি পার্টির দৈনিক গণশক্তিতে যোগদান করেন এবং সান্ধ্য গণশক্তিকে নিয়মিত দৈনিক সংবাদপত্রে রূপান্তরিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছিলেন একজন সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গী সম্পন্ন দক্ষ প্রতিবেদক। তিনি দীর্ঘকাল গণশক্তি কাগজের মুখ্য প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

তিনি ১৯৮৫ সালে পার্টির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটিতে নির্বাচিত হন এবং ২০০১ সালে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হন। ২০০৮ সালে পার্টির কোয়েম্বাটুর কংগ্রেসে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০২২ পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

তিনি একজন সুপাঠক ছিলেন, এবং পার্টির রাজনৈতিক শিক্ষার জন্য অনেক বই এবং পুস্তিকা লিখেছেন।

তাঁর স্ত্রী স্বপ্না, পরিবারের সদস্য এবং কমরেডদের প্রতি পলিট ব্যুরো গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।


প্রকাশ: ২৫-এপ্রিল-২০২৩

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী)-র পলিট ব্যুরো পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন সদস্য মৃদুল দে-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে৷ কিছুদিন ক্যান্সারের সাথে লড়াই করার পর ২৪ এপ্রিল তিনি প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

মৃদুল দে অবিভক্ত বাংলার চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কলেজ-জীবনে ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকের শুরুতে তিনি পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছিলেন। তাঁর দুবার কারাদণ্ড হয়েছিল এবং কিছু সময়ের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে দার্জিলিং জেলা থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছিল।

পরে মৃদুল দে কলকাতায় চলে যান এবং দলের সর্বক্ষণের কর্মী হয়ে ওঠেন। তিনি পার্টির দৈনিক গণশক্তিতে যোগদান করেন এবং সান্ধ্য গণশক্তিকে নিয়মিত দৈনিক সংবাদপত্রে রূপান্তরিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছিলেন একজন সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গী সম্পন্ন দক্ষ প্রতিবেদক। তিনি দীর্ঘকাল কাগজের মুখ্য প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

তিনি ১৯৮৫ সালে পার্টির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটিতে নির্বাচিত হন এবং ২০০১ সালে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হন। ২০০৮ সালে পার্টির কোয়েম্বাটুর কংগ্রেসে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০২২ পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

তিনি একজন সুপাঠক ছিলেন, এবং পার্টির রাজনৈতিক শিক্ষার জন্য অনেক বই এবং পুস্তিকা লিখেছেন।

পলিট ব্যুরো তাঁর স্ত্রী স্বপ্না, পরিবারের সদস্য এবং কমরেডদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়।

আপনার মতামত

এই লেখাটি সম্বন্ধে আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।

This Is CAPTCHA Image

শেষ এডিট:: 25-Apr-23 20:27 | by 2
Permalink: https://cpimwestbengal.org/comrade-mridul-de
Categories: Press Release
Tags: condolence, cpim, mridul de
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:



লেখক/কিওয়ার্ড