ঘূর্ণিঝড় ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি করছে পশ্চিমবঙ্গে

ঝড় বা বৃষ্টিতে নয়, জলোচ্ছ্বাসের ফলে ভয়ংকর পরিস্থিতি পুরো সুন্দরবন জুড়ে। সবে জোয়ার শুরু হয়েছে। দুপুর ১২ টায় সর্বোচ্চ জোয়ার হবার সময়। এখনই পাথর প্রতিমা, নামখানা, সাগরদ্বীপ, কাকদ্বীপের বেশিরভাগ এলাকা বন্যাপ্লাবিত। নদী বাঁধ ভেঙে বা ছাপিয়ে হুহু করে জল ঢুকছে। কাকদ্বীপ শহরের মাঝে কালনাগিনী খালের বাঁধের উপর দিয়ে পাড়ায় জল ঢুকছে।

এখনও অবধি যা খবর পাওয়া গেছে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ। দীঘায় জলোচ্ছ্বাস ভয়াবহ চেহারা নিয়েছে। হাওড়ায় গাদিয়াড়া, ফুলেশ্বর এবং সংলগ্ন অন্যান্য এলাকায় বাঁধ ভেঙ্গে জল ঢুকছে ক্রমাগত।

উলুবেড়িয়া পৌরসভার বিরোধী দলনেতা কমরেড সাবির উদ্দিন মোল্লা এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে গঙ্গার বাঁধ মেরামতির কাজে নেমেছেন।

পূর্ণিমার ভরা কোটালের জোয়ার আর পূবের ঝোড়ো হাওয়ায় ফুলে ফেঁপে উঠেছে সব নদী। বাঁধ উপচে জল ঢুকছে হুহু করে। বাঁধ ভেঙেছে  সাগর, কাকদ্বীপ, নামখানা, মৌসুনি দ্বীপ, পাথরপ্রতিমার অনেকগুলো দ্বীপ, রায়দীঘি, কুলতলী, বাসন্তী, গোসাবার বিভিন্ন এলাকা সহ দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমগ্র উপকূলবর্তী এলাকায়। ডায়মন্ডহারবার শহরে বাঁধ উপচে জল ঢুকছে শহরে। ভাটার অপেক্ষায়  মানুষ। কিন্তু আবার রাতে জোয়ার আসবে। ভয়াবহ পরিস্থিতি। দ্রুত অনেক ত্রাণের প্রয়োজন হবে। সিপিআই(এম) কর্মীদের প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানিয়েছেন পার্টির জেলা সম্পাদক শমীক লাহিড়ী।

নিজের ফেসবুক ওয়ালে শমীক লাহিড়ী লিখেছেনঃ

"নামখানায় জলমগ্ন মানুষদের উদ্ধার ও খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন সিপিআই(এম) কর্মীরা। সমগ্র কোস্টাল এলাকা জলমগ্ন। আয়লার পর কেন্দ্রীয় সমীক্ষক দল ৭৭১ কিমি নদীবাঁধ শক্তভাবে তৈরির সুপারিশ করেছিল। মাত্র ৭০কিমি বাঁধের কাজ হয়েছিল। ফেরৎ গিয়েছিল ৪০০০কোটি। সঙ্কীর্ণ রাজনীতির মাশুল গুণতে হচ্ছে প্রতি বছর সর্বস্ব হারিয়ে সুন্দরবন কোস্টাল এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে।"

সুত্রঃ

১) গণশক্তি

২) হাওড়া জেলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট Whatsapp গ্রুপে পাঠানো ছবি


শেয়ার করুন

উত্তর দিন