|
বিশ্বপরিস্থিতি ও ন্যাটোSatyaki Bhattacharya |
ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড আর ওয়ার্ল্ড ব্যাংক তৈরি হল পৃথিবীর ওপর ফাইন্যান্সিয়াল ডিসিপ্লিন মোতায়েন করার জন্য। ব্রেটন উড্স চুক্তির মাধ্যমে স্থির হল প্রতি আউন্স সোনার দাম হবে ৩৫ ডলার আর সমস্ত অন্য মুদ্রা মার্কিন ডলারের সাথে প্রায় পেগড থাকবে। পেগড মানে তাদের মূল্য মার্কিন ডলারের তুলনায় খুব একটা বাড়ানো কমানো যাবে না। |
ছোটবেলায় মানে যখন এ রাজ্যে লাল ঝাণ্ডা উড়ত, তখন বাবা কাকাদের কাছে শুনতাম, ন্যাটো মানে নর্থ আটলান্টিক টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশন। ক্রমে পশ্চিমবঙ্গ রং পাল্টালো। বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম আমাদের জানালো কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি গণধর্ষণের জন্য দায়ী, গণহত্যাকারী এক সাংঘাতিক ক্রূর লোক। আমাদের মাথায় ঢুকল সুসভ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমী বিশ্ব পরিচালিত পথে এগোনোই হল কাজের কথা। ক্রমে প্যালেস্টাইনের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করে আদানীর কল্যাণে ইজরায়েলি এলবিট কোম্পানির সাথে সহযোগিতার ভিত্তিতে আমরা প্যালেস্টাইনে গণহত্যায় মদত দিতে শুরু করলাম। এ লেখার উদ্দেশ্য অবশ্য নিছক বিবেক জাগানো নয়, ন্যাটোর চরিত্র বিশ্লেষণ করাই আপাতত লক্ষ্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের আগেই মার্কিন জেনারেল প্যাটনের পরিকল্পনা অনুযায়ী কিছু পরাজিত নাৎসী ওয়াফেন এসএস ইউনিটকে মার্কিন থার্ড আর্মির অন্তর্ভুক্ত করে সোভিয়েত আক্রমণের ছক হয়। প্যাটনের বক্তব্য ছিল, ‘সোভিয়েতের সাথে তো একদিন যুদ্ধ হবেই।’ আর যুদ্ধের পর সোভিয়েতে নাৎসী ইন্টেলিজেন্সের কর্তা জেনারেল গেহলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করলে তাকে এবং তার সংস্থাকে ব্যবহার করতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এই আলোচনার মধ্যে অ্যালান দুলেস স্বয়ং উপস্থিত ছিল। সে যাই হোক, মার্কিন বশ্যতাধীন পশ্চিম জার্মানিতে প্রাক্তন নাৎসী অফিসিয়ালরা আবার তাদের পদ ফিরে পেলো, এবং গেহলেনের সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নে কাজ করতে থাকল। মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অফিসার জন লফটাস জানিয়েছেন কীভাবে হাজার হাজার হাঙ্গেরিয়, ক্রোট ও ইউক্রেনীয় ফ্যাসিস্টকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। বলা চলে সিআইএ’র প্রোটো ভার্সন এদের মধ্যেই ছিল। আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পশ্চিম জার্মানির আমলাতন্ত্রে প্রাক্তন নাৎসীরা অনায়াসে নিজেদের স্থান পেয়ে গেল। ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে অন্তত ৮০% পদে আবার তারাই ক্ষমতায় চলে এলো। পশ্চিম জার্মানির ন্যাটো অন্তর্ভুক্তির সময়ে প্রধান আলোচক হিসেবে উঠে এলো নাৎসী হানস স্পিডেল। ন্যাটোর মিলিটারি কমিটির চেয়ারম্যান পদে ১৯৬১ সালে নিযুক্ত হল কুখ্যাত নাৎসী অ্যাডল্ফ হিউসিঙ্গার। সোজা ভাষায় যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত মিলিটারি জোটে নাৎসীরা শুধু অনায়াস আশ্রয় পায়নি, রীতিমত নন্দিত হয়েছে। ১৯৪৯ এ যখন ন্যাটো তৈরি হচ্ছে, তার পিছনে মূল যুক্তি ছিল, ‘সোভিয়েত আগ্রাসনকে প্রতিহত করা’। অথচ তথ্য বলছে, ১৯৪৮ এর মধ্যে সোভিয়েত তার সক্রিয় সেনা সদস্য সংখ্যা ১ কোটির বেশি থেকে কমিয়ে ২৮ লক্ষে নিয়ে আসেন। যুদ্ধে ২৭ কোটি মানুষের মৃত্যু, ৬০ লক্ষ বাড়ি ধ্বংস, ৩১ হাজার শিল্প কারখানা, ৬৫ হাজার কিলোমিটার রেলওয়ে এবং প্রায় ৯০ হাজার কিলোমিটার হাইওয়ে ধ্বংসের পর সোভিয়েত মিলিটারির মূল কাজ ছিল সেগুলো সারিয়ে তোলা। তাছাড়া বিশ্বের যাবতীয় শিল্প উৎপাদন ক্ষমতার ৬৭% নিজের বর্ডারের মধ্যে রাখা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনওরকম যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা বা ইচ্ছা কোনওটাই ক্লান্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের ছিল না। তবু ন্যাটো তৈরি হল। তবু ১৯৮৭ সালে বেহায়াপনার চরম নিদর্শন দেখিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমসে উইলিয়াম সাফায়ারের লেখা বেরোলো : ‘শুধু ন্যাটোর জন্যই দুই প্রজন্ম রুশদের প্রতিহত করা গেছে।’ এ প্রসঙ্গে একটা কথা বলে রাখা ভাল। ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জাতীয় স্বার্থ মানে পুঁজিপতিদের স্বার্থ। তাই জার্মান মিলিটারির জন্য অস্ত্র বানানো জেনারেল মোটরসের কারখানায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে মার্কিন বোমা পড়লে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার ক্ষতিপূরণ দিত জেনারেল মোটরসকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উদ্দেশ্য প্রধানত ছিল ক্ষ্যাপা কুকুরের দল ফ্যাসিস্টদের লেলিয়ে দিয়ে সোভিয়েত ধ্বংস করা, এবং বিপুল সম্পদের দখল নিয়ে বিশ্বজোড়া পুঁজিবাদের সংকটকে কিছুদিনের জন্য পিছিয়ে দেওয়া। খেলা সেরকম হয় নি। মার্কিন ব্যাংকারদের থেকেই ঋণ নিতে নিতে জেরবার হওয়া জার্মানি চেষ্টা করে গেছে নিজের পুঁজিপতিদের স্বার্থরক্ষার। আন্তঃ সাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। নাহলে সোভিয়েত ফিনল্যান্ড যুদ্ধের সময়ে ফিনল্যান্ডকে অকুণ্ঠ সাহায্য করা ব্রিটেন ও ফ্রান্স হঠাৎ সোভিয়েতের পক্ষে এল কেন? কুকুর লেলিয়ে সোভিয়েত ধ্বংস হল না। বিপুল রক্ত দিয়ে সাম্রাজ্যবাদী ফ্যাসিস্টদের পরাজিত করল সোভিয়েত। সমাজতন্ত্রের অসীম ক্ষমতা তখন আফ্রিকা, এশিয়ার উপনিবেশ শাসনে জর্জরিত দেশগুলোর কাছে অবাক বিস্ময়। পশ্চিমের সাম্রাজ্যবাদীদের আধিপত্য হয়তো টিকবে না। তাই ন্যাটো। মার্কিন নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ১২টি দেশের গুণ্ডা সংগঠন। কথা ছিল ন্যাটো আর পূর্ব দিকে যাবে না, এবং ন্যাটোর ভূমিকা হল সোভিয়েত আগ্রাসনকে প্রতিরোধ করা। কিন্তু সোভিয়েত এখন আর নেই। এবং ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২। বিশ্বযুদ্ধোত্তর কালে যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট অসভ্যতা, গণহত্যা করা সত্ত্বেও, ন্যাটো সরাসরি কোথাও যুক্ত হয় নি। প্রথম হল যুগোস্লাভিয়ায়। ইউরোপের শেষ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে টুকরো করে, কসোভো নামক কৃত্রিম রাষ্ট্র তৈরি করে বিরাট সামরিক ঘাঁটি বানালো সেখানে। পরিকল্পিত গণহত্যার কোনও প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও সার্বদের সাজানো হল দানব। অন্যদিকে বসনিয়ানরা নিরীহ। সেসময়ের শিল্পোন্নত যুগোস্লাভিয়া আজ ভেঙে গেছে এবং দেশগুলো প্রায় পর্যটন নির্ভর। এর পরের উদাহরণ লিবিয়া, ইরাক, সোমালিয়া আর ইউক্রেন, অবশ্য ইউক্রেনের বিষয়টি অফিসিয়াল নয়! এবার ব্যাপারটির অর্থনীতিটুকু একটু বোঝা যাক। ন্যাটোকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের থেকে আলাদা করে দেখা সম্ভব না। ১৯৪৫ এর পর বিশ্বের যাবতীয় শিল্প উৎপাদন ক্ষমতার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্রের। পৃথিবীর সোনা রিজার্ভের অর্ধেকের বেশি ছিল শুধু যুক্তরাষ্ট্রে। অতএব যুক্তরাষ্ট্র হয়ে দাঁড়ালো উত্তমর্ণ। মার্কিন ডলার হল সারা পৃথিবীর বৈদেশিক রিজার্ভ মুদ্রা। অতএব ব্যবসা করতে গেলে এর মাধ্যমেই করতে হবে। ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড আর ওয়ার্ল্ড ব্যাংক তৈরি হল পৃথিবীর ওপর ফাইন্যান্সিয়াল ডিসিপ্লিন মোতায়েন করার জন্য। ব্রেটন উড্স চুক্তির মাধ্যমে স্থির হল প্রতি আউন্স সোনার দাম হবে ৩৫ ডলার আর সমস্ত অন্য মুদ্রা মার্কিন ডলারের সাথে প্রায় পেগড থাকবে। পেগড মানে তাদের মূল্য মার্কিন ডলারের তুলনায় খুব একটা বাড়ানো কমানো যাবে না। ধরা যাক কোনও দেশ নিজের রপ্তানি বাড়াতে চায়। সেক্ষেত্রে নিজেদের মুদ্রার দাম কমিয়ে দিলে সুবিধে। কিন্তু সেটা করতে পারবে না। ভিয়েতনামে যুদ্ধের উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা বোঝানো সুবিধে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ডলার ছাপিয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়ার মাধ্যমে বিপুল খরচ করতে লাগল। এসব দেশের ব্যবসায়ীরা নিজেদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ডলার জমা দিয়ে নিজস্ব মুদ্রা নিয়ে নিল। এই ব্যাংকগুলো দেখল দেশে স্রেফ মুদ্রার পরিমাণ বেড়ে চলেছে। ফলে প্রবল মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে। যেহেতু এই মুদ্রাগুলোর সাথে মার্কিন ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট নির্দিষ্ট তাই বলা যায় স্রেফ নোট ছাপিয়ে অন্য দেশে পাঠিয়ে সেখানে ইনফ্লেশন রপ্তানি করছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্রমশ এই মোট ছাপানো নোটের পরিমাণ এমন জায়গায় পৌঁছল যে ৩৫ ডলার/আউন্স সোনার দর নেহাতই অমূলক হয়ে দাঁড়ালো। ফলে বাকি দেশগুলি আর ঠকতে না চেয়ে ডলার ফেরত দিয়ে সোনা ফিরিয়ে নিতে থাকে। এই করে ১৯৭০ নাগাদ ব্যাপারটা এত চরমে পৌঁছল যে ১৯৭১ সালে নিক্সন ঘোষণা করে দিল ডলার আর সোনার বিযুক্তি। কিন্তু ডলার তখনও সারা বিশ্বের ফরেন রিজার্ভ মুদ্রা হয়ে থাকল। এখনকার ব্যবস্থা হল : যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারক কোনও দেশে এসে ডলার দিয়ে পণ্য কিনবে। সেই দেশের রপ্তানিকারক নিজের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গিয়ে ডলারের বদলে নিজের মুদ্রা নেবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবার মার্কিন ট্রেজারিকে সেই ডলার ঋণ হিসেবে দিয়ে বদলে একটা ট্রেজারি বন্ড নেবে। ব্যাস। মিটে গেল। অর্থনীতিবিদ মাইকেল হাডসন বলছেন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের শ্রমের বিনিময়ে নিজের খাবার অর্জন করে। স্রেফ ডলার ছাপিয়ে। ঘটনা হল, এতদিনও এটাই চলছিল। কিন্তু সোনার আড়ালে। এবার সোনা সরে গিয়ে চুরি ব্যাপারটা সরাসরি আরম্ভ হল। যুক্তরাষ্ট্র ডলার ছাপায়। সারা পৃথিবীর শ্রম দিয়ে তৈরী পণ্য ও পরিষেবা কেনে সেই ডলার দিয়ে। তারপর আবার ট্রেজারি বন্ডের বদলে সেই ডলার ফেরত নিয়ে নেয়। অর্থাৎ মার্কিন কারেন্ট একাউন্ট ডেফিসিট চলছে। যুক্তরাষ্ট্র পণ্য ও পরিষেবা কিনছে বেশি, বেচছে কম। আর এটা বাকি দেশগুলো পুষিয়ে দিচ্ছে মার্কিন ক্যাপিটাল একাউন্ট সারপ্লাস তৈরী করে, অর্থাৎ মার্কিন ট্রেজারি সিকিওরিটি কিনে। সারা বিশ্বকে ডলার দিয়ে ভরিয়ে আবার সেই ডলার ফেরত নেওয়ার নামই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। এমন সিস্টেম লোকে মানবে কেন? অন্যান্য দেশ যদি এরকম ডেফিসিটে চলে তাহলে আইএমএফ এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংক তাদের চাপ দেবে তাদের জনগণের ওপর অস্টারিটি প্রোগ্রাম চাপাতে, জাতীয় সম্পদের বেসরকারিকরণ করতে। অতএব, জায়গায় জায়গায় অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের অধিকারের কথা উঠে এসেছে। কর্নেল গাদ্দাফির মত নেতারা আফ্রিকার মধ্যে নিজস্ব মুদ্রায় ব্যবসার কথা বলেছেন। কিন্তু এ তো মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মূলে আঘাত! মার্কিন ডলার ত্যাগ করার অর্থ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এবার বাকি সবার মতই ‘খেটে খেতে হবে’। অতএব শকুনের দল নেমে পড়ে এই ধরণের উচ্চাকাঙ্খী সরকারকে সরাতে। এ কারণেই সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরেও ন্যাটোর বৃদ্ধির প্রয়োজন হয়। কারণ সার্বভৌমত্বের আকাঙ্ক্ষা রুশ জাতীয় বুর্জোয়ার মধ্যেও বিদ্যমান। ব্যাপারটা কোনওদিনই কমিউনিস্টদের আক্রমণ প্রতিহত করার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। ছিল যেকোনও সার্বভৌম অর্থনীতিকে শেষ করার প্রচেষ্টা। এখানে ইউরোপের ভূমিকা কী? এরা মূলত ধামাধারী। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের লুঠের ভাগ পায় এরা। এদের বড় বড় কর্পোরেশনের শেয়ার মার্কিন ব্যাংকদের মালিকানাধীন থাকে। এদের বলা যায় দ্বিতীয় স্তরের সাম্রাজ্যবাদী। এদের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এশিয়ার কাছে, আফ্রিকার ঘাড়ের পাশে অজস্র সেনা শিবির রাখে। আফগানিস্তানে ন্যাটো শিবিরের মাধ্যমে তুরকিস্টান ইসলামিক পার্টির জঙ্গীদের শিনজিয়াং থেকে বের করে সিরিয়ায় যুদ্ধ করতে এবং প্রশিক্ষণ নিতে পাঠিয়ে আবার শিনজিয়াং দিয়ে চীনের মধ্যে সন্ত্রাস ছড়ানোর উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ খোদ হামিদ কারজাই করেছেন। ন্যাটো হল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের রক্ষক শক্তি, প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবস্থাকে যেন-তেন-প্রকারেণ ধ্বংসের শক্তি। ন্যাটো- মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস হোক। আমাদের শ্রমের বিনিময়ে পরজীবী আগাছাদের খাওয়াতে খাওয়াতে আমরা ক্লান্ত।
১. সুপার ইম্পিরিয়ালিজম, মাইকেল হাডসন। ২. অ্যাট্রোসিটি ফেব্রিকেশন অ্যান্ড ইটস কনসিকোয়েনসেস, এ. বি. আব্রামস। ৩. দ্য সোর্ড অ্যান্ড দ্য ডলার, মাইকেল প্যারেন্তি। ৪. ব্ল্যাকশার্টস অ্যান্ড রেডস্, মাইকেল প্যারেন্তি। ৫. অ্যানাদার ভিউ অফ স্টালিন, লুডো মার্টেন্স। ৬. উইকিপিডিয়া। ব্যবহৃত ছবিঃ সোশ্যাল মিডিয়া প্রকাশের তারিখ: ২৬-আগস্ট-২০২৫ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|