The Role Sangh Played Behind BJP: A Report

মোদির সরকারকে ঘিরে সঙ্ঘের প্রথম পদক্ষেপ

Gautam-Roy

গৌতম রায়

আমরা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গত ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি কেন্দ্রে একক ভাবে সরকার গঠন করবার পরে ওই দলটিকে মোকাবিলা করতে যতোভাবেই কোমর বাঁধবার চেষ্টা করি না কেন, ওই দলটি একক শক্তিতে ক্ষমতা দখলের পর কি পর্যায়ে রাজনৈতিক আগ্রাসনের পাঁয়তারা কষতে শুরু করেছে- সেইদিকে কখনো নজর দিয়েছি কি? আমরা এই বিষয়ে নজর দিই বা না দিই- আন্তর্জাতিক স্তরে যাঁরা হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার গতিপ্রকৃতি ঘিরে চর্চা করেন, ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই নরেন্দ্র মোদির ‘ নোতুন’ ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার- শব্দটি ব্যবহার করতে শুরু করে দিয়েছেন। মোদি ক্ষমতায় আসার প্রথম পনের মাসের ভিতরেই বিজেপির মস্তিষ্ক আর এস এস তাদের প্রায় গোটা চব্বিশেক শাখা সংগঠন নিয়ে মোদির সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে সঙ্ঘের ভূমিকা কি হবে- তা নিয়ে একটা জোরদার সভা করে। সঙ্ঘ লোকদেখানো ভাবে মোদি সরকারের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পর্যালোচনা করবার এই সভার নাম দিয়েছিল সমন্বয়সাধন বৈঠক।’১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আর এস এসের মোদি সরকারের উপর খবরদারীর প্রথম বৈঠকটি বসে ।এই বৈঠকেই ভারত রাষ্ট্রের জনগণ সম্পর্কে মোদি সরকার কোন পথে চলবে- তার একটা সার্বিক নির্দেশিকা আর এস এস নিজেদের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপির উদ্দেশে তৈরি করে দেয় ।মোদি প্রশাসনের জাতীয় নীতি থেকে শুরু করে বিদেশ নীতি, অর্থনীতি- সবকিছুর ই একটা কড়া নির্দেশিকা এই বৈঠকে তৈরি করে দেয় আর এস এস(  এই বৈঠক এবং সেখানে আলোচ্য বিষয়ের খুঁটিনাটি, মোদি সরকারের উপর সঙ্ঘের নির্দেশিকা– এইসব বিস্তারিত ভাবে জানবার জন্যে পাঠক পড়ুন- দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৩রা সেপ্টেম্বর,২০১৫। শিরোণাম ছিল,’ Top BJP Ministers Attend RSS Meet , Opposition Questions Govt’s Accountability.      

ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমে সদ্য ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের উপর সঙ্ঘের নিয়ন্ত্রণের এই যে প্রক্রিয়া তার বিস্তারিত খবর প্রকাশিত হয়েছিল।সরকারের মন্ত্রীদের উপর কী ধরণের হম্বিতম্বি সঙ্ঘ নেতারা করছেন- তার খবর ও প্রকাশিত হয়েছিল।কিন্তু মজার কথা হল; বিজেপি সরকার করলে আর এস এস যে সেই সরকারকে সবরকম ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করবে এটা বামেদের মৃদু প্রতিবাদ ছাড়া অন্যসব অবিজেপি রাজনৈতিক দলগুলির কাছেই তখন প্রায় টেকেন ফর গ্রিনটেড হয়ে গিয়েছিল।তাই  এই বৈঠক ঘিরে বামেদের ছাড়া আর কোনো অবিজেপি রাজনৈতিক দলকেই আমরা তখন সংসদের ভিতরে বা বাইরে সরব হতে দেখতে পাই না।
                              

সঙ্ঘের সঙ্গে মোদির সম্পর্কটা ২০১৯ সালে আবার ভোটে জিতে একক ক্ষমতায় ফিরে আসার পর কিছুটা হলেও একটা নরম- গরম পর্যায়ের এলেও , ২০১৫ সালের ওই তথাকথিত সমন্বয়কারী বৈঠক, যা প্রকৃতপক্ষে ছিল মোদি সরকারের উপর আর এস এসের কর্তৃক্ষের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নির্মাণের বৈঠক , সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে সঙ্ঘ নির্ধারিত গাইড লাইন বুঝতে স্বয়ং উপস্থিত থেকেছিলেন।
                     

পাঠক যদি এই ‘সমন্বয়ী ‘ ( যে শব্দটাতে হিন্দু সাম্প্রদায়িক শিবিবের সব থেকে বেশি গাত্রদাহ!) বৈঠক ঘিরে বামপন্থীরা তাঁদের স্বভাবসুলভ বিজেপি বিরোধিতার ধারাবাহিকতায় একটু বেশি ই সক্রিয় থেকেছেন আর অবিজেপি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অতীত অভিজ্ঞতার দরুণ , এই বৈঠক হওয়ার ছিল, সঙ্ঘের তাদের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপির উপর এইসব নির্দেশিকা জারি করার ই ছিল- তাহলে এই গয়ংগচ্ছ মানসিকতার জন্যে পাঠককে খুব একটা দায়ী ও করতে পারা যাবে না।
                    

সত্যিই তো, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে , আর সেই ক্ষমতায় নিয়ন্ত্রণের লাগাম আটকাতে আসরে বিজেপির মস্তিষ্ক আর এস এস নেমে পড়বে না- এটা তো হতে পারে না।অতীতে অটলবিহারী বাজপেয়ী যখন তিন টি পর্যায়ে প্রায় সাড়ে ছয় বছর যে নীতিবিহীন , সুবিধাবাদী জোটের সরকার চালিয়েছিলেন- সেইসময়ে তো এই তথাকথিত সমন্বয়বাদী বৈঠক ছিল একদম জলভাত। বাজপেয়ী জামানাতে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৪ , এই সময়কালে আর এস এস – বিজেপির ভিতরে এই সমন্বয়সূচক বৈঠক কিন্তু নিয়মিত হয়েছে।এন ডি এ নামক নীতিবিহীন- সুবিধাবাদী জোটের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে সেইসময়কালে অনেক বুঝেসুনে প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয়েছিল তখন বাজপেয়ী কে।তাই সেদিনের সেই সঙ্ঘ এবং তাদের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপির ভিতর এই বোঝাপড়ার বৈঠকগুলিতে সঙ্ঘের মতাদর্শে সরকার চালাতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর উপর সঙ্ঘ নেতৃত্বের হুকুমজারির বিষয়টিতে যদেষ্ট সমস্যা ছিল। জোটভুক্ত নানা রকমের আঞ্চলিক দলগুলিকে সামলে নিয়ে সরকার টিকিয়ে রাখাই তখন গোটা হিন্দুত্ববাদী শক্তির কাছে প্রধান বিষয় ছিল।তাই সঙ্ঘ যেমন সেদিন সরকার পরিচালনার প্রশ্নে বাজপেয়ীকে কিছুটা অলিখিত ছাড় দিয়েছিল, তেমনি ই এন ডি এ জোটের কিছু কিছু আঞ্চলিক দলের রাজ্যওয়ারি বোঝাপড়ার নিরিখে এই সম্পর্কের খতিয়ানকে মাথায় রেখেই সরকারকে কখনোই সঙ্ঘের থেকে ছাপিয়ে যেতে দেন নি বাজপেয়ী বা তাঁর সহযোগীরা। তাই সেদিনের ধারাবাহিক সঙ্ঘ নেতৃত্বের সঙ্গে এন ডি এ সরকারের বিজেপি র প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের  বৈঠক ঘিরে সঙ্ঘের মতাদর্শকে সরকাথের উপর চাপিয়ে দেওয়া নিয়ে বিশেষ বিতর্ক হয় নি।
          

মোদি বিজেপির একক ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সঙ্ঘ প্রথম যে সমন্বয়ী বৈঠকটা করে , তার পিছনে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির বেশ কয়েকটা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বিশেষ জরুরি ভূমিকা ছিল।অতীতে বাজপেয়ী জামানাতে সঙ্ঘ পরিবার আর এস এসের মতাদর্শগত প্রচার আর সেই মতাদর্শ মততাবেক নানা কাজকর্ম করেছিল।সেই কাজগুলি তখনকার রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীকে মাঝে মাঝে কিছু বেকায়দাতেও ফেলেছিল।সেইসময়ে বিজেপির একক গরিষ্ঠতা ছিল না।ফলে কোয়ালিশন সরকার চালাতে গেলে যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন, তা বাজপেয়ী ছাড়া অন্য বিজেপি নেতাদের বিশেষ ছিল না।ফলে সেই সময়ের প্রেক্ষিতে বিজেপি পরিচালিত , বাজপেয়ীর নেতৃত্বধীন প্রশাসন এবং বিজেপিকে যথেষ্ট সমস্যার ভিতরে পড়তে হয়েছিল।
                   

২০১৪ সালে যখন মোদি র নেতৃত্ব বিজেপির সরকার একক ভাবে দিল্লিতে ক্ষমতায় আসে , তারপরেই সঙ্ঘ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠবে সার্বিক পরিস্থিতির সময়োপযোগী আলোচনা শুরু করে। হিন্দুত্ববাদীদের যেসব নিজস্ব পরিকল্পনা ছিল, যেমন, ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদের ধ্বংসস্তুপের উপরে তথাকথিত রামমন্দির নির্মাণ, সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারার অবলুপ্তি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, মুসলমানদের হয় নাগরিকত্ব হরণ- নতুবা তাঁদের রাজনৈতিক হিন্দুদের অধীনতার মধ্যে থেকে দ্বিতীয় নাগরিক হিসেবে থেকে যাওয়া– এইসব বিতর্কিত বিষয়গুলি যে এন ডি এ নামক নীতিবিহীন- সুবিধাবাদী জোট সরকার ক্ষমতায় থাকলে করা সম্ভব নয়, অথচ , এই পরিকল্পনার প্রত্যেকটিই যাতে আগামী দিনগুলিতে হয়, সেই পরিবেশ তৈরির জন্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সময়োপযোগী কর্মকান্ড যাতে সঙ্ঘের বিভিন্ন রকমের শাখা সংগঠন, যাদের সঙ্ঘ পরিবার বলা হয়- তারা শুরু করে দেয়, আর সঙ্ঘ পরিবারের কাজগুলি সুচারু রূপেসম্পাদিত করতে গোটা রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে যাতে কেন্দ্রীয় সরকার নিয়োগ করে – তার ব্যবস্থাদি করা ছিল সেইদিনের সমন্বয়ী বৈঠকের মূল উদ্দেশ্যে। এন ডি এ এর আমলে সঙ্ঘ পরিবার সঙ্ঘের মূল উদ্দেশ্য পরিপূরণে কতোখানি যত্নের সাথে কাজ করছে, সেই কাজে প্রশাসন কতোখানি প্রয়োজনে প্রকাশ্যে , আবার প্রয়োজনে গোপনে সাহায্য করছে, আমলাদের একটা বড়ো অংশ সঙ্ঘকে সাহায্য করতে সত্যিই কতোখানি আন্তরিক এবং যত্নবান- এইসবের পর্যালোচনাতে এই সমন্বয়কারী বৈঠকগুলো বসতো।
                             

বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সঙ্ঘ পরিবারের হরেক কিসিমের শাখা সংগঠনের দ্বারা সংখ্যালঘুদের উপর যে ভয়াবহ অত্যাচার, যেমন; ওড়িশার বিস্তীর্ণ আদিবাসী খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ অধ্যুষিত এলাকায় , সেখানকার মানুষদের উপর সঙ্ঘ পরিবারের বিভৎস অত্যাচার, সেই রাজ্যের কেওনঝড়ের এক আদিবাসী গ্রামে অস্ট্রেলিয় মিশনারী ফাদার গ্রাহাম স্টুয়ার্স স্টেইনসকে দুই শিশুপুত্র সহ নারকীয় ভাবে হত্যা , এমন কি গুজরাট গণহত্যার প্রাথমিক নীল নকশা তৈরি– প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই সঙ্ঘ আর প্রশাসনের ভিতরে থাকা বিজেপির শীর্ষনেতা নেতা , কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অনুগত আমলার সঙ্গে ষড়যনাত্রে এই সমন্বয়কারী বৈঠকটির ছিল অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা।
                       

মোদি ক্ষমতাসীন হওয়ার পর যে বৈঠকটি প্রথম হয় তাঁর প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে আর এস এসের শীর্ষ নেতৃত্বের, সঙ্ঘের ভাষায়, সেই ‘ সমন্বয়কারী’ বৈঠকটি ছিল কিন্তু পরবর্তী সময়ের ভারত কোন পথে পরিচালিত হবে- তার রূপরেখা নির্মাণের প্রাথমিক ভিত্তি।ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান ধ্বংসে হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তির যে কর্মসূচি, এককভাবে তাদের রাজনৈতিক দল বিজেপি ক্ষমতায় আসবার পর, সেই ফ্যাসিস্ট কর্মসূচিকে কোন ভাবে রূপায়নে আত্মনিয়োগ করবে বিজেপি শাসিত প্রশাসন , সেই নির্দেশিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০১৫ তে প্রথম যে সমন্বয়ী বৈঠক টি আর এস এস করেছিল, তার গুরুত্ব অপরিসীম।
                 

২০১৫ র এই বৈঠকের পর ই পাঠক লক্ষ্য করবেন, মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার বিজেপি অতীতে ক্ষমতায় থাকাকালীন ( বাজপেয়ীর আমল বা অন্য রাজ্যগুলিতে) যেভাবে সরাসরি মুসলমান হত্যায় মেতে ওঠা থেকে প্রথম পর্যায়ে হিন্দুত্ববাদীরা কৌশলগত ভাবে সামান্য অদলবদল এনেছিল।সংখ্যালঘু মুসলমানদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়ে , মুসলমান মুক্ত ই কেবল নয়, জন্মসূত্রে হিন্দু কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী, ‘ হিন্দু’ শব্দটিকে সাম্প্রদায়িক অর্থে ব্যবহার করতে নারাজ, এমন মানুষদের কোনঠাসা করবার বৃহত্তর পরিকল্পনা এইসময় থেকেই প্রয়োগের পথে হাঁটতে শুরু করে গোটা হিন্দুত্ববাদী শিবির।সেই লক্ষ্যে অপছন্দের জনগোষ্ঠীর উপর অর্থনৈতিক , সামাজিক, প্রশাসনিক, আইনগত, রাজনৈতিক অবরোধের পথে হাঁটতে শুরু করে মোদি প্রশাসন।
                 

হিন্দু সাম্প্রদায়িকেরা যাঁদের মনে করে ‘ হিন্দুত্বে’ র প্রতিবন্ধক, যেমন; মুসলমান সমাজের মানুষ, ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ, জন্মসূত্রে হিন্দু হয়েও যাঁরা ভারতের প্রবাহমান বহুত্ববাদী সংস্কৃতিতে আস্থাশীল এবং কমিউনিস্টদের প্রতি মোদির শাসনকালের প্রথম পর্যায়ে একটা ভয়ের সংস্কৃতি, ত্রাসের সংস্কৃতি নামিয়ে আনতে শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে ক্ষমতায় ফিরে আসার অব্যবহিত পরে, সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধানের ৩৭০এবং ৩৫ এ ধারা বাতিলের ভিতর দিয়ে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ , গণতান্ত্রিক সংবিধান ধ্বংসের যে দানবীয়তা বিজেপি শুরু করে, তার রূপরেখা কিন্তু সেই ৩০১৫ সালে এই সমন্বয় বৈঠকের ভিতর দিয়ে আর এস এস তৈরি করে দিয়েছিল।
                    

এন আর সি , সি এ এ ইত্যাদির ভিতর দিয়ে আমাদের সহনাগরিক, যাঁরা ধর্ম বিশ্বাসে পবিত্র ইসলামের অনুসারী , তাঁদের নাগরিকত্ব হরণের যে বিভৎসতা মোদি প্রশাসন শুরু করেছে , সেই পটভূমিকা কে ধীরে ধীরে তৈরির যাবতীয় পরিকল্পনা এবং নির্দেশিকাও আর এস এস ২০১৫ র সেই সমন্বয় বৈঠক থেকেই দিতে শুরু করে।গুজরাট গণহত্যার পর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সংখ্যালঘু মুসলমান হত্যার নারকীয়তা, দিল্লি গণহত্যা, তার ও পটভূমিকা নির্মাণের যাবতীয় নীল নক্সা মোদি প্রথমবার ক্ষমতায় আসবার অব্যবহিত পর থেকেই আর এস এস করতে শুরু করে দিয়েছিল।

*মতামত লেখকের নিজস্ব

Spread the word

Leave a Reply