|
ধর্মনিরপেক্ষতা কাকে বলে?E M S Namboodiripad |
বিশ্বাসী ও মার্কসবাদীদের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতার জন্য নিজের মতাদর্শগত অবস্থান না ছেড়েই অপরজন কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন তাকে বোঝা এবং ব্যবহারিক জীবন ও সংগ্রামে পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। |
‘এক ধর্মনিরপেক্ষ কেরালার দিকে’ শীর্ষক একটি সেমিনারের উদ্বোধন করতে গিয়ে কেরালার খ্রিস্টান অর্থোডক্স চার্চের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় নেতা ডক্টর পাউলোস মার গ্রেগোরিওস বলেন: “ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে আমি সাধারণভাবে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ও কমিউনিস্টদের সঙ্গে একমত হলেও, একটি ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গড়ে তোলাকে আমি সম্ভব বা যুক্তিসঙ্গত বলে মনে করি না।” সমাজ ও সংস্কৃতি ধর্ম থেকে অবিচ্ছেদ্য বলে তিনি ব্যখ্যা করেন; কিন্তু ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা করা সম্ভব এবং প্রয়োজনীয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রের নিজস্ব কোনো ধর্ম থাকা উচিত নয়, ব্যক্তির উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত সে কোন ধর্মে বিশ্বাস করবে, পালন করবে এবং প্রচার করবে। তিনি আরও বলেন যে মানুষের সাংস্কৃতিক জীবন তার ধর্ম দ্বারা পরিচালিত হয়। তাই একটি দেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবন গঠনে ধর্ম প্রধান ভূমিকা পালন করবে। ইউরোপে ধর্মনিরপেক্ষতার উদ্ভব ও বিকাশের ইতিহাস তুলে ধরে মার গ্রেগোরিওস বলেন যে ইউরোপের আলোকপ্রাপ্তি (Enlightenment) ও রেনেসাঁর যুগে ধর্মনিরপেক্ষতার জন্ম হয়েছিল। ঐ আন্দোলনগুলি ছিল নাস্তিক্যবাদী — ঈশ্বর ও তার উপর প্রতিষ্ঠিত ধর্মকে তারা অস্বীকার করত। একজন ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টান হিসেবে ইউরোপীয় ধর্মনিরপেক্ষতাকে (সে ধারার নাস্তিক্যবাদী সুর সহ) কেরালার সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবনে আমদানি করার ক্ষেত্রে তিনি বিরোধী। তবে এর অর্থ এই নয় যে তিনি ধর্মহীন বা নাস্তিকদের প্রতি অসহিষ্ণু। বস্তুত, ধর্ম সম্পর্কে তাঁর সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশেষত খ্রিস্টধর্ম সম্পর্কে এবং আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষতা ও কমিউনিজমের মধ্যে একটি বিস্তৃত ঐকমত্যের ক্ষেত্র রয়েছে। তিনি শুধু ভারতে নয়, বিদেশেও ‘কমিউনিস্টদের সহযাত্রী’ হিসেবে পরিচিত। ধর্মীয় নেতা ও ধর্মহীন-নাস্তিক কমিউনিস্টদের মধ্যে ব্যবহারিক জীবনে সহযোগিতার ধারণাকে বিকাশে তাঁর অবদান অপরিসীম। তাই কমিউনিস্টদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল মার গ্রেগোরিওসের সেই আহ্বান — যেখানে তিনি ধর্মের অনুসারী ও বিরোধীদের মধ্যে বহুবিধ সম্মত বিষয়ে সংলাপ ও সহযোগিতার কথা বলেন। মার গ্রেগোরিওসের দৃষ্টিভঙ্গির এই ইতিবাচক দিকটি স্বীকার করে নেওয়ার পাশাপাশি, মার্কসবাদী-লেনিনবাদীরা তাঁর ঐ যুক্তির প্রতি নিরুত্তর রাখতে পারেন না যে মানবতাবাদ ও নৈতিক মূল্যবোধের জন্য ধর্মের নেতৃত্ব অপরিহার্য। দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনে ধর্মবিশ্বাসী ও তাদের আধ্যাত্মিক নেতাদের উপর আক্রমণ করার অর্থে নাস্তিকতা এবং বিশেষত কমিউনিজম যে ধর্মবিরোধী, এই প্রস্তাবনার বিরুদ্ধেও তাদের লড়তে হবে। কমিউনিস্টদের এও স্পষ্ট করতে হবে যে ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে তিনি যে অভিযোগ আনেন, তা কেবল মার্কসবাদী নন এমন যুক্তিবাদীদের ক্ষেত্রেই সত্য — যাদের কাছে ধর্ম ও ঈশ্বরের বিরুদ্ধে সংগ্রামই মতাদর্শগত সংগ্রামের আদি ও অন্ত। তার মতো ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে এবং ধর্মহীন-নাস্তিক কমিউনিস্টদের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতার ধারণাকে আজ কমিউনিস্টরা সমান উদ্যমে সমর্থন করেন। এ প্রসঙ্গেই স্পষ্টভাবে বোঝা দরকার যে ১৭-১৮শ শতাব্দীর ইউরোপীয় আলোকমপ্রাপ্তির যুগ ও রেনেসাঁ কীভাবে এবং কেন ধর্মের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিল। মধ্যযুগীয় ইউরোপ সামন্ততান্ত্রিক সমাজের গোঁড়া ধর্মীয় মতাদর্শে আকণ্ঠ নিমজ্জিত ছিল। খ্রিস্টান চার্চ ও তার নেতাদের ইনকুইজিশনের মত অনুশীলনগুলি সাধারণ মানুষের উপর সামন্তপ্রভু ও রাজাদের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে ব্যবহৃত হতো। তাই মধ্যযুগীয় ইউরোপে যখন আধুনিক গণতান্ত্রিক ধারণার হাওয়া প্রবাহিত হলো, তখন সামন্তশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পূর্বশর্ত হিসেবে ধর্মের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আলোকপ্রাপ্তদের নামতে হয়। কার্ল মার্কস যেমনটি বলেছিলেন, “যাবতীয় সমালোচনার সূচনা হয় ধর্মের সমালোচনা থেকেই”; সামন্তশাসনের সামাজিক-অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্তৃত্বের অবসান ঘটানোর জন্যই ইনকুইজিশন ও মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় চার্চের অন্যান্য বর্বর অনুশীলনের বিরুদ্ধে সংগঠিত সংগ্রাম পরিচালনা অপরিহার্য ছিল। এ প্রেক্ষাপটেই ১৮শ শতাব্দীর ইউরোপে ধর্ম ও রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ পৃথকীকরণের দাবি ওঠে। স্বাধীনতা, সমতা ও ভ্রাতৃত্ব- আলোকপ্রাপ্তদের তরফে উত্থাপিত এই তিনটি স্লোগান বাস্তবে রূপ দিতে হলে মধ্যযুগীয় চার্চ নেতাদের কঠোর আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়তেই হত। ১৯শ শতাব্দীর আধুনিক রেনেসাঁর উদ্ভব ভারতেও ‘যুক্তিবাদ’ (মার্কসবাদী নন) নামে পরিচিত এক ধারার জন্ম দিয়েছিল। ধর্মের সমালোচনায় মার্কসবাদীরা যেমনটি মনে করেন এ ধারার প্রবক্তাদের জন্য সে কাজে কোনও সাধারণ সমালোচনার শুধু সূচনাই হয়নি, পরিসমাপ্তিও হয়েছিল। মার্কসবাদীরা তাদের মধ্য থেকেই বেরিয়ে এলেন এবং ধর্ম ও ঈশ্বরের সমালোচনাকে জমিদার-বুর্জোয়া শাসক শ্রেণির বিরুদ্ধে সংগঠিত গণআন্দোলনের অংশ করে তুললেন। বাদবাকি যুক্তিবাদীরা কেবল ধর্মের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখলেন। মার্কসবাদীদের কাছে ধর্ম হল শ্রমিক শ্রেণির মতাদর্শ ও অনুশীলনের বিরুদ্ধে বুর্জোয়াদের সংগ্রামের জন্য ব্যববহৃত মতাদর্শগত অস্ত্রভাণ্ডারের একটি হাতিয়ার বিশেষ। জমিদার-বুর্জোয়া শ্রেণির শোষণ থেকে শ্রমজীবী মানুষের সর্বাত্মক মুক্তির জন্য ধর্মবিশ্বাসী ও ধর্মহীন যোদ্ধাদের মধ্যে ঐক্য ছিল এক মতাদর্শগত কর্মসূচি। মার্কসবাদীরা নিঃসন্দেহেই ধর্মের বিরুদ্ধে একটি মতাদর্শকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে লড়েন, কারণ ধর্ম শ্রেণিসংগ্রামে লড়াইয়ে উদ্যত জনগণকে বিপথগামী করে। শ্রমজীবী জনগণ— বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী উভয়দেরই শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ করার পরিবর্তে, ধর্ম জনগণকে এ শান্তনায় ভুলিয়ে রাখে যে বুর্জোয়া-জমিদার শাসিত এ পৃথিবীতে কষ্ট সহ্য করলে ‘পরজগতে’ ‘স্বর্গ’ পাওয়া যাবে। তাই মার্কসবাদীরা শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী মতাদর্শ প্রচারকে নিজেদের পবিত্র কর্তব্য বলে মনে করেন, যা বস্তুবাদী দর্শনের উপর প্রতিষ্ঠিত। দলের প্রতিটি সদস্য, দলকে শক্তিশালী করতে প্রস্তুত প্রতিটি মানুষকে তাই বস্তুবাদের — সাধারণ বস্তুবাদ নয়, দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের — ধারণা প্রচারে নিজেদের ভূমিকা পালন করতে হবে। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদই মার্কসকে ঐ ঘোষণায় সক্ষম করে যে “শ্রমিক শ্রেণিতে দর্শন নিজের বস্তুগত হাতিয়ার খুঁজে পায়, আর দর্শনে শ্রমিকশ্রেণি খুঁজে পায় নিজেদের আত্মিক অস্ত্র।” শ্রমজীবী মানুষকে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের নীতিমালায় শিক্ষিত করা তাই এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যা দলের প্রতিটি সদস্যকে, দলের সদস্য হতে ইচ্ছুক প্রতিটি মানুষকে নিজেদের দায়িত্বে নিতে হবে। তবে মার্কসবাদীরা একথাও জানেন যে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী চেতনা, দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের চেতনা — যারা অর্জন করেছেন তারা প্রতিটি দেশের জনগণের মধ্যে এক ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু অংশ। প্রত্যয়ী মার্কসবাদী-লেনিনবাদীরা সংখ্যালঘু হওয়ায়, সেই বিপুল জনগণকেও তাদের সঙ্গে নিতে হবে যারা কোনো না কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন, পালন করেন ও প্রচার করেন। এ দৃষ্টিকোণ থেকেই তারা বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীদের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতার নীতির পক্ষে কথা বলেন। সুতরাং অবস্থাটি এরকম- মার গ্রেগোরিওসের মতো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে খ্রিস্টীয় মূল্যবোধের প্রচারের স্বার্থেই বিশ্বাসী ও কমিউনিস্টদের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতা সংগঠিত করা প্রয়োজন; আর বর্তমান সমাজের সমস্ত পচনের বিরুদ্ধে সাধারণ সংগ্রামে সকলকে ঐক্যবদ্ধ করার ধারণা থেকে যাত্রা শুরু করে বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী এবং তাদের ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে মার্কসবাদীরা সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ধর্মীয় নেতাদের থেকে তাদের ধর্মীয় মতবাদ ও অনুশীলনে বিশ্বাস ত্যাগ করার আশা যেমন তারা রাখেন না, তেমনি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত নিজস্ব মতাদর্শ থেকে সরে আসতেও মার্কসবাদীরা প্রস্তুত নন। বিশ্বাসী ও মার্কসবাদীদের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতার জন্য নিজের মতাদর্শগত অবস্থান না ছেড়েই অপরজন কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন তাকে বোঝা এবং ব্যবহারিক জীবন ও সংগ্রামে পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। তাই ধর্মনিরপেক্ষতাকে স্বতঃসিদ্ধভাবে একটি ধর্মবিরোধী আন্দোলন হিসাবে বোঝার কোনো ভিত্তি নেই — যে অবস্থানে ১৮শ শতাব্দীর ইউরোপীয় আলোকপ্রাপ্তরা ছিলেন এবং আজও ভারতের অ-মার্কসবাদী যুক্তিবাদীরা রয়েছেন। মার গ্রেগোরিওসের মতো প্রগাঢ় বিশ্বাসীরা কমিউনিস্টদের পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সহজেই নিজেদের স্থান খুঁজে নিতে পারেন। শুধু একটি বিষয় লক্ষণীয়, সাধারণ ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী ও নাস্তিক উভয়দেরই পরস্পরের বিশ্বাস ও অনুশীলনকে বুঝতে হবে, সহ্য করতে হবে এবং শ্রদ্ধা করতে হবে। একটি ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলার এটিই একমাত্র শর্ত। এ বিষয়টি স্পষ্ট করার পর মার গ্রেগোরিওসের ঐ প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে যে সাংস্কৃতিক ও নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তি ধর্ম। এমনকি সবচেয়ে কট্টর কমিউনিস্টবিরোধীও স্বীকার করবেন যে মার্কস, এঙ্গেলস, লেনিন ও তাদের অনুসারীরা উচ্চস্তরের নৈতিক ও রাজনৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ। তাদের জীবন ছিল সংগ্রামী, অসংখ্য যন্ত্রণা ও নির্যাতন তারা সহ্য করেছেন। তারা এসব সহ্য করেছেন কারণ তারা এমন এক লক্ষ্যের জন্য কাজ করছিলেন ও লড়ছিলেন যার প্রতি তারা নিজেদের উৎসর্গ করেছিলেন। ঐ উচ্চস্তরের নৈতিক মূল্যবোধই তাদের দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদের মতাদর্শের ফসল। বিপ্লবের লক্ষ্যে নিষ্ঠা, ‘পরজগতে’ নয়, এ পৃথিবীতেই একটি স্বর্গ গড়ার স্বপ্ন— এই হল মার্কসবাদী-লেনিনবাদী মানবতাবাদের ভিত্তি। ধর্মীয় নেতাদের যথাযোগ্য সম্মান রেখেই বলা যায় যে মানবসেবায় নিষ্ঠার বিচারে মার্কস, এঙ্গেলস ও লেনিনের সমকক্ষ আর কেউ নেই— যা সর্বোত্তম ধর্মীয় নেতাদের মতে ‘ঈশ্বরের সেবা’র সামিল। তাহলে কেন আমরা জোর দিয়ে বলব যে শুধু রাজনীতিতে নয়, সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবনেও ধর্মনিরপেক্ষতা থাকা উচিত? এর উত্তর, ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ সকল ধর্মের প্রতি এবং ধর্মহীনদের প্রতিও সমান শ্রদ্ধা। সকল ধর্মের প্রতি এবং ধর্মহীনদের প্রতি সমান শ্রদ্ধার দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হলে তবেই সহিষ্ণুতা বজায় থাকবে এবং প্রতিটি ব্যক্তি যে কোনো ধর্মে বিশ্বাস করতে, পালন করতে ও প্রচার করতে, অথবা কোনও ধর্মেরই অনুসারী না থাকতে স্বাধীন থাকবেন। এমন সমান শ্রদ্ধা ও সহিষ্ণুতাই একটি সুসংস্কৃত সমাজ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
ঐ প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল What Secularism means in Politics and Socio-Cultural Life?, এই লেখার শিরোনাম ওয়েবডেস্কের নিজস্ব প্রকাশের তারিখ: ১৩-জুন-২০২৬ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|