|
সরকার ও গণতন্ত্রChandan Das |
বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনে অনেক সময় সাধারন মানুষের প্রতিনিধিত্ব হয় না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা সাধারন মানুষকেই নির্বাচিত করতে চাই। সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। |
| নয়ডার জন্য লড়াই নির্বাচনে...... নয়ডা অপেক্ষা করছে। বার্তা দিতে হবে পশ্চিমবঙ্গকে। নয়ডা অনুপ্রাণিত করেছে। পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব? সাহসের চিহ্ন ব্যালটে ব্যালটে এঁকে যোগী-রাজ্যে জবাব পাঠানো—গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামে জেগে ছিল, আছে, থাকবে বাংলা। নয়ডার কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলন ছিল মজুরির দাবিতে। সেখানকার পুলিশ বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে শ্রমিকদের মেরেছে। গ্রেপ্তার করেছে শ্রমিক আন্দোলনের সংগঠকদের। তাঁদের অনেকে এখন জেলবন্দী। নয়ডার সেই আন্দোলন আর শুধু মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে সীমাবদ্ধ নেই। নয়ডার আন্দোলন এখন গণতন্ত্র উদ্ধারের লড়াইয়ে রূপান্তরিত হয়েছে। উত্তরপ্রদেশে যাদের সরকার, সেই বিজেপি-কে এই রাজ্যে ডেকে এনেছিল তৃণমূল। যোগী আদিত্যনাথ যে ভাবে গণতন্ত্রকে দমন করছে উত্তরপ্রদেশে, সেই পথই পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে চলেছে মমতা ব্যানার্জির সরকার। বিধানসভা থেকে পঞ্চায়েত, আক্রান্ত হয়েছেন বামপন্থীরা। রাজ্যে শ্রমিক, খেতমজুর থেকে ছাত্র— ধর্মঘটের যে কোনও প্রয়াসের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূলীরা। এই ভাবেই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বিজেপি, আরএসএস-এর অনুকূল করে তুলেছে মমতা ব্যানার্জি, তাঁর দল, প্রশাসন-পুলিশ। আগামী বিধানসভা নির্বাচন তাই পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামকে জোরদার করার লড়াই। সে লড়াই স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সে লড়াইয়ে বামপন্থীদের অগ্রগতি স্বাভাবিকভাবেই নয়ডাকে আগামীর সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করবে। আসলে শুধু নয়ডা নয়, যা ছিল দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রগর্তী ঘাঁটি, যা ছিল দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্যাম্প, সেই পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থীদের শক্তিবৃদ্ধি ভারতে নয়া ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে সুদৃঢ় করবে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন তাই ভারতের ভবিষ্যৎ নির্দ্ধারণ করবে। বিজেপিকে প্রতিরোধ করার এই লড়াইয়ে প্রধান বাধা তৃণমূল। গত দেড় দশকে পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের প্রতিটি ক্ষেত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি, যাতে উৎসাহিত হয়েছে আরেসএস-বিজেপি। অসংখ্য উদাহরণ ছড়িয়ে। তখন ২০১২-র জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ ছিল। দেশ দেখলো রায়গঞ্জ ইউনিভার্সিটি কলেজের অধ্যক্ষ দিলীপ দে সরকারকে টেনে হিঁচড়ে কিল, চড় লাথি মারছে তৃণমূল কর্মীরা। তারা কেউই কলেজের ছাত্র ছিল না। সেই ঘটনার দু দিন পর, ৭ই জানুয়ারি প্রথম মুখ খুলে মমতা ব্যানার্জি জানিয়েছিলেন,‘‘ছোট্ট ঘটনা নিয়ে তিলকে তাল করা হচ্ছে।’’ তাঁর আরও প্রতিক্রিয়া ছিল,‘‘একদিনের একটা ছোট্ট ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নামে অপপ্রচার চলছে। কুৎসা করা হচ্ছে।’’ আক্রমণকারীদের সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীর ধারণা কী? শাসক দলের পতাকা নিয়ে রায়গঞ্জ কলেজ দাপিয়ে সেদিন যারা ভাঙচুর চালিয়েছিল, অধ্যক্ষকে টেনে হিঁচড়ে কিল, লাথি চড় মেরেছিল তাঁদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সান্ত্বনা,‘‘ছোটো ছেলে সব। ভুল করে ফাঁদে পড়ে একাজ করেছে। ওদের শোধরাবার সুযোগ দেব।’’ সেই ‘ছোট ছোট ছেলেরাই’ তৃণমূল কংগ্রেসের নীলমণি, রাজ্যের গণতন্ত্রের দুঃশাসন হয়েছে পরিবর্তীকালে। প্রথমে তৃণমূল কলেজ দখল করেছিল। তারপর পঞ্চায়েত। কলেজের ইউনিয়ন কিংবা পঞ্চায়েত মমতা ব্যানার্জির দলের লুটের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। যা ছিল শিক্ষাঙ্গনে গণতন্ত্রের পাঠশালা, তা পঞ্চায়েত নামক ‘গ্রামের সরকার’-এর মতোই পরিণত হয়েছে এক নিষ্ক্রীয় সংস্থায়। রাজ্যের ছাত্র সংসদ থেকে পঞ্চায়েতের এই গতিপ্রকৃতিই পশ্চিমবঙ্গে গত দেড় দশকে গণতন্ত্রের ডায়েরি। হিন্দুত্বের উত্থান হয়েছে গণতন্ত্রের এই বধ্যভূমির ভিত্তিতে। যা কলেজে, পঞ্চায়েতে হয়েছে, তাই পৌরসভাগুলিতেও হয়েছে গত পনেরো বছরে। গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে। হিন্দুত্ববাদ মাথা তুলেছে। ২০১৮-র ২২শে মার্চ। মেদিনীপুরে প্রশাসনিক সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেদিন তিনি বলেন,‘‘পঞ্চায়েত শাসক দলের হাতে না থাকলে কিভাবে কাজ হবে?’’ ইঙ্গিত স্পষ্ট — ‘কাজের’ জন্য পঞ্চায়েত দখল কর। কী করতে চাইছেন মমতা ব্যানার্জি বোঝা গেল পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন। উদাহরণ হতে পারে ২০১৮’র পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেবার নির্বাচনের আগেই ৩৪% আসনে তৃণমূল কংগ্রেস কোনও বিরোধী প্রার্থীকেই মনোনয়ণ জমা দিতে দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস। ৯টি জেলা পরিষদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এছাড়া ভোটগ্রহণের আগেই ৩৪১টির মধ্যে ১২৫টি পঞ্চায়েত সমিতি এবং ৩৩৪৩টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১১২৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত শাসকদল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করে ফেলেছিল। যে জায়গায় ভোটের সুযোগ ছিল, সেখানে জেলা পরিষদের আসনগুলির ৯৪% তে মমতা ব্যানার্জির দল জিতেছিল। কারন — ব্যাপক ছাপ্পা, বুথ দখল করেছিল মমতা ব্যানার্জির দল। মানুষ ভোটই দিতে পারেননি। বিরোধী প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে দেওয়া হয়নি। প্রার্থীপদ দিতেই পারেননি বেশিরভাগ। রাজ্যের পৌরসভাগুলিকেও এই ভাবে গত করায়ত্ব করেছে মুখ্যমন্ত্রীর দল। এই ক্ষেত্রে দখল কেন? মূলত দুটি কারনে। প্রথমত, লুটের পথে কোনও বাধা না রাখতে। দ্বিতীয়ত, কোনও সমালোচনাকে সহ্য না করতে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের যে গনতান্ত্রিক পথ পশ্চিমবঙ্গে বিস্তৃত, মসৃণ হয়েছিল বামফ্রন্ট সরকারের ৩৪ বছরে, তাকে ধ্বংস করাই মমতা-শাসনের অন্যতম কর্তব্য হয়ে উঠেছে। গণতন্ত্র সম্পর্কে তৃণমূলের এই ধারণার সঙ্গে আর একটি সংগঠনের বিশেষ মিল আছে। সেটি আরএসএস। আরএসএস পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিরোধী। তারা চায় মনোনীত পঞ্চায়েত। অর্থাৎ পঞ্চায়েত থাকবে গ্রামের প্রভাবশালী, ধনী ব্যক্তিদের কবজায়। যে পঞ্চায়েতকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে ১৯৭৮-এর পর ‘শূদ্র জাগরণ’ ঘটেছিল, সমাজের পিছিয়ে থাকা অংশের মানুষ গ্রামের উন্নয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন, মমতা ব্যানার্জি সেই নির্বাচিত সংস্থাকে প্রথমে নিষ্ক্রীয় করেছেন। বিজেপি’র লক্ষ্য সেখান থেকে সমাজের পিছিয়ে থাকা অংশকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া। বামপন্থীদের লক্ষ্য কী? একটি উদ্ধৃতি দেখা যাক। কমরেড প্রমোদ দাশগুপ্ত কী বলেছিলেন? রাজ্যের প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বামফ্রন্টের তৎকালীন চেয়ারম্যান ১৯৭৮-র ১৯শে এপ্রিল কলকাতায় বলেছিলেন,‘‘বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনে অনেক সময় সাধারন মানুষের প্রতিনিধিত্ব হয় না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা সাধারন মানুষকেই নির্বাচিত করতে চাই। সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’’ তফাৎ গণতন্ত্র সম্পর্কে ধারনায়। একটি প্রমাণ লোকায়ুক্ত কমিশন। লোকায়ুক্ত কমিশন তৈরি করেছিল বামফ্রন্ট। তখন লোকায়ুক্তের আওতায় মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। অর্থাৎ দুর্নীতির অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে করা যেত লোকায়ুক্তে। মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় থেকে তা বদলে দিয়েছেন। তিনি ২০১৮-তে যে আইন করেছেন তাতে,‘পাবলিক অর্ডার’ বা জনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যায় না। এমনকি অন্য বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করতে হলে বিধানসভার দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি নিতে হবে। দুর্নীতির তদন্তে লোকায়ুক্তের বিন্দুমাত্র গুরুত্ব রাখেননি মমতা ব্যানার্জি। সমালোচকদের কথায়,‘পাঁঠার অনুমতি নিয়ে কালীপুজো করতে হলে সেই পুজো আর কোনোদিন হবে না।’ মমতা ব্যানার্জি বিধানসভায় কী বলেছিলেন? ‘২০১৩ সালের কেন্দ্রীয় লোকপাল আইন কিংবা ২০০৩ সালের এ’ রাজ্যের লোকায়ুক্ত আইন টোটো মেনে নিতে যাবো কেন? আমি টোটো পার্টি নই। আমাদের নিজস্ব মতামত আছে। সেই অনুযায়ী আমরা আইন সংশোধন করে নিচ্ছি। কাল আপনাদের মেজরিটি এলে (বিধানসভায়) তখন আপনারা আইন সংশোধন করে নেবেন।’ এই বিজেপি-সুলভ ঔদ্ধত্য মমতা ব্যানার্জিই দেখিয়েছিলেন। মানবাধিকার কমিশনেরও এক হাল। গত দশ বছরে মানবাধিকার কমিশনের কোনও সুপারিশ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়নি রাজ্য সরকার। গত তিন বছরে রাজ্য সরকারকে কোনও সুপারিশই করেনি রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। কমিশনের প্রধান এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ — এই রেকর্ডও মমতা ব্যানার্জি তৈরি করেছিলেন। যা বামফ্রন্ট সরকারের সময়কালে কল্পনার অতীত ছিল। নির্বাচিত জেলা পরিষদ ভেঙে দেওয়ার রেকর্ডও মমতা ব্যানার্জিই অর্জন করেছিলেন। দিনটি ছিল ২৬শে মার্চ, ২০১২। রাজ্যে গনতন্ত্রের এক কালোদিন। সেদিন উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের যাবতীয় ক্ষমতা কেড়ে নেয় তৃণমূলের সরকার। যা গত ৩৫ বছরে কখনো হয়নি। শুধু উত্তর ২৪ পরগণাই নয়, সেই অনাচারের শিকার হয়েছে মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়া জেলা পরিষদও। রাজ্যে গত দেড় দশকে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ধ্বংসের এমন অনেক উদাহরণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। মমতা ব্যানার্জির প্রতিশ্রুতি ছিল তিনি মুখ্যমন্ত্রী হলে সব রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেবেন। সিপিআই(এম) নেতা, কর্মীদের খুন করে জঙ্গলমহলকে বিজেপি’র আজকের চারণভূমিতে পরিণত করা মাওবাদীরা তখন মমতা ব্যানার্জির মধ্যে ‘যোগ্যতম মুখ্যমন্ত্রী’র খোঁজ পেয়েছিলেন। তৃণমূল কর্মী ছত্রধর মাহাতো তখন ‘বিপ্লবী’দের মুখপাত্র। দেড় দশক কেটে গেছে। ছত্রধরের দোতলা, সুদৃশ্য বাড়ি হয়েছে লালগড় থেকে রামগড় যাওয়ার পথের পাশে। কিন্তু বন্দীমুক্তি? বামফ্রন্ট সরকারের বিরোধীতায় বারবার সরব হওয়া এপিডিআর সংগঠনের সহ সভাপতি রঞ্জিৎ শূরের কথায়,‘‘এখন ৪০জন জেলে আছেন। তার মধ্যে জয়ীতা দাস, অর্ণব দাম, সব্যসাচী গোস্বামীর মত জনা চারেক শহরের। বাকিরা জঙ্গলমহলের। এই সরকার কারোর মুক্তি দেয়নি। আমরা অনেক চিঠি দিয়েছি। কোনটির প্রাপ্তিস্বীকারও করেননি। ডেকে কথা বলা তো দূরের কথা।’’ যাঁদের মুখের ছবি দিয়ে ‘পরিবর্তন’ পোস্টারে ছেয়ে গেছিল ২০১১, সেই বুদ্ধিজীবীরা এখন কোথায় এই প্রশ্ন অবান্তর। কারণ— সেদিনই গরিব খেতমজুর শহীদ হয়েছিলেন ‘ধেয়ে আসা ফ্যাসিবাদ’(নন্দীগ্রামে তৃণমূলী সন্ত্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে আজিজুল হকের ভাষ্য) ঠেকাতে, আজও যারা গণতন্ত্র উদ্ধারে লড়ছেন, তাঁরা পদাতিক, নামহীন, গোত্রহীন যোদ্ধা। কথায় কথায় রঞ্জিৎ শূর মনে করিয়ে দিলেন, ১৯৭৭-এর আগেও তিনি আরও অনেকের মতো ‘বন্দীমুক্তি আন্দোলন’ করেছিলেন। যার অন্যতম সংগঠক ছিলেন সূর্য সেনের সহযোগী, পরবর্তীকালে কমিউনিস্ট নেতা গণেশ ঘোষ। কিন্তু ’৭৭-এ কী হয়েছিল? বামফ্রন্ট সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল সব রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হবে। তারমধ্যে প্রবল সিপিআই(এম)-বিরোধী নকশালবাড়িপন্থীরাও ছিলেন। সেদিন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতি বসু। তখনই তো সেই ঐতিহাসিক ঘোষণা— ‘আমাদের সরকার রাইটার্স বিল্ডিং থেকে চলবে না। আমাদের সরকার চলবে গ্রামে, শহরে, মানুষের মাঝে।’ তারজন্যই পঞ্চায়েত, পৌরসভা—পৌঁছেছিল পিছিয়ে থাকা মানুষের হাতে ক্ষমতা, হয়েছিল ‘শূদ্র জাগরণ।’ প্রকাশের তারিখ: ২৩-এপ্রিল-২০২৬ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|