|
উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব দিতে ব্যর্থ ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিবৃতি — মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরে যেতে হবেWebdesk |
কীভাবে নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা হচ্ছে, কীভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, কীভাবে ভোটার সংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশাধিকার কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে এবং কীভাবে নির্বাচনী পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে ফর্ম ৬-এ বেআইনি পরিবর্তনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। |
| ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র পলিট ব্যুরো নিম্নলিখিত বিবৃতি জারি করেছে: উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব দিতে ব্যর্থ ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিবৃতি — মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরে যেতে হবে ২৬ সেপ্টেম্বর ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) যে বিবৃতি প্রকাশ করেছে, তাতে নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে উত্থাপিত গুরুতর প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে প্রকাশ, দুই নির্বাচন কমিশনার বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন—কীভাবে নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা হচ্ছে, কীভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, কীভাবে ভোটার সংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশাধিকার কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে এবং কীভাবে নির্বাচনী পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে ফর্ম ৬-এ বেআইনি পরিবর্তনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিরোধী দলগুলি এবং নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলি যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল, তা একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে—সারা দেশে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া SIR প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপটে। এখন নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তর থেকেই প্রকাশিত তথ্য সেই উদ্বেগগুলিকেই আরও জোরালো করেছে। মূল প্রশ্ন হল, নির্বাচনী প্রক্রিয়া কি স্বচ্ছভাবে, আইন মেনে এবং যোগ্য ভোটারদের অন্যায়ভাবে বাদ পড়া রোধে পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে পরিচালিত হচ্ছে? ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিবৃতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি, এমনকি সেগুলি অস্বীকারও করা হয়নি। একজন ব্যক্তি বা শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে কাজ করা একটি গোষ্ঠীর খামখেয়ালি ও কর্তৃত্ববাদী কার্যকলাপের ফলে নাগরিকদের যে চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হয়েছে, তার জন্য জবাবদিহির বিষয়েও বিবৃতিতে কিছু বলা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আমরা ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করছি। তিনি পদত্যাগ না করলে অসদাচরণের জন্য তাঁকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করতে হবে। SIR প্রক্রিয়াও অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তাঁকে সরে যেতে হবে, বিশেষ করে কেরলের এক প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক তাঁর বিরুদ্ধে যে নতুন অভিযোগগুলি এনেছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে। প্রকাশের তারিখ: ২৭-সেপ্টেম্বর-২০২৬ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|