ধ্বংসের আগুন নাকি মুক্তির আগুন!

Samik Lahiri
মানুষ হওয়ার দৌড়। যেখানে শিক্ষা থাকবে। শ্রমের মর্যাদা থাকবে। বেকারের হাতে কাজ থাকবে। ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা হবে অধিকার। নারীর সম অধিকার থাকবে। ইতিহাস থাকবে। মতবিরোধ থাকবে। গণতন্ত্র থাকবে। প্রশ্ন থাকবে।
রাতের অন্ধকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা দিয়ে কারা ঢোকে?
তাদের হাতে বই নেই — আছে ভাঙার হাতুড়ি।
তাদের মুখে যুক্তি নেই — আছে হিংসার হুঙ্কার।
তাদের চোখে স্বপ্ন নেই — আছে দখলের নেশা।
তাদের হাতে কলম নেই – আছে ধ্বংসের আগুন।

কিন্তু এ শুধু একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক রাতের গল্প নয়। এ এমন এক সময়ের গল্প, যখন সমাজের প্রতিটি দরজায় যেন একই প্রশ্ন কড়া নাড়ছে — আমরা কি উপরের দিকে উঠছি, না কি নিচের দিকে নামার এক প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছি? নিচে নামার প্রতিযোগিতা অর্থাৎ Race to the Bottom. 
মজুরি কমাও।
অধিকার কমাও।
শিক্ষার পরিসর কমাও।
প্রশ্ন করার জায়গা কমাও।
ইতিহাসের জায়গা কমাও।
বিরোধিতার জায়গা কমাও।
তারপর মানুষের ভয় বাড়াও।
শেষ পর্যন্ত এমন একটা সমাজ তৈরি করো, যেখানে মানুষ শুধু বেঁচে থাকবে — কিন্তু প্রশ্ন করবে না।
যাদবপুরের রাত সেই বৃহত্তর ছবির একটা দৃশ্য মাত্র।
যাদবপুর শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়। উচ্চতর জ্ঞানচর্চা, মুক্তচিন্তা, বিতর্ক, মতবিরোধ এবং  ছাত্র রাজনীতির দীর্ঘ ঐতিহ্যের সঙ্গে  তার নাম জড়িয়ে আছে।সেখানে মতের লড়াই হবে — এটাই স্বাভাবিক। বাম থাকবে, দক্ষিণপন্থী থাকবে, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন থাকবে, স্বাধীন ছাত্রও থাকবে। কিন্তু গণতান্ত্রিক রাজনীতি আর রাজনৈতিক সন্ত্রাস এক জিনিস নয়।
তবে এই গেস্টাপো বাহিনী জানে কি ইতিহাসের লিখন?
যুক্তিকে ইট দিয়ে হারানো যায় না।
আগুন দিয়ে চিন্তাকে পুড়িয়ে ফেলা যায় না।
বাহিনী নামিয়ে ইতিহাসকে থামানো যায় না।

কিন্তু আজকের বিপদটা আরও গভীরে।
কারণ ফ্যাসিবাদ সবসময় প্রথমে বন্দুক নিয়ে আসে না। অনেক সময় সে আসে একটা কথা নিয়ে — ‘ওরা শত্রু।’ তারপর আসে ‘ঘৃণা’। তারপর আসে ‘ভয়’। তারপর আসে ‘বাহিনী’। তারপর যুক্তির জায়গা নেয় লাঠি। অবশেষে একদিন মানুষ বুঝতে পারে — সে আর প্রশ্ন করতে পারছে না!
সেখানেই বিপদ।
কারণ যে সমাজে প্রশ্ন করার অধিকার সংকুচিত হয়, সেখানে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় বিপন্ন হয় না -  গণতন্ত্রও বিপন্ন হয়।
আর এই জায়গাতেই যাদবপুরের রাতের সঙ্গে লেনিনের মূর্তি ভাঙার গল্পের দেখা হয়ে যায়।
একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা ভাঙা এবং একটি মূর্তি ভাঙা দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা ঘটনা। কিন্তু দুটোর মধ্যে একটি আশ্চর্য মিল আছে। দুটোই প্রশ্নকে ভয় পায়।
একটা প্রশ্নকে ভয় দেখাতে চায়।
অন্যটা প্রশ্নের স্মৃতিকে মুছে দিতে চায়।
একটা বলে — চুপ করো।
অন্যটা বলে — ভুলে যাও।
কিন্তু মানুষ কি এত সহজে ভুলে যায়!

পাথরের মূর্তি ভাঙা যায়। বই পুড়িয়ে দেওয়া যায়। লাইব্রেরি বন্ধ করা যায়। বক্তাকে চুপ করানো যায়। সংবাদপত্র বন্ধ করা যায়।
কিন্তু মানুষের মাথায় জন্ম নেওয়া প্রশ্ন? তাকে কী দিয়ে ভাঙবে ওরা? হাতুড়ি দিয়ে? বুলডোজার দিয়ে?
লেনিনের স্মৃতিকে ঘিরে প্রশ্নটি এখানেই। একটা মূর্তি নিজে কাউকে আক্রমণ করে না। সে ভোট চায় না, কর নেয় না, কাউকে ছাঁটাই করে না। তবু তাকে ভাঙার এত তাড়া কেন?
কারণ পাথর ভাঙা সহজ। তবে স্মৃতি ভাঙা কঠিন।
আর স্মৃতি যখন প্রশ্ন করতে শেখায়, তখন তাকে নিয়ন্ত্রণ করা আরও কঠিন।
লেনিনের মূর্তি মানে তো একটাই প্রশ্ন  — কেন পৃথিবীর অল্প কয়েকজন মানুষের হাতে এত সম্পদ, আর কোটি কোটি মানুষের হাতে এত কম?
লেনিনের মূর্তি মানে তো একটাই উত্তর – পাল্টে দাও এই অসম ব্যবস্থা। রাষ্ট্র চলবে মানুষের জন্য। 
এই প্রশ্নের কোনও জাতীয়তা নেই। এই সমাধানের দিকে তাকিয়েই লড়ছে পৃথিবী। ক্ষুধার পাসপোর্ট নেই। শ্রমের সীমান্ত নেই। শোষণেরও কোনও পতাকা নেই।
লেনিন ভারতীয় ছিলেন না। কিন্তু ভারতীয় শ্রমিকের সংগ্রামের মধ্যে তিনি যে সম্ভাবনা দেখেছিলেন, তার কারণ ছিল মানুষের মুক্তির প্রশ্ন কোনও এক দেশের সম্পত্তি নয়।
এখানেই আজকের ‘Race to the Bottom’-এর আসল রহস্য।
পুঁজির প্রতিযোগিতা যত তীব্র হয়, শ্রমের দাম কমানোর চাপ ততই বাড়ে।
স্থায়ী কাজের বদলে চুক্তির কাজ।
নিরাপত্তার বদলে অনিশ্চয়তা।
অধিকারের বদলে সুযোগ।
সংগঠনের বদলে ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতা।
শিক্ষার বদলে বাজার।
মানুষের বদলে শ্রম বাজার।

এ যেন একই ইঁদুর দৌড় — কে আরও কম মজুরিতে কাজ করবে, কে আরও কম অধিকার নিয়ে বাঁচবে, কে আরও বেশি সময় কাজ করবে, কে আরও কম প্রশ্ন করবে!
কিন্তু এই দৌড়ের শেষ কোথায়?
আজ কারখানায় ছাঁটাই।
কাল চুক্তিভিত্তিক শ্রম।
আজ ডিগ্রি আছে, কাজ নেই।
কাল কাজ আছে, নিরাপত্তা নেই।
আজ কৃষকের ঋণ।
কাল জমি হারানোর ভয়।
আজ বহুতল উঠছে।
পাশেই উচ্ছেদ।
আজ শেয়ারবাজারে উল্লাস।
পাশেই মজুরির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিক।
একদিকে অঢেল সম্পদ।
অন্যদিকে জীবনের হিসাব।

এই বৈপরীত্যই আগুনের জ্বালানি। কোনও বিপ্লবী মানুষের রাগ তৈরি করেন না। মানুষের জীবনই সেই রাগ তৈরি করে।

ক্ষুধা নিজেই রাজনৈতিক।
বেকারত্ব নিজেই রাজনৈতিক।
অপমান নিজেই রাজনৈতিক।
আর যখন সেই ক্ষোভকে সংগঠিত হওয়ার পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তখন তার জায়গা দখল করতে পারে ঘৃণা।
এটাই Race to the Bottom-এর রাজনৈতিক সংস্করণ।
তোমার মজুরি কম?
ওকে দোষ দাও।
তোমার চাকরি নেই?
ওদের দোষ দাও।
তোমার বাড়ি নেই?
ওরা তোমার জায়গা নিয়েছে।
তোমার ভবিষ্যৎ নেই?
ওরাই শত্রু।

শ্রেণির প্রশ্নকে সরিয়ে পরিচয়ের প্রশ্নকে সামনে আনা হয়। শ্রমের প্রশ্নকে সরিয়ে ধর্মের প্রশ্নকে সামনে আনা হয়। অর্থনৈতিক বৈষম্যকে আড়াল করতে ঘৃণার বাজার তৈরি হয়।

আর তখনই মানুষ ভুলে যায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — উৎপাদনের ফল কে পায়?

কে সম্পদ তৈরি করে?
কে সেই সম্পদের মালিক?
কে শ্রম দেয়?
কে মুনাফা নেয়?
যে সমাজে এই প্রশ্নগুলো করা হয় না, সেখানে ইতিহাসও নিরাপদ থাকে না।

তাই লেনিনের মূর্তি শুধু একটা মূর্তি নয়।

তারই পাশে দাঁড়িয়ে সাহস করে প্রশ্ন করা যায় — কেন শ্রমিকের শ্রমের মূল্য কম? কেন সম্পদ মাত্র কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত? কেন বেকার যুবকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত? কেন শিক্ষা পণ্য হয়ে ওঠে? কেন মানুষের পরিচয় তার শ্রমের চেয়ে তার ধর্মে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়?

আর এই প্রশ্নগুলিই ভয়ঙ্কর – ফ্যাসিস্ট গেস্টাপো বাহিনীর কাছে। 

কারণ লেনিনের মূর্তি শুধু ভোট চায় না। কিন্তু লেনিনের তোলা একটা প্রশ্ন মানুষকে সংগঠিত করে উথালপাথাল আন্দোলন গড়ে তুলতে পারে। 

যাদবপুরের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন একই।
কারা এসেছিল?
কারা তাদের এনেছিল?
কারা নেতৃত্ব দিয়েছিল?
কীভাবে বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ঢুকল?
প্রশাসন কী করছিল?
পুলিশ কোথায় ছিল?

এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ উত্তর প্রয়োজন। 

প্রশ্ন করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। কারণ প্রশ্নহীন অনুগত বিশ্ববিদ্যালয় আসলে প্রাণহীন রক্তহীন বিশ্ববিদ্যালয়। প্রশ্নহীন সমাজও গণতন্ত্র নয়।

আর প্রশ্নহীন মানুষ? সে শুধু একজন নাগরিকের ছদ্মবেশে বসবাসকারী ভীত মানুষ।
এখানেই যাদবপুরের রাত এবং লেনিনের মূর্তি আমাদের একই শিক্ষা দেয়।

দখলদারি এবং বিস্মৃতি — দুটোই ক্ষমতার অস্ত্র।

একটা বর্তমানকে দখল করে।
অন্যটা অতীতকে দখল করে।
একজন বলে — তুমি চুপ করো।
অন্যজন বলে — তুমি ভুলে যাও।
কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শক্তি হল — মানুষ বারবার মনে করতে শেখে।

১৯০৮-এর বোম্বাইয়ের শ্রমিকরা তিলকের গ্রেপ্তারকে নিজেদের অপমান হিসেবে দেখেছিলেন। লেনিন সেই ঘটনায় ভারতীয় শ্রমিক শ্রেণির রাজনৈতিক জাগরণের সম্ভাবনা দেখেছিলেন।

১৯১৭-তে রাশিয়ার শ্রমিক-কৃষকরা দেখিয়েছিল, ইতিহাস শুধু রাজাদের সম্পত্তি নয়।

ভারতেও স্বাধীনতার ইতিহাস শুধু সভাঘরে লেখা হয়নি। লেখা হয়েছে জেলে, কারখানায়, গ্রামের মাঠে, পুলিশের গুলির সামনে, তেভাগায়, তেলেঙ্গানায়, পুন্নাপ্রা-ভায়ালারে – সেখানে দুনিয়া কাঁপানো দশ দিনের গল্পও ছিল অন্যতম অনুপ্রেরণা।

আজ সেই ইতিহাসের জায়গায় যদি শুধু বাজারের ইতিহাস বসানো হয়?
যদি বলা হয় — যার টাকা বেশি, তার কণ্ঠস্বর বেশি?
যার ক্ষমতা বেশি, তার ‘সত্যি’ বেশি?
যে প্রশ্ন করে, সে ‘দেশবিরোধী’?
যে প্রতিবাদ করে, সে ‘শত্রু’?
যে ইতিহাস মনে রাখে, সে ‘পুরনো’?
তাহলে আমরা শুধু অতীত হারাব না। আমাদের ভবিষ্যৎও হারাব।
কারণ যে জাতি নিজের ইতিহাসের শ্রমিকদের ভুলে যায়, সে নিজের ভবিষ্যতের শ্রমিকদেরও অদৃশ্য করে ফেলে।
আর এই কারণেই Race to the Bottom কেবল অর্থনৈতিক ধারণা নয়। এটা রাজনৈতিক সতর্কবার্তা।
কোনও রাষ্ট্র যখন প্রতিযোগিতায় নেমে সিদ্ধান্ত নেয় — আরও কম মজুরি, আরও কম অধিকার, আরও কম স্বাধীনতা, আরও কম স্মৃতি, আরও কম প্রশ্ন — তখন সে আসলে উন্নতির দিকে নয়, অতল অন্ধকার গহ্বরের দিকেই দৌড়ায়।
কিন্তু ইতিহাসের আরেকটি শিক্ষা আছে। মানুষ সবসময় নিচে নামতে রাজি থাকে না।

কখনও শ্রমিক বলে — আমার শ্রমের দাম চাই।
কখনও কৃষক বলে — আমার জমি কেড়ে নিতে দেব না।
কখনও ছাত্র বলে — শিক্ষা পণ্য নয়।
কখনও বেকার যুবক বলে — আমার ভবিষ্যৎ বিক্রি হবে না।
কখনও নারী চিৎকার করে বলে – এই পৃথিবীতে আমারও আছে অধিকার।
আর কখনও একটা বিশ্ববিদ্যালয় সমস্বরে বলে — আমরা ভয় পাব না।

এখানেই লেনিনের স্মৃতি। মূর্তির মধ্যে নয় শুধু। বইয়ের পাতায় নয় শুধু। মানুষের প্রশ্নের মধ্যে। মানুষের প্রতিবাদের মধ্যে। মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষার মধ্যে।

তাই বুলডোজার যতই গর্জন করুক, ইতিহাসকে পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া যায় না।
রাত যতই গভীর হোক, ভয়কে চিরস্থায়ী করা যায় না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা যতই দখল করার চেষ্টা হোক, চিন্তার দরজা বন্ধ করা যায় না।
কারণ পাথর ভাঙা যায়।
মূর্তি ভাঙা যায়।
নাম মুছে ফেলা যায়।
বই পোড়ানো যায়।
কিন্তু মানুষের মনে জন্ম নেওয়া প্রশ্নকে হত্যা করা যায় না।

একদিন কোনও এক কিশোর ভাঙা মূর্তির জায়গায় দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করবে — 
‘এখানে আগে কী ছিল?’
কেউ বলবে — ‘একটা মূর্তি’।
‘কার?’
‘লেনিনের।’
‘তিনি কে ছিলেন?’

সেই মুহূর্তে ইতিহাস আবার দরজা খুলবে।
সে জানতে চাইবে শ্রমিকের কথা। কৃষকের কথা। শোষণের কথা। স্বাধীনতার কথা। সমতার কথা।
আর নিজের সময়ের দিকে তাকিয়ে হয়তো সে আবার সেই পুরনো প্রশ্নটাই করবে —

‘আমাদের পৃথিবী কি সত্যিই ন্যায়সঙ্গত?’ আর এই প্রশ্নটাই ফ্যাসিস্টদের কাছে সবচেয়ে বিপজ্জনক।

কারণ প্রশ্ন করলে মানুষ ভাবতে শুরু করে। ভাবলে তুলনা করতে শেখে। তুলনা করলে অন্যায় দেখতে পায়। অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করতে শেখে।

আর প্রতিবাদী মানুষকে চিরকাল নিচের দিকে ঠেলে রাখা যায় না।

তাই শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা যাদবপুরের নয়। প্রশ্নটা লেনিনেরও নয়। প্রশ্নটা আমাদের সবারই।

আমরা কি Race to the Bottom-এর সেই দৌড়ে অংশ নেব — যেখানে মানুষের শ্রম আরও সস্তা, মানুষ আরও ভীত, আরও বিভক্ত, আরও নীরব?

নাকি আমরা অন্য এক দৌড় শুরু করব?

উপরে ওঠার দৌড় নয় — মানুষ হওয়ার দৌড়। যেখানে শিক্ষা থাকবে। শ্রমের মর্যাদা থাকবে। বেকারের হাতে কাজ থাকবে। ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা হবে অধিকারনারীর সম অধিকার থাকবে। ইতিহাস থাকবে। মতবিরোধ থাকবে। গণতন্ত্র থাকবে। প্রশ্ন থাকবে।

আর থাকবে মুক্তির স্বপ্ন।


কারণ ইতিহাসের শেষ কথা কোনও বুলডোজার বলে না। শেষ কথা বলে মানুষ।

রাতের অন্ধকার যত গভীরই হোক — ভোর আসবেই।

আর সেই ভোরে পাথরের মূর্তি হয়তো থাকবে না। কিন্তু মানুষের মাথায় প্রশ্ন দাঁড়িয়ে থাকবে।

আগুনের মতো। অবিনাশী।
প্রকাশের তারিখ: ২১-আগস্ট-২০২৬

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org