উপাসনার স্থানসমূহ সংক্রান্ত আইন (১৯৯১)-কে মান্যতা দিতে হবে

Unknown
১৯৯১ সালে প্রণীত বিধানটির লক্ষ্য ও অবস্থানের গুরুত্ব মাথায় রেখেই কঠোরভাবে এই আইন প্রয়োগের জন্য নিজেদের সোচ্চার সমর্থনকেই পুনর্ব্যক্ত করছে সিপিআই(এম)।

১৩ সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার, ২০২২

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র পলিট ব্যুরোর বিবৃতি:

জ্ঞানবাপি মসজিদ মামলায় বারাণসীর জেলা আদালতের সিদ্ধান্তে ১৯৯১ সালের উপাসনা স্থান সংক্রান্ত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে। আদালত বলেছে মসজিদের অভ্যন্তরে প্রার্থনার অধিকার চেয়ে দায়ের হওয়া মামলাগুলি গ্রহণযোগ্য এবং উল্লিখিত আইনে এমন ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই।

অনভিপ্রেত ঘটনা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যেই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছিল, বিচার বিভাগেরই একাংশের দ্বারা সেই আইনের ভুল ব্যাখ্যায় পরিস্থিতি ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগোবে। কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে আক্রমণ করার লক্ষ্যে ইতিহাসের বিকৃত ব্যখ্যা সহ যা খুশি তাই করতে চায়- এটা কোনও গোপন বিষয় নয়। ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করার লক্ষ্যেই বিভিন্ন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের জায়গাতেই মসজিদগুলির নির্মাণ করা হয়েছিল, এমন দাবী তোলা হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের লক্ষ্যেই এই দাবী তোলা হচ্ছে, এই কৌশল সাম্প্রদায়িক রাজনীতির এক অতি পরিচিত পদ্ধতি।

মথুরা ও বারাণসীর মতো ঘটনা যেখানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আবেদন করা হচ্ছে এমন পরিস্থিতিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ জাতীয় স্বার্থকে অক্ষুন্ন রাখাই ছিল ১৯৯১ সালে প্রণীত উপাসনা স্থানসমূহ সংক্রান্ত আইনটির প্রধান লক্ষ্য। ১৯৯১ সালে প্রণীত বিধানটির লক্ষ্য ও অবস্থানের গুরুত্ব মাথায় রেখেই কঠোরভাবে এই আইন প্রয়োগের জন্য নিজেদের সোচ্চার সমর্থনকেই পুনর্ব্যক্ত করছে সিপিআই(এম)।


প্রকাশের তারিখ: ১৩-সেপ্টেম্বর-২০২২

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org